Chapter-1, LEELA’S FRIEND

Ans:-Leela's mother was panicky as she thought that Sidda might enter the house at night and loot all. (লীলার মা এই চিন্তায় আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে পড়লেন যে সিদ্দা রাত্রে যে-কোনো সময়ে ঘরে ঢুকে জিনিসপত্র লুট করে নিতে পারে।)

Ans:- Mr. Sivasanker learnt from the police that Sidda was a confirmed criminal. He had been in jail several times on the charge of stealing jewellery from children. (মি. শিবশংকর পুলিশের কাছ থেকে জানতে পারল যে সিদ্দা একজন পাকা অপরাধী। সে ছেলেমেয়েদের কাছ থেকে গয়না চুরির অপরাধে বেশ কয়েকবার জেল খেটেছে।)

Ans:- The Police Inspector and a constable brought in Sidda to Mr. Sivasanker's house. (পুলিশ ইনস্পেক্টর এবং একজন কনস্টেবল মি. শিবশংকরের বাড়িতে সিদ্দাকে আনলেন।)

Ans:- The Police Inspector prevented Leela from going near Sidda. (পুলিশ ইনস্পেকটর লীলাকে সিদ্দার কাছে যেতে বাধা দিল।)

Ans:-Here 'it' refers to Leela's gold chain. (এখানে ‘এটা’ বলতে লীলার সোনার হারটাকে বোঝানো হয়েছে)

Ans:-Leela's parents appealed to Sidda to return Leela's gold chain. (লীলার বাবা-মা লীলার সোনার হারটা ফেরত দেবার জন্য সিদ্দাকে আবেদন করলেন।)

Ans:- Leela refused to believe that Sidda was a thief. (লীলা বিশ্বাস করেনি যে সিদ্দা চোর )

Ans:-Leela was in tears when the police took Sidda in their custody. (লীলার চোখে জল দেখা গেল যখন পুলিশ সিঙ্গাকে তাদের হেফাজতে নিয়ে নিল ।)

Ans:-Mr. Sivasanker said this about the old criminals like Sidda. (মি. শিবশংকর সিদ্দার মতো পাকা অপরাধীদের সম্পর্কে এই কথা বলেছিলেন।)

Ans:-The gold chain was discovered from a tamarind pot. (একটা তেঁতুলের পাত্র থেকে সোনার চেনটা আবিষ্কৃত হয়েছিল।)

Ans:- Leela's mother found the gold chain. (লীলার মা সোনার হারটা খুঁজে পেল।)

Ans:-Once Leela put the gold chain in the tamarind pot. (একদা লীলা তেঁতুল রাখার পাত্রে সোনার চেনটা রেখেছিল।)

Ans:- Leela's father, the speaker here, regarded Leela responsible for all kinds of botheration. (এখানে বক্তা লীলার বাবা লীলাকে যাবতীয় ঝঞ্ঝাটের জন্য দায়ী বলে গণ্য করলেন।)

Ans:-Even after the recovery of the missing gold chain Mr. Sivasanker did not change in his assessment of Sidda. He remained still a criminal in his eye. (হারিয়ে-যাওয়া সোনার হারটি পুনরুদ্ধারের পরও সিদ্দা সম্পর্কে মি. শিবশংকরের মূল্যায়ন পরিবর্তিত হল না। সে তাঁর চোখে অপরাধীই রয়ে গেল।)

Ans:-We think that Mr. Sivasanker is a poor judge of human character. (আমাদের মনে হয় যে মি. শিবশংকরের মানবচরিত্র বিচার করার ক্ষমতা নগণ্য।)

Ans:-Sidda used to carry out all household works. He did some errands too. But his main task was to look after Leela. They played with a ball. Sidda threw it into the sky. When the ball came down, Sidda cast a splendid story about the moon. Leela became overwhelmed with joy. She learnt that the ball had touched the moon. Leela believed each and every word of Sidda. Her curiosity multiplied. Sidda covered the ball lightly with his fingers. Then he allowed Leela to peep through a little gap to watch the moon. She became very curious. She was eager to touch the moon. Sidda would then tell her that it was possible to see the moon from a coconut tree.

He took Leela near the rose plant and asked her to look at the moon. Next he took her to the backyard and pointed at the moon. Leela couldn't understand Sidda's playful trick. She got surprised to see that the moon was following them. The moon followed them wherever they went. Sidda let her know that the moon was very obedient to him. Leela was then very ecstatic.

In the evening was the school. Leela would try to teach Sidda. 'It gave her great joy to play the teacher to Sidda'. Leela had a box filled with catalogues, illustrated books and stumps of pencil. Sidda was forced to try and copy whatever Leela wrote in the catalogue. But Sidda could neither draw nor write anything. Leela sympathised with Sidda and redoubled her efforts. But all her efforts failed. To bring his ordeal to an end, Sidda would say about her mother's call for dinner. Thus, the school ended. When Leela was ready for bed at night, Sidda sat down on the floor near her. He told her stories of animals in jungles, of gods in heaven and of magicians. Thus, day by day Leela clung closer to Sidda.

(সিদ্দা বাড়ির যাবতীয় কাজকর্ম করত। সে দোকান থেকে মালপত্রও কিনে আনত। কিন্তু তার প্রধান কাজ ছিল লীলার দেখাশোনা করা। তারা একটা বল নিয়ে খেলত। সিদ্দা বলটাকে শূন্যে ছুড়ত। যখন বলটা নীচে নেমে আসত, সিদ্দা চাঁদ নিয়ে একটা চমৎকার গল্প বানাত। লীলা তা শুনে আনন্দে অভিভূত হত। সে জানতে পারল যে বলটা চাঁদকে ছুঁয়েছে। লীলা সিদ্দার প্রতিটি কথা বিশ্বাস করত। তার কৌতূহল বেড়ে গেল। সিদ্দা আঙুলের ফাঁকে বলটাকে হালকাভাবে ধরত। তারপর সে লীলাকে ছোটো একটা ফাঁক দিয়ে চাঁদটাকে দেখতে দিত। লীলার অনুসন্ধিৎসা বেড়ে যেত। সে চাঁদকে ছোঁওয়ার জন্য ব্যাকুল হত। সিদ্দা তখন তাকে বলত যে নারকেলগাছের মাথা থেকে চাঁদটাকে দেখা সম্ভব।

সে লীলাকে গোলাপ গাছের কাছে নিয়ে যেত আর চাঁদটাকে দেখতে বলত। তারপর সে তাকে ঘরের পিছনে নিয়ে গিয়ে চাঁদের দিকে তাকাতে বলত। লীলা সিদ্দার এই মজার ছলনাটা বুঝে উঠতে পারত না। সে দেখে অবাক হত যে চাঁদটা তাদেরকে অনুসরণ করছে। যেখানেই তারা যেত সেখানেই চাঁদটা তাদের সঙ্গে সঙ্গে যেত। সিদ্দা লীলাকে জানিয়েছিল যে চাঁদটা তার কথা মেনে চলে। লীলা তখন আনন্দে উচ্ছ্বসিত হত।

সন্ধ্যাবেলায় বসত স্কুল। লীলা সিদ্দাকে শেখাবার চেষ্টা করত। সিদ্দার শিক্ষক হওয়ার খেলাটা খেলতে তার খুব মজা হত। লীলার খাতা, সচিত্র বই ও পেনসিল গোছায় ভরা বাক্স ছিল। লীলা খাতায় যা লিখত সেটা সিদ্দাকে নকল করতে হত। কিন্তু সিদ্দা ছবি আঁকতে বা লিখতে পারত না। লীলা সিদ্দার প্রতি দয়াপরবশ হয়ে বেশি করে চেষ্টা করত। কিন্তু তার সব চেষ্টা মাটি হয়ে যেত। তার কঠিন পরীক্ষা শেষ করার জন্য সিদ্দা বলত যে তার মা তাকে খেতে ডাকছেন। এইভাবে স্কুল হত সমাপ্ত। যখন লীলা রাত্রে শুতে যেত সিদ্দা তার কাছে মেঝেয় বসত। সে তাকে জঙ্গলের, জীবজন্তু, স্বর্গের দেবদেবী ও জাদুকরের গল্প বলত। এভাবেই দিনে দিনে লীলা সিদ্দার অন্তরঙ্গ হয়ে উঠল।)

Ans:-Leela, a five-year-old daughter of Mr. Sivasanker enjoyed Sidda's company to her heart's content. They would play with a red ball in the garden. Leela flung the ball at him and he flung it back. Then Sidda threw the ball into the sky. When the ball came down, he wove a splendid story about the moon. Leela's joy knew no bounds. She learnt that the ball had touched the moon. She became more curious than before. Sidda covered the ball tightly with his fingers. He allowed Leela to peep through a little gap to watch 'traces of the moon'. Sidda would then tell her the ways to touch the moon from the top of a coconut tree. Standing near the rose plant Sidda asked her to look at the moon. Next he took her to a well in the backyard and let her know that the moon was his obedient flower. Even after dinner Sidda told Leela stories of animals in jungles, of gods in heaven and of magicians. Leela listened how magicians could conjure up golden castles of little princesses and their pets.

In the evening Leela used to make various attempts to educate Sidda. She had a box filled with catalogues, illustrated books and stumps of pencils. She made him squat on the floor. She asked him to hold a pencil between his fingers. Then she commanded Sidda to follow her and write in the pages of her catalogue. Leela made her learn two or three alphabets that she knew herself. She also tried to teach him how to draw a kind of cat and crow. But Sidda could neither draw nor write anything. Leela felt pity for Sidda and redoubled her attempts. His stiff wrist cracked to write anything. Sidda brought in an excuse that her mother was calling for dinner. He got relief as Leela ran out of the room and the school hour ended at last.

(মিষ্টার শিবশঙ্করের পাঁচ বছরের মেয়ে লীলা আনন্দে সিদ্দার সঙ্গ উপভোগ করত। তারা একটা লাল বল নিয়ে বাগানে খেলত। লীলা তার দিকে বলটা ছুড়ে দিত এবং সে বলটা ছুড়ে ফেরত দিত। তারপর সিদ্দা বলটা ছুড়ে আকাশে পাঠিয়ে দিত। যখন বলটা নেমে আসত, সে চাঁদ সম্বন্ধে একটা চমৎকার গল্প ফাঁদত। লীলার আনন্দের সীমা থাকত না। সে জানতে পারত যে বলটা চাঁদকে স্পর্শ করেছে। সে আরও কৌতূহলী হয়ে যেত। সিদ্দা তার হাতের আঙুলে বলটা চেপে ধরে আড়াল করত। একটা ছোট ফাঁক দিয়ে লীলাকে চাঁদের চিহ্নগুলি দেখতে দিত। সিদ্দা তখন তাকে নারকেল গাছের মাথায় উঠে চাঁদকে ছোঁয়ার উপায়গুলো বলত। গোলাপ গাছের কাছে দাঁড়িয়ে সিদ্দা তাকে চাঁদের দিকে তাকিয়ে দেখতে বলত। তারপর তাকে নিয়ে সিদ্দা বাড়ির পিছনে একটু কুঁয়োর দিকে নিয়ে যেত এবং তাকে জানিয়ে দিত যে চাঁদ তার খুব বাধ্য। রাতের খাওয়া সাঙ্গ হলে সিদ্দা লীলাকে জঙ্গলের জন্তুজানোয়ারদের, স্বর্গের দেবতাদের এবং জাদুকরদের গল্প শোনাত। লীলা শুনত কেমনভাবে জাদুকররা ছোটো ছোটো রাজকন্যা ও তাদের পোষা প্রাণীদের সোনালী দুর্গে জাদুবলে সৃষ্টি করত।

সন্ধ্যার সময় লীলা সিদ্দাকে শিক্ষিত করে তোলার বিভিন্ন উদ্যোগ নিত। তার ছিল বর্ণমালা ভরতি বাক্স, সচিত্র বইপত্র এবং ক্ষয়ে যাওয়া পেনসিলের অংশ। সে তাকে উবু হয়ে মেঝের ওপর বসাত। তার হাতের আঙুলের মধ্যে একটা পেনসিল তাকে ধরতে বলত। তারপর সে সিদ্দাকে নির্দেশ দিত তাকে অনুসরণ করতে এবং তার সামনের বর্ণনাক্রমিক সাজানো বইয়ের পাতার মধ্যে লিখতে। লীলা তার নিজের জানা দু-তিনটে বর্ণমালার অক্ষর তাকে শিখিয়ে দিত। সে তাকে এটাও শেখাত কেমন করে একটা বিড়াল এবং কাক আঁকা যায়। কিন্তু সিদ্দা না পারত কিছু আঁকতে না পারল লিখতে। সিদ্দার প্রতি লীলা সদয় হত এবং দ্বিগুণ উদ্যোগে সে চেষ্টা করত। কোনও কিছু লিখ। যেতেই তার শক্ত কবজি টনটন করে উঠত। সিদ্দা একটা অজুহাত খাড়া করে বলত যে তার মা রাতের খাবারের জন্য ডাকছেন। সে হস্তি পেত যখন লীলা ঘর থেকে বেরিয়ে যেত এবং অবশেষে পাঠশালা সমাপ্ত হত।)

Ans:- Mr. Sivasanker wanted a servant to perform the menial job of the house. Sidda, a homeless boy was appointed. He curtly interrogated Sidda's whereabouts. He enquired of his previous job. He looked at him carefully and thoughtfully. He found that Sidda was different from other servants for his tidiness. In the brief interview Sidda could not convince Sivasanker. Finally he got the consent of his wife and daughter. Thus Sidda was employed as a servant in his house. Sidda was obedient to his master and did all the household works. He was given two meals a day and four rupees a month for his service. But the master- servant relationship did not finally grow into a bond of love. Rather suspicion and mistrust separated one from the other.

Mr. Sivasanker suspected that Sidda might have stolen Leela's gold chain. Sidda was unable to bear it. He got afraid and 'vanished into the night without telling anything to his master. Mr. Sivasanker thought about risk to engage Sidda without consulting the inspector. But Sidda was proved innocent and honest. Leela's gold chain was discovered in a tamarind pot. Yet Mr. Sivasanker had no compunction to send Sidda to the lock-up. Even he told his wife that Sidda was too 'stubborn' to disclose anything about the gold chain. Later Leela insisted the police inspector to release Sidda. But Leela's father told her to 'behave' well. He did not feel how Sidda's friendship was necessary for Leela. He forgot Sidda's service to the family. Sidda suffered unjust punishment. This was because Mr. Sivasanker had misinformed the police about Sidda. Poor Sidda became the victim of the social system. The law stood by the representative of the upper class.

(মি. শিবশঙ্কর, গৃহস্থালির কাজকর্মের জন্য একটি কাজের লোক চেয়েছিলেন। নিরাশ্রয়ী বালক সিদ্দাকে নিযুক্ত করা হল। তিনি সংক্ষেপে সিদ্দার অবস্থান জানতে চাইলেন। তিনি তার আগের কাজের ব্যাপারে জানতে চাইলেন। চিন্তামগ্ন হয়ে তিনি তার দিকে গভীর দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইলেন। তিনি দেখলেন যে পরিচ্ছন্নতার জন্য সিদ্দা অন্যান্য কাজের লোকদের থেকে আলাদা। সংক্ষিপ্ত সাক্ষাৎকারে সিদ্দা শিবশঙ্করকে আশ্বস্ত করতে পারল না। অবশেষে তিনি স্ত্রী ও কন্যার অনুমতি নিলেন এভাবে তাঁর বাড়িতে সিদ্দার কাজের জায়গা নিশ্চিত হল। সিদ্দা তার কর্তার অনুগত ছিল এবং সমস্ত গৃহস্থালির কাজকর্ম সে করত। তার কাজের জন্য পারিশ্রমিক হিসেবে দিনে দু'বার পেট ভরা খাবার এবং মাসে চার টাকা তাকে দেওয়া হত। কিন্তু প্রভু-ভৃত্যের এই সম্পর্ক ভালবাসার বন্ধনের দিকে শেষপর্যন্ত গড়াল না। বরং সন্দেহ আর অবিশ্বাস একজনকে অপরজনের কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন করে দিল।

মি. শিবশঙ্কর সন্দেহ করেছিলেন যে সিদ্দা লীলার সোনার হার চুরি করে থাকতে পারে। সিদ্দা এটা মেনে নিতে পারেনি। সে ভয় পেয়ে যায় এবং কর্তার অজ্ঞাতে রাতেই সে উধাও হয়ে যায়। মি. শিবশঙ্কর ইন্সপেক্টরের সঙ্গে পরামর্শ না করেই সিদ্দাকে নিযুক্ত করার ঝুঁকি নিয়ে বিব্রত হয়ে পড়লেন। কিন্তু সিদ্দা নির্দোষ ও সৎ প্রমাণিত হয়। লীলার সোনার চেন খুঁজে পাওয়া যায় তেঁতুলের পাত্রে। তবুও সিদ্দাকে জেলে পাঠাতে মি. শিবশঙ্করের কোনও বিবেক দংশন হয়নি। এমনকি তিনি তার স্ত্রীকেও বলেছিলেন যে সিদ্দা এতটাই ‘একগুঁয়ে’ যে সে কিছুতেই সোনার চেনের ব্যাপারে খুলে বলবে না। পরে লীলা সিদ্দাকে ছেড়ে দেওয়ার জন্য পুলিশ ইন্সপেক্টরকে পীড়াপীড়ি করল। কিন্তু লীলার বাবা তাকে সঠিক আচরণ করতে বললেন। তিনি ভেবেও দেখলেন না যে লীলার জন্য সিদ্দার উপস্থিতি কতটা জরুরী। পরিবারের প্রতি সিদ্দার অবদান তার মন থেকে মুছে গেল। অন্যায় শাস্তি সিদ্দাকে মাথা এর মূল কারণ মি. শিবশঙ্কর সিদ্দার ব্যাপারে পুলিশকে ভুল বার্তা পাঠিয়েছিলেন। বেচারা পেতে নিতে হল। সিদ্দা সামাজিক অব্যবস্থার শিকার হল। আইন উচ্চ শ্রেণির প্রতিনিধিদের পক্ষে দাঁড়াল।)

Ans:- One day Mrs. Sivasanker noticed that Leela's gold chain was missing. Leela told her mother that she knew nothing about it. Mrs. Sivasanker slapped her angrily. She scolded Leela as she had neither taken it off nor put it in the box. She called Sidda aloud, She found that his appearance was 'queer'. Mrs. Sivasanker threatened to send Sidda to the lock-up. She was frightened to 'harbour' a 'villain' and a 'rough fellow! Even she thought that Sidda night have looted from the house at night. It was God's mercy that Leela had not been killed for the gold chain. Mr. Sivasanker grew excited and complained to the police station. He had really taken a risk to engage an 'old criminal' like Sidda. Even he found Sidda to be too 'stubborn' to disclose anything.

But the missing of the gold chain did not matter much to Leela. She casually remarked, 'I don't know.' She would even allow Sidda to take it. She felt disgusted about the incident. Further she and screamed aloud that Sidda had not taken it.

Mrs. Sivasanker was a short tempered and suspicious woman. She was panicky and anxious to get back the gold chain. She was unfeeling to Sidda. She lacked her womanly grace and dignity in her treatment to Sidda.

Mr. Sivasanker had neither compunction nor sympathy to Sidda. He was an influential person. His sole motive was to force the law in the direction of his own favour. Thus Sidda was forced to go to the lock-up peremptorily. That is why he was a poor judge of character.

Leela was not at all worried about the chain. She was not even aware of its price. She regarded it as an object of little importance. She was sure to get a new chain in place of the old one. She told her mother not to be "rough" and "abusive" to Sidda. So Sidda should be allowed then and then to give her comapany and play with her. That was her instant reaction.

(একদিন মিসেস শিবশঙ্কর লক্ষ করলেন যে লীলার সোনার হার পাওয়া যাচ্ছে না। লীলা তার মাকে বলে যে সে এ ব্যাপারে কিছুই জানে রেগে গিয়ে মিসেস শিবশঙ্কর তাকে চড় মারলেন। তিনি লীলাকে ধমক দিলেন কারণ সে ওটাকে খুলেও রাখেনি আর বাক্সতেও ভরেনি। তিনি চেঁচিয়ে সিদ্দাকে ডাকলেন এবং দেখলেন যে তার হাবভাব ‘অদ্ভূত'। মিসেস শিবশঙ্কর তাকে জেলে পুরে দেওয়ার ভয় দেখালেন। একটা শয়তান আর অভদ্র ছোঁড়াকে আশ্রয় দিয়েছেন বলে তিনি সন্ত্রস্ত হয়ে উঠলেন। এমনকি তিনি ভাবলেন যে রাতে সিদ্দা বাড়ি থেকে লুঠ পর্যন্ত করতে পারে। ঈশ্বরের কৃপা যে সোনার চেনের জন্য লীলাকে সে খুন করেনি। মি. শিবশঙ্কর উত্তেজিত হয়ে পড়লেন এবং পুলিশ স্টেশনে অভিযোগ দায়ের করলেন। সিদ্দার মত একজন পুরানো আসামীকে নিযুক্ত করে তিনি সত্যিই ঝুঁকি নিয়েছিলেন। এমনকি তিনি দেখলেন যে সিদ্দা এতই একগুঁয়ে যে কিছুতেই কিছু বলবে না। কিন্তু হারিয়ে যাওয়া সোনার হার লীলার কাছে কোনো গুরুত্ব পায় নি। কোনো কিছু না ভেবেই সে বলে, “আমি জানি না।” এমনকি সে সিদ্দার ওটা নিয়ে যাওয়াকে সমর্থন করে। এ ঘটনায় সে বিরক্ত বোধ করে। এমনকি সে চেঁচিয়ে বলে ওঠে যে সিদ্দা এটা নেয়নি।

মিসেস শিবশঙ্কর ভীষণ বদমেজাজী এবং সন্দিগ্ধ মনের মহিলা। তিনি খুবই আতঙ্কিত এবং সোনার হার ফিরে পেতে উদবিগ্ন হয়ে ওঠেন। সিদ্দার প্রতি তাঁর বিন্দুমাত্র অনুভূতি নেই। সিদ্দার প্রতি আচরণে নারীসুলভ লাবণ্য ও সম্ভ্রমের অভাব তাঁর মধ্যে ছিল।

সিদ্দার প্রতি মি. শিবশঙ্করের না ছিল বিবেক-যন্ত্রণা, না ছিল সহানুভূতি। তিনি হলেন এক প্রভাবশালী ব্যক্তি। নিজের স্বার্থে আইনি সুযোগ-সুবিধা পাওয়াটাই ছিল তাঁর আসল লক্ষ। তাই অবলীলাক্রমে সিদ্দাকে জেলে যেতে হয়েছিল। এ কারণে তার চারিত্রিক বিচার ক্ষমতা ছিল অত্যন্ত নিম্নমানের।

হারিয়ে যাওয়া সোনার হার নিয়ে লীলার কোনো মাথা ব্যাথা ছিল না। এর কী দাম সে জানতও না। এর গুরুত্ব তার কাছে একেবারে মূল্যহীন। সে জানত পুরোনো হারের বদলে নতুন হার সে পাবে। সে তার মাকে সিদ্দার প্রতি অভব্য আচরণ বা গালিগালাজ করতে না বলে। তাই তাকে সঙ্গ দেওয়া ও তার সঙ্গে খেলার জন্য তৎক্ষণাৎ সিদ্দাকে মুক্তি দেওয়া হোক। এটাই ছিল তার প্রতিক্রিয়া )

Ans:- The story conveys the message of class conflict and class sentiment. The class outlook is responsible for the unjust punishment of an innocent servant. Sidda is a poor, illiterate and homeless boy. He struggles to earn his honest means of livelihood. But the eyes of suspicion fall on him for the missing chain. He is neither a thief nor a criminal. His honesty is smeared with suspicion. Mrs. Sivasanker suspects that he has taken away the chain. She is afraid to harbour a 'villain' and a 'rough fellow' like Sidda. Mr. Sivasanker remarks that Sidda seems to be an old criminal. He further confirms that Sidda has earlier been in jail six times. Even the police inspector states that Sidda is a 'devil.' But all these remarks are unable to carry any evidence. Sidda is a mute sufferer under the whip of law. But the custodian of law escapes punishment.

At last, Leela's mother discovers the gold chain in a tamarind pot. Still she has no compunction for the humiliation of Sidda. Mr. Sivasanker has no regret for Sidda's suffering. The story shows the meaninglessness of convicting an innocent boy purely on the ground of suspicion. People of the upper class exploit the poor and make their life miserable. But the law stands by the rich and denies justice to the suffering humanity. Poor Sidda becomes the victim of the social system that stands only by the representative of the upper class. Our society makes Sidda a criminal for no fault of his own. Sidda is dismissed from his service. But Mr. Sivasanker's family is not affected for his unnecessary dismissal.

(গল্পটি শ্রেণিদ্বন্দ ও শ্রেণি মনোভাবকেই নির্দেশ করে। শ্রেণি দৃষ্টিভঙ্গিই নির্দোষ কাজের ছেলেটির শাস্তির জন্য দায়ী। সিদ্দা এক গরিব, নিরক্ষর ও নিরাশ্রয়ী বালক। সৎ উপায়ে জীবিকা অর্জনের জন্য সে সংগ্রাম করে। কিন্তু হারিয়ে যাওয়া সোনার হারের জন্য সন্দেহের দৃষ্টি তার ওপর বর্ষিত হয়। সে চোরও নয়, অপরাধীও নয়। তার সততা সন্দেহের তরবারিতে ক্ষতবিক্ষত। মিসেস শিবশঙ্কর সন্দেহ করেন যে হারটা সেই নিয়ে গেছে। সিদ্দার মতো একজন ‘শয়তান' এবং অভব্য ‘বদমাস ছোঁড়াকে আশ্রয় দিয়ে তিনি ভীত-সন্ত্রস্ত। মি. শিবশঙ্কর মন্তব্য করেন যে সিদ্দা পুরনো আসামী। তিনি দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন যে সে ছ'বার জেলে গেছে। এমনকি পুলিশ ইন্সপেক্টর বলেন যে সিদ্দা একটি ‘শয়তান'। কিন্তু এইসব মন্তব্যের সমর্থনে কোনো প্রমাণ নেই। আইনের কষাঘাতে জর্জরিত সিদ্দা যন্ত্রণাক্লিষ্ট ও বোবা। কিন্তু আইনের রক্ষকদের কোনো শাস্তি হয় না।

অবশেষে লীলার মা তেঁতুলের পাত্রে সোনার হারটা খুঁজে পান। তবুও সিদ্দার প্রতি তাঁর কোনো বিবেক যন্ত্রণা নেই। সিদ্দার ভোগান্তিতে মি. শিবশঙ্করেরও কোনো অনুতাপ হয় না। কেবলমাত্র সন্দেহের বশে এক নির্দোষ ছেলেকে আসামী হিসেবে অভিযুক্ত করাই গল্পের অর্থহীনতা প্রমাণ করে। উচ্চ শ্রেণির লোকেরা গরিবদের ওপর অত্যাচার করে এবং তাদের জীবনকে শোচনীয় করে তোলে। কিন্তু আইন থাকে বিত্তবানদের পাশে এবং যন্ত্রণাক্লিষ্ট মানব সমাজ কোনো বিচার পায় না। বেচারা সিদ্দা এই সমাজব্যবস্থার শিকার হয় যেখানে উচ্চ শ্রেণির প্রতিনিধিরা সমর্থন পায়। নিজের কোনও দোষ না থাকা সত্ত্বেও আমাদের সমাজ সিদ্দাকে আসামী তৈরি করেছে। সিদ্দা তার কাজ থেকে বরখাস্ত হয়ে যায়। কিন্তু অকারণে তাকে বহিস্কৃত করার জন্য মি. শিবশঙ্করের পরিবারে আঁচড়টিও লাগে না l)

Ans:-  Sidda was a poor, homeless boy. He was badly in need of a job. He lost his previous job in a doctor's house because the family had left the town. He was employed as a servant in Mr. Sivasanker's house. He was polite and obedient to his master. Amid all the house hold works his prime job was to pay attention to Leela. But he was an illiterate boy. He could neither copy the alphabets nor draw the pictures. He was very kind and sympathetic to Leela. He was the only playmate of Leela. But Leela's parents were not so kind to him as he was to their daughter. He was only looked upon as a servant in the family. He was honest and truthful. But his honesty was smeared with suspicion. He was dismissed from his service in Mr. Sivasanker's house. He became a victim of unjust punishment. Only Leela was in tears for his humiliation. He was sent to the police lock-up, for no fault of his own. Poor Sidda's life was a snowfall tale of suffering and misfortune.

Sidda was really a suitable friend for Leela. Three examples may be cited to support this view.

In the afternoon Sidda played with a red ball in the garden. Sidda threw the ball up and told her that the ball had touched the moon. Leela was surprised. Sidda showed that the moon was his obedient follower. Leela believed it easily. At dusk Leela held a class for Sidda and told her to copy whatever she wrote and drew in the pages. Leela made him learn two or three alphabets that she herself knew well.

Again Sidda used to narrate stories of jungles, of animals, of gods in heaven and of magicians at night. Thus they came so close that they became intimate friend to each other.

(সিদ্দা ছিল এক দরিদ্র, নিরাশ্রয় বালক। তার একটা কাজের অত্যন্ত প্রয়োজন ছিল। জনৈক ডাক্তারবাবুর বাড়িতে তার আগের কাজ খোয়া গিয়েছিল কারণ পরিবারটি শহর ছেড়ে চলে গিয়েছিল। সে মি. শিবশঙ্করের বাড়িতে ভৃত্য হিসেবে নিযুক্ত হল। তার কর্তার প্রতি সে নম্র ও বাধ্য ছিল। বাড়ির সব কাজের মধ্যে তার প্রধান কাজ ছিল লীলাকে মনোযোগ সহকারে দেখা। কিন্তু সে ছিল এক অশিক্ষিত বালক সে বর্ণমালা নকল করতে বা ছবি আঁকতে পারত না। লীলার প্রতি সে ছিল সদয় ও সহানুভূতিশীল। সে ছিল লীলার একমাত্র খেলার সাথী। কিন্তু সে যতটা লীলার প্রতি সদয় ছিল লীলার বাবা-মা তার প্রতি ততটা সদয় ছিল না। পরিবারে তাকে একমাত্র ভৃত্য হিসেবেই তাকে বিবেচনা করা হত। সে ছিল সৎ এবং সত্যবাদী। কিন্তু তার সততায় সন্দেহের প্রলেপ পড়ে গেল। মিঃ শিবশঙ্করের বাড়িতে কাজ করা তার খারিজ হয়ে গেল। সে অন্যায় সাজার শিকার হয়ে গেল। একমাত্র লীলা তার এই অবমাননায় অশ্রু বিসর্জন দিয়েছিল। তার নিজের কোনও ত্রুটি ছাড়াই তাকে পুলিশ হেফাজতে পাঠানো হয়েছিল। বেচারা সিদ্দার জীবন ছিল। বিড়ম্বনা ও দুর্ভাগ্যের এক করুণ কাহিনি।

সিদ্দা সত্যিই লীলার এক উপযুক্ত বন্ধু। এই মতের সমর্থনে তিনটে উদাহরণ দেওয়া যেতে পারে। বিকেলে সিদ্দা একটা লাল বল নিয়ে বাগানে খেলত। সিদ্দা বলটা ওপরে নিক্ষেপ করত এবং তাকে বলত যে বলটা চাঁদকে স্পর্শ করেছে। লীলা অবাক হয়ে যেত। সিদ্দা দেখাত চাঁদ তার কত বাধ্য। লীলা সহজেই তা বিশ্বাস করত।

সন্ধ্যার সময় (গোধূলি বেলায়) লীলা সিদ্দাকে পড়াত এবং পাতার মধ্যে সে যা লিখত বা আঁকত তা হুবহু নকল করার জন্য তাকে বলত। যে দুটো বা তিনটে বর্ণমালার অক্ষর লীলা নিজে জানত তা তাকে শেখাত। আবার সিদ্দা রাত্রে জঙ্গল, জন্তুজানোয়ার, স্বর্গের দেবতা এবং জাদুকরদের কাহিনি শোনাত। এভাবে তারা পরস্পর অন্তরঙ্গ বন্ধু হয়ে উঠলl)

Ans:- Sidda is one of two chief characters of R. K. Narayan's short story Leela's friend. The author has portrayed the character meticulously. Sidda was a homeless poor boy. He belonged to the down-trodden class. He was employed as a servant in Mr. Sivasanker's house. He was polite and obedient to his master, Mr. Sivasanker. He washed clothes, tended garden, ran errands, chopped wood and looked after Leela. Amid all these household works, his prime job was to pay attention to Leela. He was always at the beck and call of Leela. He made false claims about the moon and thus misled Leela. He did all these to please her innocent mind. Sidda was a boy of minor age. So he had not any bad intention towards Leela. He could neither copy the alphabets, nor draw the pictures. Sidda played with Leela patiently and stimulated her imagination. He told Leela stories and answered her questions. Thus, he became her most trusted playmate, her role model. Not only that, he became Leela's faithful friend.

Sidda was very kind and sympathetic to Leela. But he did not receive the same treatment from Leela's parents. Rather they were very often harsh to Sidda. He was looked upon only as a servant. He was, in no way, attached to the event of the missing chain. But the eyes of suspicion fell upon him. Being afraid of the police, he ran away. He became very nervous when he was put to interrogation for theft. Without any proper evidence, Leela's mother called him 'a thief, a rough fellow.' Eventually the missing chain was found in a tamarind pot. It was once playfully left there by Leela. Sidda was proved to be flawless. But Sidda found no room in Mr. Sivasanker´s house. He had a dual punishment. The first one was his stay in the police custody. The second one was his termination from the job. In both the cases, he had no guilt. His punishment was unjust and unlawful too. But the custodian of law escaped punishment. Poor Sidda became the victim of the societal system that stood only by the upper-class. This class-conflict has been suggested deftly in the story, Leela's Friend where Sidda stands fair and clean in character.

(আর. কে. নারায়ণের ছোটোগল্প Leela's Friend-এ দুই প্রধান চরিত্রের মধ্যে সিদ্দা অন্যতম চরিত্র। লেখক অত্যন্ত যত্ন সহকারে এই চরিত্রটি অঙ্কন করেছেন। সিদ্দা ছিল দরিদ্র নিরাশ্রয় এক বালক। সে হতদরিদ্র পরিবারের এক সন্তান। মি. শিবশংকরের বাড়িতে যে চাকরের কাজে নিযুক্ত হয়েছিল। সে তার প্রভু মি শিবশংকরের প্রতি নম্র ব্যবহার করত ও তাঁর বাধ্য ছিল। সে কাপড় কাচত, বাগান পরিচর্যা করত, বাজার দোকান যেত, কাঠ কাটত আর লীলার দেখভাল করত। এইসব গেরস্থালির কাজ ছাড়াও তার প্রধান দায়িত্ব ছিল লীলার যত্ন নেওয়া। লীলা তাকে যখনই ডাকত সে তৎক্ষণাৎ তার কাছে হাজির হত। সে চাঁদকে নিয়ে মিথ্যা দাবি করত। আর এইভাবে লীলাকে ভুল বোঝাত। সে তার নিষ্পাপ মনে আনন্দ দেবার জন্য এইসব করত। সিদ্দা ছিল অল্পবয়সি বালক। তাই লীলার প্রতি তার কোনো অসৎ উদ্দেশ্য ছিল না। সে না পারত অক্ষর লিখতে না পারত ছবি আঁকতে। সিদ্দা লীলার সঙ্গে ধৈর্য সহকারে খেলত আর তার কল্পনাকে জাগিয়ে তুলত। সে লীলাকে গল্প শোনাত আর তার প্রশ্নের উত্তর দিত। এভাবেই সে তার অত্যন্ত বিশ্বস্ত খেলার সাথি হয়ে উঠল, হয়ে উঠল তার অনুসরণযোগ্য আদর্শ। শুধু তাই নয়, সে লীলার বিশ্বস্ত বন্ধু হয়ে উঠল।

সিদ্দা লীলার প্রতি ছিল অত্যন্ত দয়াপরবশ ও সহানুভূতিশীল। কিন্তু সে মা-বাবার কাছ থেকে এইরূপ ব্যবহার পেত না। বরং তাঁরা সিদ্দার প্রতি কঠোর মনোভাবের পরিচয় দিতেন। তাকে চাকর বলেই গণ্য করা হত। সে যে কোনোভাবেই হোক সোনার চেনটা হারানোর ঘটনার সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছিল। কিন্তু তার চোখে মুখে সন্দেহের ছাপ দেখা গেল। পুলিশের ভয়ে সে বাড়ি ছেড়ে পালাল। চুরির ব্যাপারে যখন তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছিল সে খুব ঘাবড়ে গেল। উপযুক্ত প্রমাণ না পেয়েই লীলার মা তাকে ‘চোর, অভদ্র ছোকরা’ বলে গালাগালি দিলেন। শেষে হারিয়ে যাওয়া হারটা তেঁতুল রাখার পাত্র থেকে খুঁজে পাওয়া গেল। কোনো একসময় লীলা সেটাকে ওখানে ফেলে গিয়েছিল। প্রমাণ হল যে সিদ্দা নির্দোষ। কিন্তু মি. শিবশংকরের বাড়িতে সিদ্ধার ঠাঁই হল না। তার দু-ভাবে শাস্তি হল। প্রথমটা হল তার জেল হাজতে যাওয়া। আর দ্বিতীয়টা হল কাজটা চলে যাওয়া। দুটো ক্ষেত্রেই তার কোনো দোষ ছিল না। তার শাস্তি অন্যায় ও অবৈধ। কিন্তু আইনের রক্ষক কোনো শাস্তি পেলেন না। বেচারা সিদ্দা সমাজে উচ্চশ্রেণির পক্ষে থাকা সমাজব্যবস্থার শিকার হল। 'Leela's Friend' গল্পে এই শ্রেণি-দ্বন্দ্ব নিখুঁতভাবে অভিহিত হয়েছে যেখানে সিদ্দা নির্মল ও সুন্দর চরিত্র নিয়ে উজ্জ্বল।)

Ans:-Sidda and Leela are two principal characters in the short story Leela's Friend by R. K. Narayan. Sidda comes of a lower strata. He is poor and homeless. He is a boy of tender age. He is badly in need of a job. He has lost his previous job as the host left the town. He is employed as a servant in Mr. Sivasanker's house. His job is to wash clothes, tend the garden, chop the wood, do some errands and look after Leela. Leela is Mr. Sivasanker's five-year old daughter. Leela likes Sidda very much. When Sidda comes first, Leela gives a cry of joy. She says, “I like him….Let us keep him in our house." Sidda plays with Leela, tells her stories, arouses her imagination and answers her questions. There is mutual devotion between the two. When Leela calls Sidda to play, he drops all his works. When, after dinner, Leela runs to bed, Sidda is to be ready with a story. 'Day by day she clung closer to him.' Sidda has a lot of time for Leela. His vivid imagination amazes her. This is demonstrated by Sidda's magical stories about the moon. He says, 'Whenever there is a big moon, I climb a coconut tree and touch it. To Leela, Sidda is a hero. She is not prepared to believe that he has human limitations. So, she tries hard to teach Siddha, but he is not adept in learning. Leela's parents give her material things. But they give her no time or attention. They blame her, laugh at her and discipline her too harshly. Hence, Sidda becomes Leela's true friend and guide. She recognises a personality in Sidda that the adults never allow themselves to see. So, she accuses her mother of abusing and worrying Sidda. She finds joy in his company. He is deeply hurt when he is removed. She even tries to defend Sidda. From the beginning the adults look upon Sidda as a servant. But to Leela, he is much more. This is because she is too little to jump into conclusions from appearance about him, like his parents.

(আর. কে. নারায়ণের লেখা Leela's Friend ছোটোগল্পে সিদ্দা ও লীলা দুটি প্রধান চরিত্র। সিদ্দা নিম্নশ্রেণির সন্তান। সে দরিদ্র ও নিরাশ্রয়। সে অল্পবয়সি বালক। তার কাজের খুব দরকার। তার আগের মালিক শহর ছেড়ে চলে যাওয়ায় সে তার কাজ হারায়। মি. শিবশংকরের বাড়িতে সে চাকরের কাজ পায়। তাকে কাপড় কাচা, বাগান পরিচর্যা, কাঠ কাটা, বাজার দোকান যাওয়া ও লীলার দেখভালের কাজ করতে হয়। লীলা মি. শিবশংকরের পাঁচ বছরের ছোটো মেয়ে। লীলা সিদ্দাকে খুব পছন্দ করে। সিদ্দা যখন প্রথম বাড়িতে আসে, লীলা আনন্দে চিৎকার করে ওঠে। সে বলে “আমি ওকে পছন্দ করি.... ওকে আমাদের বাড়িতে রাখো।” সিদ্দা লীলার সঙ্গে খেলা করে, গল্প বলে, কল্পনার জগতে নিয়ে যায় এবং তার প্রশ্নের উত্তর দেয়। ওদের দুজনের মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া আছে। লীলা খেলতে ডাকলে সিদ্দা সব কাজ ফেলে চলে আসে। রাতে খাবার পর লীলা বিছানায় শুতে গেলে, সিদ্দা গল্প বলার জন্য তৈরি থাকে। দিনে দিনে সে তার ন্যাওটা হয়ে গেল। লীলার জন্য সিদ্দার প্রচুর অবসর সময়। তার জীবন্ত কল্পকথা লীলাকে মুগ্ধ করে। সিদ্দা যখন চাঁদের রূপকথা বলে তখন লীলার মুগ্ধতা প্রকাশ পায়। সে বলে, “যখনি বড় চাঁদ দেখা যায়, আমি নারিকেল গাছে উঠে তাকে ছুঁই।” লীলার চোখে সিদ্দা যেন নায়ক। সে বিশ্বাস করে না, সিদ্দার মানবিক ক্ষমতার সীমারেখা আছে। তাই লীলা সিদ্দাকে শেখাবার খুব চেষ্টা করে, কিন্তু সে শেখে না। লীলার বাবা-মা তাকে সবকিছু কিনে দেন। কিন্তু তাঁরা তার প্রতি কোনো সময় নজর দেন না। তাঁরা লীলাকে দেখে হাসেন, নিন্দা করেন এবং কড়া শাসন করেন। এইভাবে সিদ্দা লীলার প্রকৃত বন্ধু ও পথপ্রদর্শক হয়ে ওঠে। সে সিদ্দার মধ্যে যে ব্যক্তিত্ব খুঁজে পায়, বড়োদের মধ্যে তা পায় না। সেইজন্য সিদ্দাকে বকাবকি করলে সে মাকে দোষারোপ করে। লীলা সিদ্দার সঙ্গ ভালোবাসে। সিদ্দা চলে গেলে সে মনে আঘাত পায়। সে সিদ্দার পক্ষ নেয়। প্রথম থেকেই বড়োরা সিদ্দাকে চাকর হিসাবে দেখত। কিন্তু লীলার কাছে সে ছিল অনেক বড়ো। কারণ, লীলা এত ছোটো যে সে তার বাবা-মার মতো চেহারা দেখে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতার অধিকারী ছিল না)

Ans:-Sidda returned with Leela from the market. Leela's mother found that Leela's gold chain was missing. She at once suspected Sidda. He became frightened and ran away. Mr. Sivasanker came home an hour later. He lodged a complaint at the police station against Sidda. But Leela could not bear with this separation. She refused to go to bed without listening to a story from Sidda. Her mother tried to make her lie down on her lap and sleep. She pleaded with her mother to tell her a story. But Leela's mother could not sleep. The thought of Sidda made her panicky. She apprehended that Sidda might come in at night and loot. She thought that ‘it was God's mercy that he hadn't killed the child for the chain......’.  Leela became very restless. Her eyes were full of tears. She threw her anger upon her mother of misbehaving with Sidda. She believed that Sidda was angry with them. A lot of injustice was done to him. She even said, "Sidda is gone because he wouldn't be allowed to sleep inside the house just as we do." After some days a police inspector and a constable brought in Sidda. Leela was overjoyed to see her friend. She ran down the steps to meet him. But she was advised by the inspector not to go near him. He was a thief. Sidda was interrogated by all. He said that he had not taken the chain. Leela's face became red. She wanted to play with Sidda. She even strongly defended Sidda. But finally he was taken back to the prison. A few days later, the chain was found in a tamarind pot. Mr. Sivasanker informed the police that the chain had been discovered and Sidda was innocent. But he was not allowed to continue his job.

(সিদ্দা লীলার সঙ্গে বাজার থেকে ফিরল। লীলার মা দেখলেন লীলার গলায় সোনার চেনটি নেই। তিনি সঙ্গে সঙ্গে সিদ্দাকে সন্দেহ করলেন। সিদ্দা ভয় পেয়ে পালিয়ে গেল। ঘণ্টাখানেক পরে মি. শিবশংকর বাড়ি ফিরলেন। তিনি সিদ্দার বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ জানালেন। কিন্তু সিদ্দার বিদায় লীলার সহ্য হল না। সিদ্দার কাছে গল্প না শুনে সে শুতে যাবে না। তার মা কোলে ঘুম পাড়াবার চেষ্টা করতেন। সে মাকে বলত গল্প শোনাতে। লীলার মা ঘুমোতে পারতেন না। সিদ্দার ব্যাপারে চিন্তায় ভয়ে ভয়ে ছিলেন। তিনি আশঙ্কা করতেন সিদ্দা হয়তো রাতে এসে লুঠপাট করবে। ভাবতেন ভগবানের দয়া থাকায় সিদ্দা সোনার চেনের জন্য তার মেয়েকে খুন করেনি। লীলা খুব ছটফট করছিল। তার চোখে জল। সিদ্দাকে বকাবক্রির জন্য সে মার ওপর রেগে গেল। সে ভাবল সিদ্দা সকলের ওপর রাগ করেছে। তার ওপর অনেক অবিচার হয়েছে। লীলার ধারণা, তাদের সকলের মতো বাড়ির ভিতরে সিদ্দাকে না শুতে দেওয়ার জন্য সিদ্দা চলে গেছে। কিছুদিন পর একজন পুলিশ আধিকারিক ও একজন পুলিশকর্মী সিদ্দাকে নিয়ে এল। লীলা তার বন্ধুকে আসতে দেখে খুব আনন্দ পেল। সিদ্দার সঙ্গে দেখা করতে সে সিঁড়ি বেয়ে দৌড়ে নেমে এল। কিন্তু পুলিশ আধিকারিক তাকে সিদ্দার কাছে যেতে নিষেধ করলেন। সিদ্দা একজন চোর। তাকে সবাই জেরা করেছে। সে বলল যে সে সোনার চেন নেয়নি। লীলা রেগে লাল হয়ে গেল। সে সিদ্দার সঙ্গে খেলতে চায়। লীলা সিদ্দাকে অকুণ্ঠ সমর্থন করে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সিদ্দাকে আবার জেলে যেতে হয়। কয়েকদিন বাদে, একটি তেঁতুল রাখার পাত্রের মধ্যে সোনার চেনটি পাওয়া যায়। মি. শিবশংকর পুলিশকে জানান যে সোনার চেনটি পাওয়া গিয়েছে এবং সিদ্দা নির্দোষ। তা সত্ত্বেও সিদ্দাকে কাজে বহাল করা হল না l)