Chapter-10, DAYBREAK

Ans:-The wind of the sea hails the ships. (সমুদ্রের বাতাস জাহাজদের অভ্যর্থনা জানায়।)

Ans:- The wind tells the mariners to start a fresh journey with the rise of the sun. (বাতাস নাবিকদের সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে নতুন ভ্রমণ শুরু করতে বলে।)

Ans:-The wind finds the ships anchored in the jetty. (বাতাস জাহাজদের জেটিতে নোঙরাবদ্ধ অবস্থায় দেখে)

Ans:-The wind of the sea cries so while passing over the distant lands. (সমুদ্রের বাতাস দূরবর্তী স্থলভাগের ওপর দিয়ে বয়ে যেতে যেতে এভাবে চিৎকার করে।)

Ans:- The wind tells the forest to hang all his leafy banners out. (বাতাস বনকে বলে তার সব পত্রনিশান উড়িয়ে দিতে।)

Ans:-The wind wants to see the daybreak to be greeted by the leafy banners of the forest. (বাতাস চায় বন তার পত্রনিশান উড়িয়ে ভোরকে সংবর্ধনা দিক।)

Ans:-'Leafy banners' implies the twigs and branches of the trees full of leaves. (পত্রনিশান' বলতে পাতায় ভরা শাখাপ্রশাখাদের বোঝায়।)

Ans:-At daybreak, the wood bird keeps staying in its nest with folded wings. But the wind touches the wings tenderly and makes him rise. (ভোরবেলায় বনের পাখি তার বাসায় ডানা ভাঁজ করে বিশ্রাম নেয়। কিন্তু বাতাস তার ডানা ছুঁয়ে দেয় আলতো করে আর তাকে ঘুম থেকে জাগায় )

Ans:- The wind tells the wood-bird to wake up and sing. (বাতাস বনের পাখিকে ঘুম থেকে জেগে উঠে গান করতে বলে।)

Ans:- The wind sees the chanticleer sleeping in the farms. (বাতাস গোলাবাড়িতে মোরগকে ঘুমোতে দেখে।)

Ans:-The wind persuades the chanticleer to blow his clarion and announce the day break. (বাতাস মোরগকে তার উচ্চনিনাদে ভোরের বার্তা ঘোষণা করতে প্রবৃত্ত করে।)

Ans:-The wind whispers to the fields of corn to bow down and salute the coming morning. (বাতাস ফসলেভরা মাঠের কানে কানে বলে নতশিরে আসন্ন প্রভাতকে অভিবাদন জানাতে।)

Ans:-Belfry-tower is the high room on the church where is kept the church-clock. (বেলফ্রি-টাওয়ার হল গির্জার মাথার ওপরের কক্ষ যেখানে থাকে গির্জার ঘণ্টা।)

Ans:-The wind tells the church-bell to sing loudly and wildly to proclaim the sunrise. (বাতাস গির্জার ঘণ্টাকে প্রচণ্ড শব্দে বেজে উঠে সূর্যোদয়ের ঘোষণা করতে বলে।)

Ans:-While crossing the churchyard, the wind leaves a deep sigh to think that it can not awake the buried. (গির্জার আঙিনা পার হওয়ার সময় বাতাস দীর্ঘশ্বাস ফেলে এই কথা ভেবে যে, সে কবরে শায়িত মৃতদের জাগাতে পারবে না।)

Ans:-The wind blowing over the churchyard said this to the dead and buried. (গির্জার করবখানা দিয়ে বয়ে যাওয়া বাতাস মৃত ও কবরস্থদের উদ্দেশ্যে কথাগুলি বলেছিল।)

Ans:-The wind finally goes to blow over graveyard. (বাতাস অবশেষে কবরখানার ওপর দিয়ে উড়ে গেল।)

Ans:- When the wind blows over the field, they lie in rest with their crops. (বাতাস যখন মাঠগুলির ওপর দিয়ে বয়ে যায় তখন তারা ফসলের ওপর গিয়ে বিশ্রাম নেয়।)

Ans:-At the advent of the new morning, the wind tells the wood-bird to sing merrily. (নতুন প্রভাতের আগমনে বাতাস বনের পাখিকে আনন্দে গান গাইতে বলে।)

Ans:-The wind is unhappy the moment it blows over the tombs in the churchyard. (বাতাস যখন গির্জায় প্রাঙ্গণে করবখানায় ওপর দিয়ে উড়ে যায় তখন দুঃখিত হয়।)

Ans:-The wind tells the departed soul lying in graves to sleep in peace. (বাতাস কবরে শায়িত মৃত মানুষদের শান্তিতে ঘুমোতে বলে।)

Ans:-The wind of the sea says this to the fields of corns. (সমুদ্রের বাতাস এ কথা ফসলে ভরা মাঠেদের বলেছে।)

Ans:- In Longfellow's Daybreak the wind comes out of the sea and pushes aside the mists. It calls the ships and draws the attention of the sailors. It asks them to resume their daily duties. The darkness of night is gone. The wind blows over the land. It tells everybody to get up from sleep. Passing through the forest it touches the trees. It asks them to flutter their banners of leaves to and fro. It urges the birds to open their wings and sing. While going past the farms, the wind rouses the chanticleer. The bird is to crow loudly to welcome the day. It makes a whispering noise, to the ears of the corns. It impels the corn-plants to lower their heads to greet the morning. Then the wind asks the church-bell to announce the hour of the daybreak. But while going over the graves in the churchyard, it sighs sadly. It softly tells the dead to sleep on. Thus the wandering wind brings the message of action to everyone it meets.

(লংফেলোর Daybreak-এ বাতাস সমুদ্র থেকে উঠে এসে কুয়াশাদের ঠেলে সরিয়ে দেয়। সে জাহাজদের চেঁচিয়ে ডাকে, আর নাবিকদের বলে যাত্রা শুরু করতে, কারণ রাত শেষ হয়ে গেছে। ভাঙার ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়ার সময় সবাইকে বাতাস উঠে পড়তে বলে ঘুম থেকে, কারণ দিন এসে গেছে। বনের মধ্য দিয়ে যেতে যেতে সে গাছগুলোকে স্পর্শ করে, তাদের বলে এদিক ওদিক পাতার ঝালর দোলাতে। পাখিদের সে বলে বন্ধ পাখনা মেলে দিয়ে গান করতে। খামার বাড়ির ওপর দিয়ে যাওয়ার সময় বাতাস মোরগকে বলে গলা খুলে চেঁচিয়ে দিনকে স্বাগত জানাতে। শস্যক্ষেতের ওপর দিয়ে বয়ে যেতে যেতে সে ফিসফিস করে শস্যচারাগুলিকে বলে মাথা নুইয়ে দিনের আলোকে অভিনন্দন জানাতে। তারপর হাওয়া গির্জার চূড়ায় ঘণ্টাঘরে গিয়ে ঘণ্টাকে বলে প্রভাতী প্রহর ঘোষণা করতে। কিন্তু যখন চার্চের উঠোনে কবরগুলি ছুঁয়ে সে যায়, মনে হয় সে দুঃখের নিশ্বাস ফেলছে, আর মৃতদের বলছে তারা যেন ঘুমিয়েই চলে। এভাবে ভ্রাম্যমাণ বাতাস যার সঙ্গে তার দেখা হয় তাকেই পৌঁছে দেয় কর্মের বাণী।)

Ans:-The poem Daybreak describes the activities of the wind. It gets busy as soon as it dawns. The poet nicely describes how the wind comes out of the sea and makes its way through mists toward the land. It carries on a self-imposed duty of rousing every creature from sleep. It asks all to welcome the day with works. It encourages the mariners to sail their ships. It shouts to the trees to keep moving their leafy banners. The wood-bird's folded wing indicates that it is not yet fully awake. The plants of the corn field will soon bow.their heads. The wind wakes them up. The tower-bell will toll loudly to announce the morning prayer. The wind finally comes near the grave. It sighs for those who are left alone under the earth. The dead are not to be awakened from their peaceful sleep. The description is, however, not objective. There is a distinct subjective flavour in it. The poet imaginatively catches the mood and atmosphere of the hour of daybreak. The personal touch makes the poem subjective.

(সমগ্র কবিতাটি জুড়ে আমরা দেখি বাতাসের নানান কাজের বর্ণনা। ভোর হতে না হতেই সে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। সুন্দরভাবে কবি বর্ণনা করেছেন কেমন করে বাতাস সমুদ্র থেকে উঠে এসে কুয়াশার মধ্য দিয়ে নিজের পথ করে নেয় এবং ডাঙার দিকে অগ্রসর হয়। সমস্ত প্রাণীকে ঘুম থেকে জাগিয়ে তোলার দায়িত্ব সে স্বেচ্ছায় নিজের ওপর নিয়েছে। সেই সঙ্গে সে তাদের বলে উপযুক্ত কাজের মাধ্যমে প্রভাতকে স্বাগত জানাতে। সে নাবিকদের সক্রিয় করে তোলে তাদের জাহাজ চালাবার ব্যাপারে। গাছদের চেঁচিয়ে সে বলে পাতার ঝালর দুলিয়ে চলতে। বনপক্ষীর বন্ধ পাখা দেখে বোঝা যায় সে এখনও ভাল করে জাগেনি। শস্য চারাগুলি শীঘ্রই তাদের মাথা নুইয়ে দেবে। বাতাস সবাইকে জাগিয়ে তুলবে। প্রাসাদচূড়ার ঘণ্টা উচ্চস্বরে বেজে উঠবে প্রভাতী প্রার্থনার ঘোষণায়। অবশেষে বাতাস হাজির হয় কবরখানার পাশে। যারা চিরনিদ্রায় শায়িত তাদের জন্য সে দীর্ঘ নিশ্বাস ফেলে। মৃতদের পরম শান্তির নিদ্রা থেকে জাগানো চলবে না। সমস্ত বর্ণনাটি কিন্তু মোটেই নিতান্ত নৈর্ব্যক্তিক নয়। এর মধ্যে ব্যক্তিগত স্পর্শ বিশেষভাবেই অনুভব করা যায়। সমগ্র কবিতা জুড়ে ঠিক উষা লগ্নে যে মনোভাব এবং পরিবেশ সৃষ্টি হয়, কবি সেটি ঠিক ঠিকভাবে ধরতে পেরেছেন। এভাবে কবিতাটি উদ্দেশ্যমুখী ও যথার্থ।)

Ans:- Longfellow's Daybreak is remarkably rich in imagery and beautiful diction. A series of images come before our eyes in quick succession, as we read the poem. First we see a film of mists over the sea. In the sea we notice the motionless ships. Soon we see the green forest with its numerous trees with cluster of green leaves on each of them. The poet compares them to green banners. Thus the image of leafy banners soothes our eyes. It is followed by the image of birds with folded wings. The image of restive birds is nicely suggested by their folded wings. Then comes the radiant image of the chanticleer with his colourful body and scarlet comb. All is suggested in this very name. We can also imagine its loud musical crowing. The green fields of corn offer another eye-soothing image. They bend with the wind as if to welcome the sunny morning. Finally comes the bell on the tower of the church. The tombs in the churchyard below complete the procession of imagery in this poem. There are some beautiful phrases too in Daybreak, like leafy banners, wood-bird's folded twing, and the belfry-tower which add to its total attraction.

(লংফেলোর Daybreak চিত্রকল্প এবং সুন্দর কাব্যিক ভাষায় উল্লেখযোগ্যভাবে সমৃদ্ধ। আমরা কবিতাটি পড়লেই আমাদের চোখের সামনে দ্রুত ভেসে আসে একের পর এক চিত্রকল্পসমূহ। প্রথমে আমরা দেখি সমুদ্রের ওপর প্রভাতী কুয়াশার পাতলা আস্তরণ। তারপর লক্ষ করি সমুদ্রে নিস্পন্দ জাহাজগুলি। শীঘ্রই আমরা দেখতে পাই সবুজ অরণ্য, তার অজস্র গাছের ভিড়, এবং প্রত্যেকটি গাছে গুচ্ছ গুচ্ছ পাতা। কবি সেগুলিকে সবুজ পতাকার সঙ্গে তুলনা করেছেন। এইভাবে leafy banners-এর চিত্রকল্প আমাদের চোখকে তৃপ্তি দেয়। এরপর আসে ডানা গুটিয়ে বসা পাখিদের ছবি। বিশ্রামরত পাখিদের চিত্রকল্পটা তার ভাঁজকরা ডানার মধ্যে দিয়ে সুন্দরভাবে দ্যোতিত হয়েছে। তারপর যে চিত্রকল্পটি পাই সেটি এক বর্ণাঢ্য মোরগের। তার chanticleer নামটা শুনেই মনশ্চক্ষুতে দেখতে পাই তার বহুবর্ণ দেহ এবং মাথার লাল ঝুঁটি। শুনতেও পাই কল্পনায় তার সংগীতময় উচ্চকণ্ঠ। সবুজ শস্যক্ষেত্রসমূহ আর-একটি চোখ-জুড়োনো চিত্রকল্প। তারা বাতাসে নুয়ে পড়ছে সূর্যময় প্রভাতকে স্বাগত জানাতে। শেষে আসে চার্চ-ভবনের উপরে ঘণ্টাঘর। আর নীচে চার্চের প্রাঙ্গণে সমাধিগুলির সমন্বয়ে এ কবিতায় চিত্রকল্পের সম্ভার। Daybreak কবিতাটিতে কয়েকটি সুন্দর বাক্যাংশও আছে। যথা, leafy bananers, Wood- bird's folded wing এবং the belfry-tower, যেগুলি কবিতাটিকে সামগ্রিকভাবে আকর্ষণীয় করে তুলেছে।

Ans:- The poem Daybreak is written in nine lovely couplets. In keeping with the flow of the wind, it is in a breezy style. With the wind we seem to move on inland from the sea-coast. Then we fly over the forest, the garden, the farms, the fields and the churches. The poet actually puts his own words into the lips of the personified wind. He catches the mood and atmosphere of the earth at daybreak. He imaginatively and dramatically shows the wind prompting every creature do the work appropriate for early morning. All through there is felt a genuine love for close contact with nature. It is decisively a romantic quality in the poet. No man is mentioned in the whole poem except the mariners. But indirectly human presence is indicated. To awaken men, birds sing. How will the bell toll the hour unless a man pulls at it? The refreshing touch that the morning breeze brings makes everyone happy. They eager to do the suitable work. Altogether there is an atmosphere of cheerful welcome at the arrival of the dawn after the darkness of night. The refreshing style of the poem echoes that mood. It really seems to hail the coming morn.

(Daybreak শীর্ষক কবিতাটি ন-টি সুন্দর দ্বিপদীতে রচিত। বাতাসের বয়ে চলার সঙ্গে তাল রেখে এটি দ্রুত ধাবমান শৈলীতে লেখা হয়েছে। বাতাসের সঙ্গে সঙ্গে আমরাও ধেয়ে চলি সমুদ্র থেকে স্থলভূমির দিকে। তারপর বনরাজি, উদ্যান, ক্ষেতখামার, প্রাপ্তর এবং চার্চের ওপর দিয়ে উড়ে চলি। প্রকৃতপক্ষে কবি নিজের বক্তব্যগুলিই যেন ব্যক্তির রূপে বাতাসের মুখে বসিয়েছেন। ঊষালগ্নে ধরার যে মানসিকতা এবং রূপ প্রত্যাশিত, কবি কল্পনাবলে ঠিক সেটিকে দেখেছেন। নাটকীয় ভঙ্গিতে দেখিয়েছেন কীভাবে বাতাস সমস্ত প্রাণীকে প্রভাতকালে উপযুক্ত কর্মে লিপ্ত, অনুপ্রাণিত করছে। সমগ্র কবিতা জুড়ে প্রকৃতির ঘনিষ্ঠ সান্নিধ্যের প্রতি কবির প্রেম প্রকাশ পাচ্ছে। এটি নিঃসন্দেহে রোমান্টিকতার লক্ষণ। কবিতায় নাবিক ছাড়া অন্য কোনো মানুষের কথা বলা হয়নি। কিন্তু পরোক্ষভাবে মানুষের উপস্থিতির ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। মানুষকে জাগাবার জন্য পাখি গাইছে। ঘণ্টা কী করে গ্রহর ঘোষণা করবে যদি দড়ি টেনে তাকে কেউ না বাজায়? সকালের হাওয়া যে স্পর্শ নিয়ে আসে, তাতে সবাই উৎফুল্ল হয়ে তখনকার উপযোগী কাজ করতে আগ্রহী হয়। সব মিলে রাত্রির অন্ধকার পার করে ভোরের আগমনে একটা খুশির বাতাবরণ তৈরি হয় এবং দিনকে স্বাগত মনে হয়। এই আমেজটাই প্রতিফলিত হয়েছে কবিতাটির প্রাণবস্তু রচনারীতিতে। সত্যিই যেন এটা প্রভাতবরণের বন্দনা গান।)

Ans:- The very first thing one note in Longfellow's Daybreak is a spirit of liveliness. It catches alive the moment when the day just begins, through a series of pictures and activities. A feeling of freshness and eagerness is evident. After the night of darkness, the day is to be heartily welcomed and celebrated through works. But the beauty of the poem lies mainly in its ability to create the proper atmosphere. On the sea there are mists still. The ships are yet to sail. On the land the forest-trees start waving their leafy banners. The wind passes them. The wood-bird is urged to open its wing and sing. The chanticleer is about to blow his clarion. The whispering cornfields also welcome their morning by blowing to it. The church bell is about to toll for the morning prayer. All earthly things are eager to begin works which denotes life. Only the dead in their tombs cannot be disturbed. They are to go on sleeping peacefully. The atmosphere is thus built up with sights and sounds.

(লংফেলোর Daybreak-এ প্রথমেই যে জিনিসটা লক্ষ করা যায় তা হল এক প্রাণবন্ত মনোভাব। যে মুহূর্তে দিনটা সবে শুরু হচ্ছে, সেটাকে কবি জীবন্ত করে তুলেছেন কয়েকটি ছবি এবং এখনও-না-হওয়া কিছু কাজের মধ্য দিয়ে। একটি সতেজ ফুরফুরে ভাব এবং আগ্রহী মানসিকতা স্পষ্ট ফুটে উঠেছে কবিতাটিতে। রাত্রির অন্ধকারের পর দিনের আগমনকে হার্দিক স্বাগত জানাতে হবে। এটি উৎসবের মতো পালন করতে হবে কাজের মাধ্যমে। কিন্তু কবিতাটির আসল সৌন্দর্য নিহিত রয়েছে তার উপযুক্ত পরিবেশ সৃষ্টির ক্ষমতায়। সমুদ্রের বুকে এখনও কুয়াশা। জাহাজগুলি এখনও চলতে শুরু করেনি। প্রান্তর জুড়ে সব বনস্পতি তাদের ‘সবুজ পতাকা’ দোলাতে শুরু করেছে। বাতাস তাদের পাশ দিয়ে বয়ে গেল এবং বনপক্ষকে বলে গেল ডানা খুলে গান গাইতে। মোরগ তার বাঁশি বাজাতে উদ্যত। ফিসফিসিয়ে কথা-বলা শস্যক্ষেত্রগুলি প্রভাতে মাথা নোয়াচ্ছে। প্রভাতী প্রার্থনার জন্য গির্জার ঘণ্টা বাজল বলে। সব পার্থিব বস্তু কাজ শুরু করতে চলেছে, কাজ মানেই জীবন। শুধু মৃতরা তাদের কবরে শান্তিতে ঘুমিয়ে থাকবে। এভাবে ছবি, শব্দ দিয়েই কবিতাটির পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে।)

Ans:-Longfellow's poem Daybreak gives us a graphic pen-picture of a day. It is the start of the day. The morning sun rises over the sea. The sleepy say wakes up. From its cavern emerges the wind. The sea is still shrouded with mists. The ships stand motionless and still. The mariners are yet to rise. They can't shake off sweet slumber. The far-off lands are yet to receive the message of daybreak. The forests are yet to hang their leafy banners out. The wood-birds are in nest. Their wings are folded. The housecocks do not shout. The fields of corn do not receive the signal of sunrise. The belfry-tower remains calm. No chime of bell is heard. Infact, both the land and the sea are steeped in a trance. Only the sun and the wind are active. The sun brings the day. The wind announces the message all over the world.

The wind is the messenger of the day. The new day means new, promises. After the nightlong inaction the day brings the spirit of regeneration. It welcomes action. But it can't deliver the message to all itself. Now the wind is out to carry the message. His is a self-imposed duty. He is alive to the well being of the world. He can't allow men and nature indulge in inaction and indolence. It feels an urge to translate the dream of the delightful day into reality. The wind first gets the news of the arrival of a day. Obviously, it is committed to the entire world. Thus the wind sees itself in relation to day.

(লংফেলোর Daybreak কবিতায় আমরা একটি দিনের নিখুঁত চিত্র পাই। এটি দিনের প্রারম্ভ। সমুদ্রের ওপর উদিত হয়েছ প্রভাতের সূর্য। ঘুমন্ত সমুদ্র জেগেছে। এর গহ্বর থেকে জেগেছে বাতাস। সমুদ্র তখনও কুয়াশায় মোড়া। জাহাজগুলি স্থির, নিশ্চল। নাবিকেরা তখন ঘুম থেকে জাগেনি। তারা মধুর নিদ্রার আবেশ কাটাতে পারেনি। দূর দূর প্রান্তর ভোরের বার্তা তখনও পায়নি। বনেরা তখনও তাদের পাতার পতাকা ঝোলায়নি। বনের পাখিরা বাসায়। তাদের ডানা গোটানো। বাড়ির মোরগেরা চীৎকার জোড়েনি। ফসলভরা মাঠ সূর্যালোকের সংকেত পায়নি। ঘণ্টাঘর শান্ত। ঘণ্টার শব্দ যায়নি শোনা। প্রকৃতপক্ষে মাঠঘাট ও সমুদ্র ঘুমের আবেশে আবিষ্ট। কেবল সূর্য আর বাতাস সক্রিয়। সূর্য আনে দিন। সারা পৃথিবীতে বাতাস সেই বার্তা ঘোষণা করে।

বাতাস দিনের দূত। নতুন দিন মানে নতুন শপথ। রাত্রিব্যাপি নিষ্ক্রিয়তার অবসানে দিন আনে নবজীবনের উদ্যম সে কর্মকে আহ্বান করে। কিন্তু দিন তো নিজে নিজে সবাইকে সে খবর দিতে পারে না। এখন বাতাস সেই বার্তা দিতে ছুটে আসে। তার স্বঘোষিত দায়িত্ব। সে পৃথিবীর কল্যাণ সম্পর্কে সদা সয়াগ। অমানুষ ও প্রকৃতিকে নিশ্চয়তা ও বিশ্রামের বিলাসিতায় গা ভাসিয়ে দিতে প্রশ্রয় দেবে না। সে আনন্দময় দিনের মধুর স্বপ্নকে বাস্তবায়িত করতে চায়। বাতাস দিনা.. প্রথম বার্তা পায়। স্পষ্টতই সে পৃথিবীর প্রতি দায়বদ্ধ। এইভাবেই বাতাস নিজেকে দিনের সাথে যুক্ত করে দেখে।)

Ans:- Longfellow's Daybreak is a fine lyric. It gives the message of Daybreak. The message is delivered to the entire world by the sea-wind. It acts as the messenger of the new day. Initially the wind is very busy. It feels an urge to rouse the world from sleep. The sun is up. The new day appears. The misty sea is still in sleep. The ships are inactive; the mariners enjoy rest and repose. They know not that the . day has already come. So there is no room for indolence. The day breathes a new spirit. Work is worship. All must welcome work, worship the day. And hence, the wind travels far-off lands, fields, forests and farms. Thus he breaks the sleep of all. Finally he comes to the grave. The energetic, restless, ever-busy wind now looks calm and quiet. And suddenly we find a shift in its tone. And the change in tune nicely goes in tune with the immediate atmosphere.

As the wind crosses the churchyard, it finds the graves of the departed souls. They are now lying in peace and sleep. They are in utter darkness of the grave. The wind feels sorry for them. Hence it sighs and slowly passes by. It does not shout. It only whispers, "Not yet, in quiet lie". This is the tone of farewell. This is note of despair. Earlier the wind looks jubilant and spirited. But now it is sad. But it can't forget its duty. It can't stay there longer. It blows on and on. The momentary break is nicely revealed by the change or its tone.

(লংফেলোর  Daybreak একটি চমৎকার গীতিকবিতা। এটি ভোরের বার্তা দেয়। সমুদ্রের বাতাস সমগ্র পৃথিবীতে সেই বার্তা পৌঁছে দেয়। নতুনদিনের বার্তাবাহক হিসেবে সে কাজ করে। প্রথমদিকে বাতাস খুব ব্যস্ত। পৃথিবীকে ঘুমঘোর থেকে জাগ্রত করতে সে ব্যাকুল হয়। সূর্য উঠেছে। নতুন দিন এসেছে। কুয়াশাঢাকা সমুদ্র ঘুমন্ত। জাহাজগুলি নিশ্চলা। নাবিকরা এখনও বিশ্রাম উপভোগ করছে। তারা জানে-না যে-দিন ইতিমধ্যেই এসে পড়েছে। তাই বিশ্রামের আর কোনো জায়গা নেই। 'নতুন দিন নতুন উদ্যমের শ্বাস নিচ্ছে। কাজই পুজো। সকলকে কাজকে স্বাগত জানাতে হবে, দিনের বন্দনাগান গাইতে হবে। আর তাই বাতাস দূর-দূর দেশে যায় ছুটে। প্রান্তর, বনানী ও বাড়ি-বাড়ি দেয় ছুট। এইভাবেই সে সকলের ঘুম ভাঙায়। অবশেষে সে আসে কবরখানায়। উদ্যমী, চঞ্চল, সদাব্যস্ত বাতাসকে এখন শান্ত ও শীতল লাগে। আর হঠাৎই আমরা তার স্বরের পরিবর্তন দেখি। আর এই আবহের পরিবর্তন কবিতায় তৎক্ষণাৎ পরিবেশের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ।

যখন বাতাস গীর্জাসংলগ্ন প্রান্তর পার হয়, এ দেখে বিদেহী আত্মার কবর। তারা এখন শান্তির ঘুমে শায়িত। তারা ‘কবরের’ নিশ্ছিদ্র অন্ধকারের মধ্যে শায়িত। বাতাস তাদের জন্য বেদনা বোধ করে। তাই সে দীর্ঘশ্বাস ফেলে বয়ে যায় ধীরে ধীরে। চিৎকার নয়, ফিসফিস করে বলে, “হয়নি সময়/ঘুমাও কবর তলে।' এটি বিদায়ের সুর। এটি বিষণ্ণতার সুর। আগে বাতাসকে আনন্দময় ও প্রাণবন্ত লাগে। কিন্তু এখন সে বিষণ্ণ। তবে সে তার কর্তব্য ভোলে না। সে সেখানে দীর্ঘক্ষণ কাটায় না। সে বয়ে যায়। সাময়িক এই ছেদ কবিতার সুর পরিবর্তনের মধ্যে দিয়ে প্রতিভাত হয়েছে।)

Ans:-Personification is an effective poetic device. Sometimes a poet employs this device to express his own thoughts and ideas. Personification implies the art of attributing life to an inanimate object or any phenomenon of nature. Poets like Wordsworth, Keats, Shelley and many others of their ilk recurringly resort to personification in their poetry. They present poem Day break is the brilliant example of personification. Let us go through the poem to see the masterly execution of his fine figure of speech.

The wind is humanised here. The wind is an element of nature. It has no life of its own. But the poet invests it with life and vitality. The wind is given the duty of conveying the message of 'daybreak' to the sleeping world. Infact, it is the messenger the harbinger of new life and new age. It has its own speech. It calls the mists from sleep and tells them to make room for it. It arouses the mariners from sleep. Now like a true messenger it travels over land to announce the daybreak. It acts like a living being all the time. It can tell, shout, whisper like human beings. It can sense and feel the urgency of work after the nightlong inaction. It can feel the thrill of the new day. And so intent it is that it needs no rest. It crosses the forests and farms, towers and churches. It feels an urge to inspire the world with the moto of regeneration. It delivers to all that life is a spirited game. Sweet languor is but a momentary phase of life. Man should not give in contemplation and indolence. He should feel the new stirring of life with a new day. At the same time it allows people deep down the earth to take rest. For, after life's fitful fever they sleep well. They must not be disturbed.

To sum up, the entire poem is rich in personification. The wind seems to serve the duty of a sensible person. It seems to echo the very voice of the poet.

(ব্যক্তিরূপারোপ একটি কার্যকরী কাব্যিক কৌশল। কখনও কখনও কোন কবি তাঁর নিজস্ব চিন্তা ও ধারণা প্রকাশের জন্য এই কৌশল ব্যবহার করেন। ব্যক্তি.. রোপ হল অচেতন পদার্থ বা প্রাকৃতিক কোনো বস্তুতে জীবনচৈতন্য দানের কৌশল। ওয়াডওয়ার্থ, কিটস, শেলী ও তাঁদের মতো অনেক কবি তাঁদের কবিতায় বারে বারে এই ব্যক্তি-রূপারোপের আশ্রয় নিয়েছেন। আলোচ্য Daybreak কবিতাটি ব্যক্তিরূপারোপের এক অনবদ্য দৃষ্টান্ত। এই চমৎকার অলংকারটির দক্ষ প্রয়োগ দেখতে কবিতাটির আদ্যোপও পড়া যেতে পারে।

এখানে বাতাসকে প্রাণসত্তায় ভূষিত করা হয়েছে। বাতাস একটি প্রাকৃতিক শক্তি। এর নিজস্ব কোনো জীবন নেই। কিন্তু কবি একে প্রাণময় করে তোলেন। ঘুমন্ত পৃথিবীতে ভোরের বার্তা পৌঁছে দেবার দায়িত্ব দেওয়া হয় তাকে। প্রকৃতপক্ষে এ হল নবজীবন ও যুগের দূত, বার্তাবাহক। এর নিজস্ব ভাষা আছে। কুয়াশাদের ও ঘুম থেকে জাগায়। তাদের বলে তার রাস্তা ছেড়ে দিতে। এ নাবিকদেরও ঘুম ভাঙায়। তারপর প্রকৃত দূতের মতো ও ভোরের সংবাদ ঘোষণা করতে দেশে দেশে ঘুরে বেড়ায়। এ এক জীবন্ত মানুষের মতো কাজ করে। রাত্রিব্যাপী কর্মহীনতার পর কর্মের অতীব প্রয়োজনীয়তার কথা এ উপলব্ধি করে। অনুভব করে নতুন দিনের রোমাঞ্চ। আর এত তীব্র এর আকুতি যে ও বিশ্রাম জানে না। বন ও প্রান্তর, গম্বুজ ও গীর্জা—সর্বত্র ঘুরে বেড়ায়। নবজীবনের ডাক দিয়ে পৃথিবীকে জাগ্রত করতে ব্যাকুল হয়। এ সকলকে বলে যে জীবন এক উদ্যমের ক্রীড়া। মধুর অবসাদ জীবনের সাময়িক দিক মাত্র। মানুষের উচিত নয় ভাবনা ও অবসাদের আশ্রয় নেওয়া। তার উচিত নবীন দিনে নবজীবনের আলোড়ন অনুভব করা। একই সঙ্গে বাতাস মাটির গভীরে শায়িত মানুষজনকে বিশ্রাম নিতে অনুমতি দেয়। কারণ জীবনের কোলাহল শেষে তারা শাস্তিতে ঘুমোয়। তাদের ব্যাঘাত দেওয়া উচিত নয়।

উপসংহারে বলা যায় যে, সমগ্র কবিতা ব্যক্তি-রূপারোপে পরিপূর্ণ। বাতাসকে দেখে মনে হয় বিচক্ষণ কোনো ব্যক্তির উপর ন্যস্ত দায়িত্ব পালন করতে সে উৎসাহী। মনে হয় সে যেন কবিরই মনের কথা ধ্বনিত করে।)