Chapter-11 ➤ মানবাধিকার ও মূল্যবোধ

উঃ-নাগরিক বলতে একটি রাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে বসবাসকারী ও সংশ্লিষ্ট রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য প্রদর্শনকারী সেই সমস্ত ব্যক্তিকে বোঝায় যারা বিচার-বুদ্ধি প্রয়োগ করে সমস্তরকম অধিকার ভোগ করে।

উঃ-1) দারিদ্র্য।

2) অভিভাবকদের অজ্ঞতা।

3) জীবিকার অনিশ্চয়তা।

4) বৃত্তিমূলক শিক্ষার অভাব।

উঃ-একটি শিশুর অধিকার হল বেঁচে থাকা, তার পরিমাণমতো খাদ্য ও পানীয় জল পাওয়া, 14 বছর পর্যন্ত অবৈতনিক শিক্ষালাভ, নিজের মতামত প্রকাশ ও মানসিক পীড়ন থেকে সুরক্ষা লাভ করা।

উঃ-আজকের শিশুরাই আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। তাদের বাল্যকাল যদি সুরক্ষিত না করা যায় তাহলে আগামীদিনে সুস্থ, সবল, বুদ্ধিমান দেশের নাগরিক তৈরি করা যাবে না। ছোটো চারাগাছকে আমরা যেমন রক্ষা করি, তেমনি শিশুদেরকেও আমাদের রক্ষা করতে হবে।

উঃ-সমাজে পুরুষ ও মহিলাদের মধ্যে যে—শারীরবৃত্তীয় পার্থক্য আছে, তার সঙ্গে সামাজিক মূল্যবোধ ও গতানুগতিক সাংস্কৃতিক বোধ জড়িয়ে তাদের মধ্যে প্রভেদ সৃষ্টি করা হলে, তাকে লিঙ্গবৈষম্য বলে।

উঃ-নারীর অধিকার সম্পর্কে সাধারণ মানুষকে সচেতন করে তোলা, বৈষম্যমূলক আচরণের বিরোধিতা করা এবং নারী নির্যাতন প্রতিরোধ করার পক্ষে প্রচারমূলক কর্মসূচি হল নারী আন্দোলনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

উঃ-জলের অপচয়, অতি ব্যবহার ও অপ্রয়োজনীয় খরচ বন্ধ করা এবং বৃষ্টির জল সংগ্রহ করে ব্যবহার করলে জলের সংকট থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।

উঃ-শিল্পজাত আবর্জনা, শহরের নোংরা জল, কৃষিতে ব্যবহৃত কীটনাশক প্রভৃতি জলে মেশার ফলে জলের গুণমান ক্রমাগত কমে যাচ্ছে।

উঃ-ভূগর্ভস্থ জলের পরিমাণ ও নদীসমূহে জলের পরিমাণ কমে যাওয়া এবং পানীয় জলে নানা প্রকারের দূষণের ফলে পানীয় জলের সংকট দেখা যাচ্ছে।

উঃ-22 মার্চ দিনটিকে বিশ্ব জলদিবস বলে।

জলের অপচয় ও অবনমন রোধ করার সচেতনতা বাড়াতে বিশ্ব জল দিবস পালন করা হয়।

উঃ-সমাজের প্রত্যেকটি মানুষেরই একের আপদেবিপদে অন্যের পাশে এসে দাঁড়ানো উচিত। সংসারে বা সমাজে কেবলমাত্র নিজের স্বার্থ নিয়ে চিন্তাভাবনা করার জন্য আমরা মানুষ হিসেবে জন্মগ্রহণ করিনি। প্রীতি-ভালোবাসা- সেবা ইত্যাদির মাধ্যমে বহুজনের কল্যাণে আত্মনিয়োগ করলে আমরা নিজেরা সমৃদ্ধ হব, সর্বোপরি মানুষ হিসেবে নিজেদের পরিচয় দিতে পারব এবং সার্থকভাবে বাঁচব।