অধ্যায়-৪, মন- ভালো- করা

উত্তর:

কবি শক্তি চট্টোপাধ্যায়ের লেখা একটি উপন্যাসের নাম ‘কুয়োতলা’।

সাহিত্য অকাদেমি’ ছাড়া তাঁর প্রাপ্ত আর-একটি পুরস্কারের নাম ‘আনন্দ’ পুরস্কার।

উত্তর:

‘মন-ভালো-করা রোদ্দুর’ উদ্ধৃতাংশটির অর্থ—এমন রোদ বা রোদ্দুর, যা মন ভালো করে দেয়। *

প্রশ্নে প্রদত্ত উদ্ধৃত অংশটি কবি শক্তি চট্টোপাধ্যায়ের লেখা ‘মন-ভালো-করা’ কবিতার অংশ।

উত্তর:

‘ওর’ বলতে এখানে মাছরাঙা পাখির কথা বলা হয়েছে।

‘খর’ শব্দের অর্থ ‘তীব্র’ বা ‘গাঢ়’।

সমগ্র উদ্ধৃতাংশের অর্থটি হল—মাছরাঙা পাখির গায়ের রং কেন এমন উজ্জ্বল অথচ শান্ত।

 

 

উত্তর:

‘মন-ভালো-করা’ কবিতায় দেখা যায়, ‘হাওয়া’ প্রথমত গাছের পাতায় এসে পড়ে এবং পাতাকে নাড়িয়ে দিয়ে যায়। এ ছাড়াও ‘মাছরাঙাটির গায়ে হাওয়া পড়ে।

 

 

 উত্তর:

‘মন-ভালো-করা’ কবিতায় মোট চারটি প্রশ্নবোধক বাক্য আছে।

এর মধ্যে ‘মন ভালো—করা রোদ্দুর কেন/ মাছরাঙাটির গায়ের মতন?’ – এই প্রশ্নবোধক বাক্যটি সমগ্র কবিতায় আছে তিন বার। এ ছাড়া—‘কেন ওর রং খর ও শান্ত,/লাল হরিদ্রা সবুজাভ বন?’ –এই প্রশ্নবোধক বাক্যটিও এক বার উপস্থাপিত।

 

 

উত্তর:

কবি শক্তি চট্টোপাধ্যায়ের ‘মন-ভালো-করা’ কবিতা থেকে বুঝতে পারি যে, মনকে ভালো করার জন্য খুবই প্রয়োজন রোদ্দুরের। সূর্যের কিরণ দানের ফলে প্রকৃতি উপকৃত হয়, প্রকৃতি পায় নানান ধরনের রঙের ছোঁয়া। রোদ আমাদের আকাঙ্ক্ষিত। রোদ উঠলে মন সতেজ হয়ে ওঠে ; নব আনন্দে নেচে ওঠে মন। মানুষ যেমন খাদ্য চায়, বায়ু চায়, তেমনই চায় ঝলমলে রোদ্দুর। রোদের মধ্যে লুকিয়ে থাকে সূর্যের দান। সুতরাং তা মনকে তৃপ্তি দেয়,মনের কালিমা দূর করে। এইভাবে রোদ্দুর মনকে ভালো করে।

 

 

উত্তর:

প্রশ্নোক্ত উদ্ধৃতিটির উৎস হল কবি শক্তি চট্টোপাধ্যায়ের ‘মন-ভালো-করা’ কবিতা।

প্রকৃতির অকৃপণ দানে মাছরাঙা পাখির শরীরে তৈরি হয়েছে বৈচিত্র্যময় রঙের বাহার। যেন নীল আর নীল—তা কখনও হ্রস্ব আবার কখনও দীর্ঘ আকার ধারণ করেছে মাছরাঙার ডানায়। এ যেন নীলেরই সাগর। আদি-অন্ত সবটাই জুড়ে আছে নীল আর নীল।

 

 

উত্তর:

কবি শক্তি চট্টোপাধ্যায়ের ‘মন-ভালো-করা’ নামক কবিতা থেকে নেওয়া হয়েছে। কবি দেখেছেন মাছরাঙা পাখির শরীরের রঙের বাহার। প্রকৃতি অকৃপণ হাতে প্রায় সবরকম রং ঢেলে দিয়েছে তার গায়ে। রঙের সেই বর্ণবাহার দেখতে দেখতে কবির মনে পড়ে নানান বর্ণের সমাহার বনভূমির কথা ; যেখানে গাছে, ফুলে, ফলে দেখা যায় বৈচিত্র্যময় রং। তা লাল হরিদ্রা সবুজের অপূর্ব মেলবন্ধন যেন। মাছরাঙার গায়ে যেন সেইরূপ রঙের বনভূমি সৃষ্টি হয়েছে।

 

 

উত্তর:

কবি শক্তি চট্টোপাধ্যায়ের একটি উল্লেখযোগ্য কবিতা হল ‘মন-ভালো-করা’। আলোচ্য কবিতায় কবি দেখিয়েছেন। প্রকৃতি কীভাবে তার অকৃপণ হাতে সাজিয়ে তোলে প্রাণীকুলকে। প্রকৃতির একটি উপাদান হল রোদ, এই রোদ সূর্যের দান। যখন প্রকৃতি রোদ-ঝলমলে হয়ে ওঠে, তখন আমাদের মনকে তা তৃপ্তিদেয়। প্রাণীরা রোদকে গায়ে মেখে নেয়, কারণ রোদের মধ্যেই থাকে সূর্যের সাত রং। সৌন্দর্যের চেতনা থাকলে তা অনুভব করা যায়। এমনভাবেই মাছরাঙা পাখির ডানায় প্রকৃতির রং-রূপ ধরা দেয়। সেজে ওঠে পাখিটি আর আপ্লুত করে তোলে প্রকৃতিপ্রেমী মানুষজনকে। লাল-নীল-হলুদ-সবুজ সব রং এসে মিশে যায় মাছরাঙার শরীরে। আর সেই রং কবিমনকে আলোড়িত করে। ওই বর্ণবাহার প্রখর রোদের মতোই আনন্দ নিয়ে আসে আমাদের মনে। আলোচ্য কবিতার মাধ্যমে কবি এ কথাই বোঝাতে চেয়েছেন।