অধ্যায়-১৭, বাঘ

উত্তর :-  কাঁকড়ার গর্ভে থাবা ঢোকাতেই, অভিজ্ঞতাহীন বাঘছানার থাবায় ‘কাঁকড়া যেমন চিমটে ধরে দাঁড়া-য়’। বাঘছানাও জোরসে কেঁদে ওঠে। তখন ছোট্ট বাঘের মস্ত হলুদ বাবা ছানার কান্না শুনে তার গোবদা নখের থাবার এক থাবড়ায় কাঁকড়া-দাঁড়া কেটেছিল।

 

উত্তর :-  প্রশ্নোক্ত উক্তিটি বাবা-মার সঙ্গে পাখিরালয়ে বসবাসকারী বাঘছানার।

খিদে মেটানোর উদ্দেশ্যে কাঁকড়া ধরতে বাঘছানাটি কাঁকড়ার গর্তে তার ছোটো থাবাটি ঢুকিয়েছিল। কিন্তু এর আগে সে কখনো কাঁকড়া ধরেনি। গর্তে থাবা দিতেই কাঁকড়া তার থাবায় দিয়েছিল চিমটি। তাই সে এ কথা বলে কেঁদে উঠেছিল।

 

উত্তর :-  এখানে ‘ছানা’ বলে ‘বাঘ’ কবিতার ছোট্ট হলুদ বাঘছানার কথা বলা হয়েছে।

বাঘছানা পাখিরালয়ে শিকার ধরতে না পারায়, খিদের পেটে কষ্ট পাওয়ায়, খিদের চোটে কাদায় নেমে মেনিমৎস্য ধরার দুঃখে তার বাবা-মা খুব দুঃখ পায়। তারপর তারা বাসাবদল করে। পাখিরালয় থেকে তারা চলে যায় সজনেখালিতে।

 

উত্তর :-  প্রশ্নোক্ত অংশটি নবনীতা দেবসেনের ‘বাঘ’ কবিতা থেকে নেওয়া হয়েছে। আলোচ্য কবিতায় বর্ণিত ছোট্ট বাঘের মনে রাগ জমছে।

ছোট্ট বাঘের বাবা-মা ছোট্ট বাঘকে পাখিরালয়ে ডেরা বেঁধে রেখেছে। কিন্তু সেখানে ছানাটির খাদ্যসমস্যা দেখা দিয়েছে। পাখির বাসায় পাখির ছানারা থাকে, কিন্তু ছোট্ট বাঘ তাদের লাফিয়ে ধরতে গেলেই পাখির ছানারা ডানা মেলে উড়ে পালায়। পাখিরালয়ে ছাগল, ভেড়া, হরিণও নেই যে বাঘের ছানা তাদের ধরবে, সেখানে শুধুই পাখি। এই কারণে বাঘের ছানার মনে রাগ জমেছে।

 

উত্তর :-  প্রশ্নোক্ত অংশটি নবনীতা দেবসেনের ‘বাঘ’ নামক কবিতা থেকে নেওয়া হয়েছে। ছোট্ট বাঘের ছানা পাখিরালয়ে থাকত। কিন্তু সেখানে সে কোনো শিকার ধরতে পারত না। সেই প্রসঙ্গেই উদ্ধৃতাংশটির অবতারণা করা হয়েছে।

পাখিরালয়ের পাখির বাসায় পাখির ছানারা থাকত। ছোট্ট বাঘ তাদের নাগাল পেত না। অথচ পাখির ছানা ধরে খাওয়ার জন্য সে খুব চেষ্টা করত। আর তার জন্যই সে তার ছোট্ট শরীরটা নিয়ে। লাফ দিয়ে পাখি ধরতে যেত কিন্তু যতই সে লাফাত, ততই পাখির ছানারা ডানা মেলে মুহূর্তের মধ্যেই আকাশ পথে উড়ে পালাত। প্রশ্নোক্ত উদ্ধৃতাংশের মাধ্যমেই সে-কথাই বোঝানো হয়েছে।

 

উত্তর :- প্রশ্নোক্ত অংশটি নবনীতা দেবসেনের ‘বাঘ’ নামক কবিতা থেকে নেওয়া হয়েছে। গর্তে থাবা দিয়েই কেঁদে উঠেছিল বাঘের ছানাটি।

* বাঘের ছানাটি পাখিরালয়ে ডেরা বেঁধে থাকত, কিন্তু সেখানে সে কোনো শিকার ধরতে পারছিল না। তাই একদিন সে নদীর পাড়ে যায় এবং দেখতে পায় লালঠেঙো কাঁকড়ারা হেঁটে বেড়াচ্ছে। তখন সে কাঁকড়া ধরার জন্য গর্ভে থাবা ঢুকিয়ে দেয়। তখন কাঁকড়া তার থাবায় কামড়ে ধরে। আর সেই কারণেই যন্ত্রণায় কেঁদে ওঠে ছোট্ট বাঘটি।

‘কান্না শুনে দৌড়ে এলেন ঘাটে’,— বাঘের ছোট্টছানার থাবায় কাঁকড়া কামড়ে দেওয়ায় সে কেঁদে ফেলেছিল, এ কথা আমরা ‘বাঘ’ কবিতায় পড়েছি, কখনও তুমি কারো কান্না শুনে ছুটে গিয়ে এমনই কী দেখেছ?—মনে করে লেখো। 3

উত্তর :- প্রশ্নোক্ত অংশটি নবনীতা দেবসেনের ‘বাঘ’ নামক কবিতা থেকে নেওয়া হয়েছে। গর্তে থাবা দিয়েই কেঁদে উঠেছিল বাঘের ছানাটি।

* বাঘের ছানাটি পাখিরালয়ে ডেরা বেঁধে থাকত, কিন্তু সেখানে সে কোনো শিকার ধরতে পারছিল না। তাই একদিন সে নদীর পাড়ে যায় এবং দেখতে পায় লালঠেঙো কাঁকড়ারা হেঁটে বেড়াচ্ছে। তখন সে কাঁকড়া ধরার জন্য গর্ভে থাবা ঢুকিয়ে দেয়। তখন কাঁকড়া তার থাবায় কামড়ে ধরে। আর সেই কারণেই যন্ত্রণায় কেঁদে ওঠে ছোট্ট বাঘটি।

‘কান্না শুনে দৌড়ে এলেন ঘাটে’,— বাঘের ছোট্টছানার থাবায় কাঁকড়া কামড়ে দেওয়ায় সে কেঁদে ফেলেছিল, এ কথা আমরা ‘বাঘ’ কবিতায় পড়েছি, কখনও তুমি কারো কান্না শুনে ছুটে গিয়ে এমনই কী দেখেছ?—মনে করে লেখো। 3

উত্তর :- প্রশ্নোক্ত অংশটি নবনীতা দেবসেনের ‘বাঘ’ নামক কবিতা থেকে নেওয়া হয়েছে। গর্তে থাবা দিয়েই কেঁদে উঠেছিল বাঘের ছানাটি।

* বাঘের ছানাটি পাখিরালয়ে ডেরা বেঁধে থাকত, কিন্তু সেখানে সে কোনো শিকার ধরতে পারছিল না। তাই একদিন সে নদীর পাড়ে যায় এবং দেখতে পায় লালঠেঙো কাঁকড়ারা হেঁটে বেড়াচ্ছে। তখন সে কাঁকড়া ধরার জন্য গর্ভে থাবা ঢুকিয়ে দেয়। তখন কাঁকড়া তার থাবায় কামড়ে ধরে। আর সেই কারণেই যন্ত্রণায় কেঁদে ওঠে ছোট্ট বাঘটি।

‘কান্না শুনে দৌড়ে এলেন ঘাটে’,— বাঘের ছোট্টছানার থাবায় কাঁকড়া কামড়ে দেওয়ায় সে কেঁদে ফেলেছিল, এ কথা আমরা ‘বাঘ’ কবিতায় পড়েছি, কখনও তুমি কারো কান্না শুনে ছুটে গিয়ে এমনই কী দেখেছ?—মনে করে লেখো। 3

উত্তর :- প্রশ্নোক্ত অংশটি নবনীতা দেবসেনের ‘বাঘ’ নামক কবিতা থেকে নেওয়া হয়েছে। গর্তে থাবা দিয়েই কেঁদে উঠেছিল বাঘের ছানাটি।

* বাঘের ছানাটি পাখিরালয়ে ডেরা বেঁধে থাকত, কিন্তু সেখানে সে কোনো শিকার ধরতে পারছিল না। তাই একদিন সে নদীর পাড়ে যায় এবং দেখতে পায় লালঠেঙো কাঁকড়ারা হেঁটে বেড়াচ্ছে। তখন সে কাঁকড়া ধরার জন্য গর্ভে থাবা ঢুকিয়ে দেয়। তখন কাঁকড়া তার থাবায় কামড়ে ধরে। আর সেই কারণেই যন্ত্রণায় কেঁদে ওঠে ছোট্ট বাঘটি।

‘কান্না শুনে দৌড়ে এলেন ঘাটে’,— বাঘের ছোট্টছানার থাবায় কাঁকড়া কামড়ে দেওয়ায় সে কেঁদে ফেলেছিল, এ কথা আমরা ‘বাঘ’ কবিতায় পড়েছি, কখনও তুমি কারো কান্না শুনে ছুটে গিয়ে এমনই কী দেখেছ?—মনে করে লেখো। 3

উত্তর :- প্রশ্নোক্ত অংশটি নবনীতা দেবসেনের ‘বাঘ’ নামক কবিতা থেকে নেওয়া হয়েছে। গর্তে থাবা দিয়েই কেঁদে উঠেছিল বাঘের ছানাটি।

* বাঘের ছানাটি পাখিরালয়ে ডেরা বেঁধে থাকত, কিন্তু সেখানে সে কোনো শিকার ধরতে পারছিল না। তাই একদিন সে নদীর পাড়ে যায় এবং দেখতে পায় লালঠেঙো কাঁকড়ারা হেঁটে বেড়াচ্ছে। তখন সে কাঁকড়া ধরার জন্য গর্ভে থাবা ঢুকিয়ে দেয়। তখন কাঁকড়া তার থাবায় কামড়ে ধরে। আর সেই কারণেই যন্ত্রণায় কেঁদে ওঠে ছোট্ট বাঘটি।

‘কান্না শুনে দৌড়ে এলেন ঘাটে’,— বাঘের ছোট্টছানার থাবায় কাঁকড়া কামড়ে দেওয়ায় সে কেঁদে ফেলেছিল, এ কথা আমরা ‘বাঘ’ কবিতায় পড়েছি, কখনও তুমি কারো কান্না শুনে ছুটে গিয়ে এমনই কী দেখেছ?—মনে করে লেখো। 3

উত্তর :- প্রশ্নোক্ত অংশটি নবনীতা দেবসেনের ‘বাঘ’ নামক কবিতা থেকে নেওয়া হয়েছে। গর্তে থাবা দিয়েই কেঁদে উঠেছিল বাঘের ছানাটি।

* বাঘের ছানাটি পাখিরালয়ে ডেরা বেঁধে থাকত, কিন্তু সেখানে সে কোনো শিকার ধরতে পারছিল না। তাই একদিন সে নদীর পাড়ে যায় এবং দেখতে পায় লালঠেঙো কাঁকড়ারা হেঁটে বেড়াচ্ছে। তখন সে কাঁকড়া ধরার জন্য গর্ভে থাবা ঢুকিয়ে দেয়। তখন কাঁকড়া তার থাবায় কামড়ে ধরে। আর সেই কারণেই যন্ত্রণায় কেঁদে ওঠে ছোট্ট বাঘটি।

‘কান্না শুনে দৌড়ে এলেন ঘাটে’,— বাঘের ছোট্টছানার থাবায় কাঁকড়া কামড়ে দেওয়ায় সে কেঁদে ফেলেছিল, এ কথা আমরা ‘বাঘ’ কবিতায় পড়েছি, কখনও তুমি কারো কান্না শুনে ছুটে গিয়ে এমনই কী দেখেছ?—মনে করে লেখো। 3

উত্তর :- প্রশ্নোক্ত অংশটি নবনীতা দেবসেনের ‘বাঘ’ নামক কবিতা থেকে নেওয়া হয়েছে। গর্তে থাবা দিয়েই কেঁদে উঠেছিল বাঘের ছানাটি।

* বাঘের ছানাটি পাখিরালয়ে ডেরা বেঁধে থাকত, কিন্তু সেখানে সে কোনো শিকার ধরতে পারছিল না। তাই একদিন সে নদীর পাড়ে যায় এবং দেখতে পায় লালঠেঙো কাঁকড়ারা হেঁটে বেড়াচ্ছে। তখন সে কাঁকড়া ধরার জন্য গর্ভে থাবা ঢুকিয়ে দেয়। তখন কাঁকড়া তার থাবায় কামড়ে ধরে। আর সেই কারণেই যন্ত্রণায় কেঁদে ওঠে ছোট্ট বাঘটি।

‘কান্না শুনে দৌড়ে এলেন ঘাটে’,— বাঘের ছোট্টছানার থাবায় কাঁকড়া কামড়ে দেওয়ায় সে কেঁদে ফেলেছিল, এ কথা আমরা ‘বাঘ’ কবিতায় পড়েছি, কখনও তুমি কারো কান্না শুনে ছুটে গিয়ে এমনই কী দেখেছ?—মনে করে লেখো। 3

উত্তর :- প্রশ্নোক্ত অংশটি নবনীতা দেবসেনের ‘বাঘ’ নামক কবিতা থেকে নেওয়া হয়েছে। গর্তে থাবা দিয়েই কেঁদে উঠেছিল বাঘের ছানাটি।

* বাঘের ছানাটি পাখিরালয়ে ডেরা বেঁধে থাকত, কিন্তু সেখানে সে কোনো শিকার ধরতে পারছিল না। তাই একদিন সে নদীর পাড়ে যায় এবং দেখতে পায় লালঠেঙো কাঁকড়ারা হেঁটে বেড়াচ্ছে। তখন সে কাঁকড়া ধরার জন্য গর্ভে থাবা ঢুকিয়ে দেয়। তখন কাঁকড়া তার থাবায় কামড়ে ধরে। আর সেই কারণেই যন্ত্রণায় কেঁদে ওঠে ছোট্ট বাঘটি।

 

উত্তর :- আমি একসময় আমার গ্রামের বাড়িতে গিয়েছিলাম। সেখানে কিছুদিন ছিলাম। একদিন দুপুরবেলা আমি ঘরে জানলার ধারে বসে আছি হঠাৎ আমার কানে এল এক বাচ্চার করুণ কান্না। আমি সেই কান্না বেশিক্ষণ সহ্য করতে না পেরে ছুটে বাইরে গিয়ে দেখি একটি বাচ্চা ভয়ে কাঁদছে, কারণ তার সামনে একটি বড়ো বিড়াল বসে রয়েছে। আমি তা দেখে সেই বিড়ালটিকে সেখান থেকে তাড়িয়ে দিয়ে বাচ্চাটিকে তার বাড়িতে পৌঁছে দিলাম।

 

উত্তর :-  বাঘজননী তার সন্তানের কর্মকাণ্ডের জন্য লজ্জা পেয়েছিলেন। বাঘের ছানা কোনো শিকার ধরতে পারছিল না। খিদেয় সে খুব কষ্ট পাচ্ছিল। এমন সময় একদিন সে কাদায় নেমেছিল মেনিমৎস্য ধরার জন্য। এমন ছোটো কাজ বাঘের পক্ষে সম্মানজনক নয়। বাঘজননী সন্তানকে তাই বলেছিল যে, সে তো ভোঁদড় নয় যে কাদায় নেমে মৎস্য ধরে খাবে। অর্থাৎ কাদায় নেমে মাছ ধরা ব্যাঘ্র জাতির মানায় না। কিন্তু বাঘের ছানা তাই করেছিল আর তাই সন্তানের এমন আচরণে বাঘজননী লজ্জা পেয়েছিল।

 

উত্তর :-  নবনীতা দেবসেনের ‘বাঘ’ কবিতায় একটি বাঘছানার কর্মকাণ্ডের পরিচয় পাওয়া যায়। একটি ছোট্ট বাঘ ডেরা বেঁধেছিল পাখিরালয়ে। কিন্তু সেখানে সে কোনো শিকার পেত না। কারণ সেখানে ছিল শুধু পাখি আর পাখি। কোনো ছাগল, ভেড়া বা হরিণ সেখানে ছিল না। সে তাহলে খাবে কী? এমন স্থানে কেউ কী ডেরা বাঁধে? এই ভেবেই ছোট্ট বাঘের মনে খুব রাগ জমেছে। সে পাখি ধরতে যেই লাফাত, অমনি পাখিরা কিচিরমিচির করে ডানা ছড়িয়ে উড়ে পালাত। তাতে সে আরোই রেগে যেত। কোনো শিকার না পেয়ে তার খিদে বেড়ে যেত আরো। তখন মনের দুঃখে সে একদিন নদীর পাড়ে গেল। সেখানে দেখতে পেল লালঠেঙো কাঁকড়ারা হেঁটে বেড়াচ্ছে। কিন্তু সে কাঁকড়া ধরতে জানত না। তাই কাঁকড়া ধরার জন্য যেই না থাবা ঢুকিয়েছে গর্তে অমনি থাবায় চিমটি কেটেছে কাঁকড়া আর যন্ত্রণায় কেঁদে ওঠে বাঘছানা। সে যাত্রায় বাঘ-বাবা তাকে কাঁকড়াদের হাত থেকে মুক্ত করেছে মনের দুঃখে বাঘের ছানা কাদায় নেমে মাছ ধরতে গেলে বাঘজননী তাকে তিরস্কার করেছে। তাতেও ছানার কষ্ট হয়েছে। এইভাবেই আলোচ্য কবিতায় বাঘছানার রাগ-দুঃখ ও কর্মতৎপরতার পরিচয় পাওয়া গেছে।

 

উত্তর :-  পাখিরালয়ে ডেরা বেঁধে ছিল ছোট্ট একটি বাঘ। তবে পাখিরালয় হল পাখিদের বন, তাই সেই বনে ছোট্ট বাঘ ছাগল, ভেড়া, হরিণ প্রভৃতি কোনো শিকার পেত না। পাখি ধরতে গিয়েও সে ব্যর্থ হয়েছে। পাখি ধরার জন্য যখনই লাফ দিয়েছে, পাখিরা কিচিরমিচির করতে করতে ডানা মেলে উড়ে পালিয়েছে। একবার নদীর পাড়ে গিয়ে তার দৃষ্টি পড়ে লালঠেঙো কাঁকড়ারা হেঁটে বেড়াচ্ছে। ছোট্ট বাঘের সাধ হল কাঁকড়া ধরে খিদে দূর করবে। এই ভেবে যেই না বাঘছানা গর্তে থাবা ঢুকিয়েছে, অমনি কাঁকড়া দাঁড়া দিয়ে চেপে ধরেছে থাবা । যন্ত্রণায় কেঁদে উঠেছে সেই বাঘের ছানা। বাঘবাবা তখন তাকে উদ্ধার করেছে। এরপর খিদের জ্বালায় ছোট্ট বাঘ কাদায় নেমে মেনিমৎস্য ধরতে গিয়েছে, কিন্তু সন্তানের এরূপ আচরণে বাঘজননী লজ্জা পায়। জননী ছোট্ট বাঘকে বলে এমনভাবে মাছ ধরে ভোঁদড়রা। বাঘের পক্ষে এমন কাজ সম্মানের নয়। কিন্তু ছানার কষ্ট দেখে বাঘজননীর কষ্ট হয়, সে সন্তানের দুঃখ সহ্য করতে পারে না। সেই সময় বাঘ বাবা-মা তাদের সন্তানকে পাখিরালয় থেকে নিয়ে চলে যান সজনেখোলায়। তারপর থেকে তারা সেখানেই স্থায়ীভাবে থেকে যায়। এই কারণেই বাঘেরা পাখিরালয়ে আর কখনও যায়নি।