Chapter-1, ইতিহাস চেতনা

ইতিহাস রচনা করার জন্য যে সমস্ত সূত্র থেকে তথ্য সংগ্রহ করা হয় তাদের ইতিহাসের উপাদান বলা হয়। শিলালিপি, মুদ্রা, স্থাপত্য ভাস্কর্য, সাহিত্য প্রভৃতি হল ইতিহাসের নানান উপাদান

প্রাচীন ভারতের ইতিহাস রচনার উপাদানগুলিকে প্রধানত দুটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে। ভাগ দুটি হল:-

[1] প্রত্নতাত্ত্বিক উপাদান যথা—শিলালিপি, মুদ্রা, স্থাপত্য-ভাস্কর্য, সভ্যতার ধ্বংসাবশেষ এবং

[2] সাহিত্যিক উপাদান যথা — [i] দেশজ সাহিত্য – ধর্মশাস্ত্র, বৈদিক সাহিত্য, মহাকাব্য, জীবনচরিত, বৌদ্ধ সাহিত্য ইত্যাদি। [ii] বিদেশি পর্যটকদের বিবরণ— গ্রিক, রোমান পর্যটকদের বিবরণ, চৈনিক পর্যটকদের বিবরণ, অন্যান্য ঐতিহাসিকদের বিবরণ।

যে সমস্ত লিখিত সূত্র থেকে ইতিহাসের তথ্য সংগ্রহ করা যায়। তাকেই ইতিহাসের লিখিত উপাদান বলে। ইতিহাস রচনার মূল ভিত্তি হল তার লিখিত উপাদান।

লিখিত ইতিহাসের মূল উপাদান দুটি। [1] প্রত্নতাত্ত্বিক—যার আবার তিনটি ভাগ, লিপি, মুদ্রা, স্থাপত্য-ভাস্কর্য এবং [2] সাহিত্যিক উপাদান।

প্রত্নতাত্ত্বিক খননকার্যের ফলে প্রাপ্ত ইট, পাথর, বিভিন্ন ধাতু প্রভৃতির ফলকে খোদিত বিভিন্ন লিপি প্রাচীন কালের ইতিহাস রচনার গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে কাজ করে। লিপি-সহ এইসব ফলকগুলিকে লেখমালা বলা হয়।

সমুদ্রগুপ্তের 'এলাহাবাদ প্রশস্তি' একটি লেখ-এর উদাহরণ।

প্রাচীন সুমেরীয়রা লিখন পদ্ধতি জানত। তাদের লিপি কিউনিফর্ম লিপি নামে পরিচিত। তারা প্রথমে ডানদিক থেকে বাঁদিকে লিখত। পরে ধীরে ধীরে বাঁদিক থেকে ডানদিকে লেখার পদ্ধতি আবিষ্কৃত হয়।

প্রত্নতাত্ত্বিক উপাদান হিসেবে মুদ্রার গুরুত্ব হল, যথা-- [1] মুদ্রায় ব্যবহৃত ধাতু থেকে সমকালীন যুগের অর্থনৈতিক অবস্থার কথা জানা যায়। [2] শাসকদের ব্যক্তিগত কৃতিত্বের পরিচয় ছাড়াও মুদ্রায় খোদিত সাল ও তারিখ দেখে কাল-পরম্পরা সম্পর্কে ধারণা করা যায়।

লিপির দুটি সীমাবদ্ধতা হল— [1] পাঠোদ্ধারের সমস্যা: দুর্বোধ্যা অক্ষরে খোদাই করা লিপিতে অনেক সময় সন-তারিখের স্পষ্ট উল্লেখ না থাকায় ঘটনার প্রকৃত তাৎপর্য বোঝা যায় না। [2] বর্ণনার অমিল: অনেকসময় লিপিগুলির বর্ণনায় অসম্পূর্ণতা, অসামঞ্জস্যতা ও বিভ্রান্তি ধরা পড়ে।

মুদ্রার দুটি সীমাবদ্ধতা হল — [1] সম্যক তথ্যের অভাব: মুদ্রার প্রাপ্তিস্থান থেকে সেই দেশের সামাজিক ও সংস্কৃতির আভাস মেলে। না।

[2] ব্যাখ্যা নিয়ে মতপার্থক্য:  অনেক সময় মুদ্রার যে ছবি উৎকীর্ণ থাকে তার ব্যাখ্যা নিয়ে মতভেদ দেখা দেয়।

স্থাপত্য-ভাস্কর্যের দুটি গুরুত্ব হল [1] প্রাচীন কালে স্থাপত্য ও ভাস্কর্য থেকে শিল্প ও ধর্মের বিবর্তনের ইতিহাস সম্পর্কে জানা যায়। [2] সৌধের স্তর বিন্যাস, নির্মাণ পদ্ধতির বা আঙ্গিকের পরিবর্তন।

প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন হল মাটির ওপর থেকে বা উৎখননের ফলে মাটির তলা থেকে আবিষ্কৃত অতীতকালে তৈরি বা অতীতে ব্যবহৃত জিনিসপত্র, স্থাপত্য-ভাষ্কর্য।

দুটি প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন হল- [1] শিলালিপি (উদাহরণ— এলাহাবাদ প্রশস্তি) ও [2] মুদ্রা (উদাহরণ-সমুদ্রগুপ্তের স্বর্ণমুদ্রা)।

লিপির বিষয়বস্তু অধ্যয়নকে 'প্যালিওগ্রাফি' বলে।

শিলালিপি উৎকীর্ণ বিষয়ক পঠনপাঠনকে ইংরেজিতে 'এপিগ্রাফি' বলে।

প্রাচীন মিশরীয়রা প্যাপিরাস নামে পর জাতীয় গাছের ছালে লিখত। এই ছালকে প্যাপিরাস বলে।


প্রাচীন মিশরীয় সভ্যতায় মানুষ বিভিন্ন ছবির সাহায্যে তাদের মনের কথা লিখে রাখত। এগুলিকে চিত্রলিপি বলা হয়। মিশরের এই চিত্রলিপি 'হায়ারোগ্লিফিক (Heiroglyphic) লিপি নামে। পরিচিত।
মিশরীয়রা এই লিপির দ্বারা 'সূর্য' বোঝাতে একটি বৃত্ত এঁকে তার মাঝখানে একটি বিন্দু বসাত, 'জল' বোঝাতে কেউ এর ছবি আঁকত ইত্যাদি।

বিশিষ্ট ফরাসি পণ্ডিত শাঁপোলিয় হায়ারোগ্লিফিক লিপির পাঠোদ্ধার করেন। এই লিপির দ্বারা মিশরীয় সভ্যতার পরিচয় মেলে।

ফরাসি সেনাপতি নেপোলিয়নের মিশর আক্রমণকালে তাঁর সঙ্গী এক ফরাসি পণ্ডিত মিশরের রোজেটা নামক স্থান থেকে লিপি খোদিত একটি প্রস্তরখণ্ড আবিষ্কার করেন। এটি 'রোজেটা প্রস্তর' নামে পরিচিত।

মুদ্রার পঠনপাঠন বিদ্যাকে 'নিউমিসমেটিকস' বলা হয়। এর দ্বারা বিভিন্ন ধরনের মুদ্রার পরিচয় জানা যায়।

জরাথুস্ট্রের উপদেশাবলি 'জেন্দ-আবেন্তা' নামক ধর্মগ্রন্থে সংকলিত রয়েছে।

প্রাচীন ইহুদিদের কথা জানতে গেলে প্রাচীন 'হিব্রু বাইবেল' গ্রন্থটি অপরিহার্থ।

'রাজতরঙ্গিণী' গ্রন্থটি রচনা করেন কলহন।

'ইন্ডিকা' গ্রন্থটি রচনা করেন গ্রিক দূত মেগাস্থিনিস।

দ্বাদশ শতকে রচিত 'রাজতরঙ্গিনী' গ্রন্থের মূল আলোচ্য বিষয় হল কাশ্মীরের ইতিহাস।

কলহনের লেখা 'রাজতরঙ্গিনি' গ্রন্থ থেকে কাশ্মীরের ইতিহাস জানা যায়।

'ফো-কুয়ো-কি' গ্রন্থটি রচনা করেন চিনা পর্যটক ফা-হিয়েন। 'সি ইউ-কি' গ্রন্থটি রচনা করেন চিনা পর্যটক হিউয়েন সাঙ।

অষ্টাধ্যায়ী গ্রন্থের লেখক হলেন পাণিনি।

একটি আটকোণা পাথরের ওপর কোণাক্ষর বা কিউনিফর্ম লিপিতে লেখা হামুরাবির আইন সংহিতা পৃথিবীর প্রথম লিখিত আইন সংহিতা। হামুরাবি ছিলেন পৃথিবীর প্রথম লিখিত আইন রচয়িতা। ২৮২টি সূত্রাকারে লেখা এই আইন সংহিতা থেকে ব্যাবিলনের তৎকালীন সমাজ, রাষ্ট্রনীতি ও অর্থনৈতিক জীবনের বহু গুরুত্বপূর্ণ কথা জানা যায়।

একটি আটকোণা পাথরের ওপর কিউনিফর্ম লিপিতে হামুরাবির লেখা ‘আইন সংহিতা' হল পৃথিবীর প্রথম লিখিত আইন সংহিতা।

প্রাচীন মেসোপটেমিয়ার মহাকাব্যের নাম হল 'গিলগামেশ'।

প্রাচীন গ্রিসের দুটি মহাকাব্য হল 'ইলিয়াড' ও 'ওডিসি'।

‘হর্ষচরিত' গ্রন্থটি রচনা করেন হর্ষবর্ধনের সভাকবি বানভট্ট। ‘বিক্রমাঙ্কদেবচরিত' গ্রন্থটি রচনা করেন কাশ্মীরের কবি বিলহন। ‘রামচরিত' গ্রন্থটি রচনা করেন সন্ধ্যাকর নন্দী।

বৌদ্ধদের প্রধান গ্রন্থগুলি হল ‘ত্রিপিটক’, ‘জাতক' প্রভৃতি।

জৈনদের প্রধান গ্রন্থগুলি হল 'ভগবতীসূত্র', ‘আচারঙ্গ-সূত্র’, ‘কল্পসূত্র' প্রভৃতি।

'পেরিপ্লাস অব দি ইরিথ্রিয়ান সি' হল প্রাচীন ভারতের সামুদ্রিক বাণিজ্যসংক্রান্ত একটি বিবরণ। এক অজ্ঞাত পরিচয় গ্রিক নাবিক এটি রচনা করেন । এটি প্রাচীন ভারতের এক উল্লেখযোগ্য সাহিত্যিক উপাদান।

ইতিহাসের বিষয়বস্তু হিসেবে শুধু রাজাদের কাহিনি বা কোনো একক ব্যক্তিবিশেষ স্থান পায় না। যদি কোনো ব্যক্তির কীর্তি সমাজ বা সভ্যতাকে প্রভাবিত করে তবেই সেই ব্যক্তি বা সেই সকল ব্যক্তি ইতিহাসের আওতায় আসে।

ঐতিহাসিক রণজিৎ গুহ ভারতে সাব-অলটার্ন স্টাডিজ গ্রন্থ প্রকাশ করে প্রথম নিম্নবর্গের ইতিহাস চর্চা শুরু করেন।

সাম্প্রতিককালে একদল ইতিহাসবিদ বলতে চান যে, ইতিহাস শুধু রাজা-মহারাজা, জমিদার বা বণিক শ্রেণির কাহিনি নয়। ইতিহাসের মূল নায়ক হল নিম্নবর্গের কৃষক, শ্রমিক, সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষ। বিশেষ গুরুত্ব সহকারে তাদের ইতিহাসচর্চাই নিম্নবর্গের ইতিহাসচর্চা নামে পরিচিত।

যুক্তিবাদের আলোকে ইতিহাসের তথ্য এবং তার ব্যাখ্যা দিয়েছেন হেগেল, র‍্যাঙ্কে, ব্যডলে, ডেভিড হিউম প্রমুখ। আপেক্ষিকতাবাদের আলোকে ইতিহাসের তথ্য এবং তার ব্যাখ্যা দিয়েছেন মার্কিন ঐতিহাসিক চার্লস অস্টিন বিয়ার্ড, ডিলখি, বেনেদিতো কোচে, কলিংউড প্রমুখ। 

ইতিহাসের মার্কসবাদী ধারণাকে জনপ্রিয় করেন ক্রিস্টোফর হিল, ই.পি. টমসন প্রমুখ। ভারতে মার্কসবাদী ধারণাকে জনপ্রিয় করেন রজনীপাম দত্ত, ইরফান হাবিব, সুশোভন সরকার প্রমুখ।

ঐতিহাসিকরা যে দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে ঐতিহাসিক সত্যের অনুসন্ধান করেন এবং বিজ্ঞানসম্মতভাবে তা প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেন তা হল প্রত্যক্ষবাদ। প্রত্যক্ষবাদের অন্যতম প্রবক্তা হলেন জন বাগনেল বিউরি।

অ্যানালগোষ্ঠীর কয়েকজন সদস্য তথা ঐতিহাসিকরা হলেন লুসিয়েন ফেবর, মার্ক ব্লখ, লাদুরি, ব্রন্দেল, লেভের প্রমুখ।

জাতীয়তাবাদী দৃষ্টিভঙ্গির কয়েকজন সমর্থক হলেন জারভিনাস, ডলম্যান, থিয়েরি, মেকলে প্রমুখ। সাম্রাজ্যবাদী দৃষ্টিভঙ্গির কয়েকজন ঐতিহাসিক তথা সমর্থক হলেন হোল্ডেন ফারবার, এরিক স্টোকস, হেনরি মেইন, উইলিয়াম উইলসন হান্টার প্রমুখ।

ভারতে জাতীয়তাবাদী ইতিহাসচর্চার দুজন পথিকৃৎ হলেন ড. রমেশচন্দ্র মজুমদার এবং যদুনাথ সরকার।

ঐতিহাসিক ফ্রাঁসোয়া সিমিয়ান্দ বলেছেন, ঐতিহাসিক ঘটনার কারণগুলি প্রাকৃতিক ঘটনার কারণগুলির মতো একইরকম নয়। প্রকৃতির নিয়ম অনুযায়ী হওয়া সূর্যগ্রহণ, চন্দ্রগ্রহণ প্রভৃতি কোনো সুনির্দিষ্ট কারণের দ্বারা ব্যাখ্যা করা গেলেও ইতিহাসের ঘটনাকে তেমনভাবে ব্যাখ্যা করা যায় না। এই কার্যকারণ তত্ত্বের সঙ্গে সম্পর্কিত হয়ে রয়েছে নিমিত্তবাদ (Determinism) এবং আকস্মিকতা (Accident)। হেগেল, মার্কস থেকে শুরু করে ই. এইচ. কার হয়ে ফুকো পর্যন্ত সকলেই ইতিহাসে এই ধরনের নতুন তথ্যের দিশা দেখিয়েছেন।

পোস্টমডার্ন ঐতিহাসিকগণ ইতিহাসে প্রগতির তত্ত্বকে চ্যালেঞ্জ জানিয়েছেন। তাঁরা মার্কসবাদ বা উদারনৈতিক মানবতাবাদের পরিবর্তে উদারনীতিকে গ্রহণ করেছেন। মিশেল ফুকো ও জাঁক দেরিদা, নীৎসে ও হাইডেগার প্রমুখের দর্শন তত্ত্বের সাহায্য নিয়ে পোস্টমডার্ন ঐতিহাসিকগণ নতুন ‘ডি-কনস্ট্রাকশন তত্ত্ব' গড়ে তুলেছেন।

পুরাণ বা মহাপুরাণগুলি ছাড়াও ভারতের ইতিহাসে আরও কিছু বুজ পুরাণ রয়েছে, যেগুলি উপপুরাণ নামে পরিচিত। উপপুরাণগুলিও ঐতিহাসিক উপাদান হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

পুরাণে সাধারণত এই বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের সৃষ্টি ও প্রলয়রহস্য, মন্বন্তর, দেবতা ও মুনিঋষিদের বংশপরিচয়, বিভিন্ন রাজবংশ ও তাদের কৃতিত্বের বিবরণ থাকে। কিন্তু পুরাণগুলিতে কিংবদন্তি ও ঐতিহাসিক তথ্য এমনভাবে মিশে রয়েছে যে সেগুলি ভালোভাবে বিচার বা যাচাই না করে গ্রহণ করলে ভুল তথ্যের ব্যবহার হয়ে যেতে পারে। তাই পুরাণের তথ্যগুলি সতর্কভাবে গ্রহণ করা উচিত।

সুপ্রাচীন পুরাণগুলির সত্যতা ও মান্যতা প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যেই পুরাণগুলির রচয়িতা হিসেবে ঋষিদের নাম উল্লেখিত হয়েছে। তবে পুরাণগুলিতে পরবর্তীকালে বিভিন্ন ঘটনা সংযুক্ত হওয়ার সময়ে পুরোহিত এবং শাসক শ্রেণির হস্তক্ষেপ ঘটে বলে মনে করা হয়।

পুরাণ বলতে মূলত পুরাকাহিনী বিষয়ক গ্রন্থসমূহকে বোঝায়। পুরাণ কোনো ইতিহাস নয়, ইতিহাসের কাল্পনিক উপাদান মাত্র।পুরাণের অন্যতম কয়েকটি শাখা হল নদীর কারিক বিষুধর্মোত্তর ইত্যাদি।

প্রাচীন ভারতীয়, গ্রিক-সহ বিভিন্ন প্রাচীন সভ্যতার বিভিন্ন 'পুরাণ' অর্থাৎ পৌরাণিক কাহিনীর প্রচলন রয়েছে। এসব কাহিনীতে সমকালীন বিভিন্ন ঐতিহাসিক উপাদানের সন্ধান পাওয়া যায়। ঐতিহাসিক তথ্যে সমৃদ্ধ এসব পুরাণকে তাই ইতিহাস-পুরাণ' বলা হয়। অবশ্য ইতিহাসের উপাদান হিসেবে ইতিহাস-পুরাণের তথ্য সর্বদা সঠিক নয় বলে অনেকে মনে করেন।

প্রাচীন ভারতের অঞ্চলভিত্তিক রচিত ইতিহাস ঐতিহ্য হল পুরাশ ঐতিহ্য। এই ঐতিহ্যের গুরুত্বপূর্ণ অংশটি হল—রাজবংশাবলির কাহিনি ও তার সংশ্লিষ্ট নানান কল্পকথা (Myths)।

পুরাণের মোট সংখ্যা আঠারোটি। এগুলি হল— [1] বিষ্ণুপুরাণ, [2] ব্রহ্মপুরাণ, [3] পদ্মপুরাণ [4] ভগবদপুরাণ [5] শৈবপুরাণ, [6] মার্কন্ডেয়পুরাণ, [7] নারদীয়পুরাণ, [8] ভবিষ্যপুরাণ, [9] ব্রহ্ম বৈবর্তপুরাণ, [10] অগ্নিপুরাণ, [11] বরাহপুরাণ, [12] স্কন্দপুরাণ, [13] লিঙ্গপুরাণ, [14] বামনপুরাণ, [15] মৎস্যপুরাণ, [16] গরুড়পুরাণ. [17]কূর্মপুরাণ এবং [18] ব্রহ্মান্ডপুরাণ।