অধ্যায়-৮, চিঠি

উত্তর :

কবি জসীমউদ্দিন-এর ‘চিঠি’ কবিতা থেকে নেওয়া উক্ত পঙ্ক্তিটির মধ্যে বর্ষাঋতুর বর্ণনা আছে।

এছাড়াও কবিতার মধ্যে শীত ঋতুর উল্লেখ রয়েছে—'শীতের ভোরের রোদের মতো লেখনখানি লাগছে মিঠি।

 

উত্তর :

দেয়ার ডাক’ বলতে মেঘের গর্জনকে বোঝানো

গুরথুর শব্দে দেয়ার ডাকে আকাশ জুড়ে মেঘের কাঁদন শুরু হয়।

 

উত্তর :

‘লেখন' হল চিঠি, কবিকে তাঁর খোকাভাই চিঠি পাঠিয়েছেন। সেই চিঠির মধ্যেই খোকাভাইয়ের স্নেহ ভালোবাসার স্পর্শ পাওয়া যায়। খোকাভাইয়ের নরম হাতের কাঁচা চিঠি কবিকে আমোদিত করেছে। তাই শীতের সকালের মতোই উক্ত লেখনখানিও মিষ্টি লাগছে।

 

উত্তর :

কবি জসীমউদ্দিন ‘চিঠি’ কবিতায় প্রশ্নোক্ত উদ্ধৃতিটি ব্যবহার করেছেন। গ্রামবাংলায় প্রভাতের সূচনা হয় কীভাবে- সেই প্রসঙ্গেই উক্তিটির অবতারণা করেছেন।

মোরগের ডাকে ভোর সূচিত হয়েছে কবির। বলা যায়, মোরগের ডাকে কবির ঘুম ভেঙেছে। কবির কাছে মোরগ যেন তার ঘুম ভাঙানোর পাখি। তার লাল পাখনায় ভোরের লাল আভা পড়ে সকালের পরিবেশকে মোহময়ী করে তুলছে।

 

উত্তর :

প্রশ্নোক্ত অংশটি জসীমউদ্দিনের ‘চিঠি’ কবিতা থেকে নেওয়া হয়েছে। এখানে ‘সবুজ পাতার আসর' বলতে বর্ষার রচনাধর্মী কম-বেশি আট-দশটি জলধারায় স্নাত সবুজ ফসলের খেত বা গাছগাছালির সমাবেশকেই বোঝানো হয়েছে। বর্ষার জলে স্নান করে সবুজ পাতারা সজীব হয়ে ওঠে। তাদের মন তখন নৃত্যের ছন্দে আন্দোলিত হয়। অর্থাৎ সবুজ ফসলের খেত বা গাছপালা বর্ষার জলধারায় নেচে উঠছে।

 

উত্তর :

প্রশ্নোক্ত অংশটি কবি জসীমউদ্দিন রচিত ‘চিঠি’ কবিতা থেকে নেওয়া হয়েছে।

আলোচ্য অংশটিতে বর্ষাপ্রকৃতির একটুকরো ছবি প্রকাশিত হয়েছে। আকাশে গুরুগুরু মেঘের গর্জন (দেয়ার ডাক), একই সঙ্গে উদাসী বাতাস আকুল হয়ে প্রবাহিত হচ্ছে দিক্‌বিদিকে। বর্ষা যেন বিস্ফারিত নয়ন মেলে ধারাপাত ঘটাচ্ছে প্রকৃতিতে। ঘনঘন মেঘের ডাক আর তারই সঙ্গে বৃষ্টি ঝরে পড়ার কথাই প্রশ্নোক্ত অংশের মাধ্যমে কবি বোঝাতে চেয়েছেন

 

উত্তর :

প্রশ্নোক্ত অংশটি জসীমউদ্দিনের ‘চিঠি’ কবিতা থেকে উত্তর নেওয়া হয়েছে। ‘

আকাশের সুনীল পাতা’ বলতে অসীম প্রসারিত নীলাকাশবুঝিয়েছেন কবি। এখানে আকাশ যেন কোনো খাতার পাতা যেখানে পাখিরা গিয়ে কতকিছু লিখছে বলে কবি মনে করেন।

আসলে পাখিরা আকাশের বুকে উড়ে যেতে ভালোবাসে। সুদূর নীলাকাশের বুকে তারা ভেসে ভেসে কোথায় কোথায় চলে যায়। মেঘে মেঘে তাদের যেন লুকোচুরি খেলা চলে। অবিরত মনে হয় তারা যেন মেঘমুলুকে কাউকে নতুন নতুন হরফ শেখাতে যায়। প্রশ্নোক্ত উক্তির মাধ্যমে কবি এ কথাই বোঝাতে চেয়েছেন।