Chapter-13, The Comedy of Errors

Ans:-Antipholus of Syracuse was angry with Dromio as he pressed him to meet his wife Adriana. (সিরাকুজের অ্যান্টিফোলাস ড্রমিও-র ওপর রেগে গেলেন কারণ সে তাকে তার স্ত্রী অ্যাড্রিয়ানার সঙ্গে সাক্ষাৎ করার জন্য পীড়াপীড়ি করল।)

Ans:-Antipholus beat Dromio because he told him that his wife Adriana ordered him to fetch him home. But Antipholus had no wife and he knew Dromio, his slave, knew it well. (অ্যান্টিফোলাস ড্রমিওকে প্রহার করলেন কারণ সে তাকে বলল যে তার স্ত্রী অ্যাড্রিয়ানা তাকে বাড়িতে ধরে নিয়ে যেতে তাকে পাঠিয়েছেন। কিন্তু অ্যান্টিফোলাস অবিবাহিত ও তিনি এটা ভালোভাবেই জানেন যে ড্রমিও তার চাকর।)

Ans:-Adriana was a woman of jealous temper and suspicious nature. (অ্যাড্রিয়ানা সন্দেহবাতিকগ্রস্ত ও হিংসুটে মহিলা।)

 Ans:-Antipholus of Syracuse met Adriana first near an inn in Ephesus. (এফিসাসের এক সরাইখানার কাছে অ্যাড্রিয়ানার সঙ্গে সিরাকুজের অ্যান্টিফোলাসের প্রথম দেখা হল।)

Ans:-Luciana was the sister of Adriana. (অ্যাড্রিয়ানার বোন হল লুসিয়ানা)

Ans:-Adriana's cook-maid claimed Dromio as her husband. (অ্যাড্রিয়ানার রাঁধুনি-পরিচারিকা ড্রমিওকে তার স্বামী বলে দাবি করল।)

Ans:-Real Antipholus went away from his own house in anger because he came to learn that his wife was dining with another man. (সত্যিকারের অ্যান্টিফোলাস নিজের বাড়ি থেকে চলে এলেন কারণ তিনি জানতে পারেন যে তার স্ত্রী অন্য একজন ব্যক্তির সঙ্গে মধ্যাহ্নভোজ সারছেন।)

Ans:-Antipholus of Syracuse escaped from the house of Adriana as she treated him as her husband. (সিরাকুজের অ্যান্টিফোলাস অ্যাড্রিয়ানার বাড়ি ছেড়ে চলে এলেন কারণ সে অ্যাড্রিয়ানা তার স্বামীর কথা ভেবে তার সঙ্গে আচরণ করছিল।)

Ans:-Luciana alone pleased Antipholus in the house of Adriana. (অ্যাড্রিয়ানার বাড়িতে কেবল লুসিয়ানা অ্যান্টিফোলাসকে খুশি করল।)

Ans:-A goldsmith offered Antipholus a gold chain. (একজন স্বর্ণকার অ্যান্টিফোলাসকে একটি সোনার হার দিল।)

Ans:-The real owner of the gold chain was Antipholus of Ephesus. (সোনার হারটির আসল মালিক ছিলেন এফিসাসের অ্যান্টিফোলাস।)

Ans:-Antipholus of Syracuse refused the gold chain as he knew that he was not its real owner. (সিরাকুজের অ্যান্টিফোলাস সোনার হারটি নিতে চাইলেন না কারণ তিনি জানতেন যে এটার আসল মালিক তিনি নন।)

Ans:-Antipholus was arrested as the goldsmith brought against him the charge of the non-payment for the gold chain. (স্বর্ণকার অ্যান্টিফোলাসকে সোনার হার দিয়েও টাকা না পাওয়ার অভিযোগ করায় তাকে গ্রেফতার করা হল)

Ans:-Adriana bound Antipholus with ropes. (অ্যাড্রিয়ানা অ্যান্টিফোলাসকে দড়ি দিয়ে বেঁধে রাখল।)

Ans:- The abbess was actually the wife of Aegeon. (আসলে মঠাধ্যক্ষা ছিলেন এজিঅনের স্ত্রী।)

Ans:-Antipholus of Syracuse took shelter in the convent of the Abbess. (সিরাকুজের অ্যান্টিফোলাস মঠাধ্যক্ষার কনভেন্টে আশ্রয় নেন।)

Ans:-The place of execution was near the convent of the abbess. (মঠাধ্যক্ষার কনভেন্টের কাছেই ছিল ফাঁসি দেওয়ার জায়গা।)

Ans:-Adriana came to meet the Duke asking for justice as the abbess refused to hand over her lunatic husband to her. (অ্যাড্রিয়ানা ডিউকের সঙ্গে দেখা করতে এল বিচার চেয়ে কারণ মহিলা মঠাধ্যক্ষা তার হাতে তার পাগল স্বামীকে তুলে দিতে অস্বীকার করেছিলেন।)

Ans:-Adriana's husband came to the Duke to complain that his wife had confined him on a false charge of lunacy. (অ্যাড্রিয়ানার স্বামী ডিউকের কাছে এলেন এই অভিযোগ জানাতে যে তার স্ত্রী তার পাগলামির মিথ্যা অভিযোগে তাকে বন্দি করে রেখেছিল।)

Ans:-The wise Duke of Ephesus first understood the problems of mistaken identity. (ভুল পরিচয়ের ফলে উদ্ভূত সমস্যাগুলি সম্পর্কে প্রথম বুঝতে পারলেন এফিসাসের বিচক্ষণ ডিউক।)

Ans:-The wise Duke of Ephesus first understood the problems of mistaken identity. (ভুল পরিচয়ের ফলে উদ্ভূত সমস্যাগুলি সম্পর্কে প্রথম বুঝতে পারলেন এফিসাসের বিচক্ষণ ডিউক।)

Retell in your own words the story of Aegeon's misfortune as you find narrated to the Duke of Ephesus in 'The Comedy of Errors', (The Comedy of Errors' ('ভ্রান্তিবিলাস') নাটকে ডিউককে এজিঅন তার দুর্ভাগ্যের যে কাহিনিটি বর্ণনা করেছিলেন তা তুমি নিজের ভাষায় লেখো।) Or,Rewrite in your own words the story of Aegeons life. (এজিঅনের জীবনের গল্পটা তোমার নিজের খাতায় লেখো।) [Text Book Exercise (HS Council-2013)] Ans:-Aegeon came to Ephesus in search of his youngest son. He knew the cruel law of the land. But he lost all hopes of life. And he could not but come there as he had already searched every nook and corner for his missing son in vain. Here he was arrested and brought before the Duke. The Duke asked him why he took the risk of life. In answer Aegeon told him the tale of his misfortune.

Aegeon was a merchant of Syracuse. Once he went to Epidamnum on an urgent piece of business. He had to stay there a longer period of time than expected. He brought his wife there. Here she gave birth twin sons. On the day of their birth a poor woman too gave birth twin sons. Aegeon bought the poor woman's sons as attendants of his twin sons in future. Aegeon was exceedingly happy to have a fine family. But his happiness did not last long. On his way to Syracuse the family met with a shipwreck. Aegeon tried by all means to save his wifeand children. He tied his youngest son and the youngest slave to a spare mast and the eldest son and the eldest slave to the other mast. He took the charge of his youngest son and the youngest slave. And his wife was given the charge of his eldest son and eldest slave. In course of time they were separated from each other. Somehow both the groups survived. But Aegeon lost his wife and the eldest son. The youngest son had been with him. But when he became adult he left the house in search of his missing brother and mother. Five years and more had passed. He did not come back home. Now Aegeon could not wait more. He was out to find them out. And in course of travel he came to Ephesus. Losing all his near and dear ones, Aegeon found life meaningless. This was the story of misfortune of Aegeon.

(এজিঅন তাঁর কনিষ্ঠ পুত্রের সন্ধানে এফিসাসে এলেন। তিনি এ দেশের নিষ্ঠুর আইনটা জানতেন। কিন্তু জীবনের প্রতি তার কোনো আশা ছিল না। নিরুদিষ্ট পুত্রের ব্যর্থ সন্ধানে সর্বত্র ভ্রমণ করে তার এই দেশে না এসে তিনি থাকতে পারলেন না। এখানে এসেই তিনি গ্রেফতার হলেন ও তাঁকে ডিউকের সামনে হাজির করা হল। ডিউক তাকে জিজ্ঞাসা করলেন কেন তিনি জীবনের ঝুঁকি নিলেন। উত্তরে এজিঅন তাঁকে তার দুর্ভাগ্যের কাহিনি বললেন।

এজিঅন ছিলেন সিরাকুজের বণিক। একবার তিনি জরুরি ব্যবসার কাজে এপিডামনামে যান। যতদিন থাকার কথা তার থেকে অনেকটা বেশি সময় তিনি সেখানে থাকতে বাধ্য হন। তিনি তাঁর স্ত্রীকে সেখানে আনেন। এখানে তিনি যমজ পুত্রের জন্ম দেন। ওই দুজনের জন্মদিনে এক গরিব মহিলাও যমজ পুত্রের জন্ম দেন। এজিঅন ওই দরিদ্র মহিল দুই পুত্রসন্তানকে তাঁর সন্তানদের ভবিষ্যতের সহচর হিসেবে ক্রয় করেন। এজিঅন এই চমৎকার এক পরিবার লাভ করে অতিশয় আহ্লাদিত হন। কিন্তু তাঁর এই আনন্দ দীর্ঘস্থায়ী হল না। সিরাকুজ আসার পথে এই পরিবারটি জাহাজডুবির কবলে পড়ল। এজিঅন সর্বতোভাবে তার স্ত্রী ও ছেলেগুলোর জীবন রক্ষা করতে সচেষ্ট হলেন। তিনি একটি পরিত্যক্ত মাস্তুলের সঙ্গে তাঁর কনিষ্ঠ পুত্র ও কনিষ্ঠ দাসটিকে বাঁধলেন যার অন্য একটা মাস্তুলের সঙ্গে তাঁর জ্যেষ্ঠ পুত্র ও জ্যেষ্ঠ দাসটিকে বাঁধলেন। তিনি তাঁর পুত্র ও কনিষ্ট দাসটির দায়িত্ব নিলেন। আর তাঁর স্ত্রীকে জ্যেষ্ঠ পুত্র ও জ্যেষ্ঠ দাসের দায়িত্বভার দেওয়া হল। কালক্রমে তাঁরা একে অপরের থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেলেন। কোনোভাবে দুটি দলই বেঁচে গেল। কিন্তু এজিঅন তাঁর স্ত্রী ও জ্যৈষ্ঠ পুত্রকে হারালেন। কনিষ্ঠ পুত্রটি তাঁর সঙ্গে থাকল। কিন্তু যখন সে সাবালক হল, সে তার নিরুদিষ্ট মা ও ভাইয়ের সন্ধানে বাড়ি ছাড়ল। পাঁচ বছরেরও বেশি কেটে গেল। সে বাড়ি ফিরে এল না। এজিঅন আর ধৈর্য ধরতে পারলেন না। তিনি তাকে খুঁজতে বের হলেন। আর যাত্রাপথে তিনি এফিসাসে পৌঁছোলেন। প্রিয়জনদের হারিয়ে এজিঅনের মনে হল জীবন অর্থহীন। এটাই এজিঅনের দুর্ভাগ্যের কাহিনি।)

Ans:-Aegeon was coming back from Edidamnum to Syracuse. His wife, his twin sons and twin slaves were with him. They were in a ship. Suddenly a terrible storm arose. The sailors left the ship. Aegeon and his family were left forlorn in the ship. His wife and the children began to cry in great panic. Aegeon was in utter helplessness. He did not know what to do. Suddenly an idea came into his mind. He used two spare masts of the ship. He tied his youngest son and the youngest slave to one end of a mast. He directed his wife to do the same for the eldest son and the eldest slave. Now they took the charge of the two masts separately. The storm ship dashed against a mighty rock in pieces. With the help of the masts they tried to stay above the water. Aegeon could not help his wife to direct her mast as he was then busy of his own mast. Sometime after, he found his wife and children taken up by a boat of fishermen. Now Aegeon struggled hard to save the life of other children. Fortunately, they were taken up by a ship. The sailors were known to him. They helped Aegeon and the children land in safety at Syracuse. But from that sad hour Aegeon had never known what befell to his wife and other children. Practically he lost them.

(এজিঅন এপিডামনাম থেকে সিরাকুজে ফিরছিলেন। তাঁর সঙ্গে ছিল তাঁর স্ত্রী, যমজ পুত্র ও যমজ দাস। তারা ছিল একটি জাহাজে। হঠাৎ ভয়ংকর এক ঝড় উঠল। নাবিকেরা জাহাজ ত্যাগ করল। এজিঅন ও আর তাঁর পরিবার জাহাজে নিঃসঙ্গ হয়ে পড়ল। চরম আতঙ্কে তাঁর স্ত্রী ও ছেলেগুলো কান্নাকাটি জুড়ে দিল। এজিঅন চরম অসহায়তার মধ্যে পড়লেন। তিনি হতভম্ব হয়ে পড়লেন। হঠাৎ তার মনে একটা মতলব এল। তিনি জাহাজের দুটি পরিত্যক্ত মাণ্ডুলকে ব্যবহার করলেন। তিনি তাঁর কনিষ্ঠ পুত্র ও কনিষ্ঠ দাসটিকে একটা মান্ডুলের এক প্রান্তে বাঁধলেন। তিনি তাঁর স্ত্রীকে জ্যৈষ্ঠ পুত্র ও জ্যৈষ্ঠ দাসের জন্য একই কাজ করার নির্দেশ দিলেন। তারপর তাঁরা আলাদা আলাদাভাবে দুটি মাণ্ডুলের দায়িত্ব নিলেন। ঝড়ে আন্দোলিত জাহাজটি একটি বিশাল প্রস্তরখণ্ডের সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে টুকরো টুকরো হয়ে গেল। মাস্তুলগুলোর সাহায্যে তাঁরা জলের ওপর ভেসে থাকার চেষ্টা করলেন। এজিঅন তাঁর স্ত্রীর মাস্তুলটিকে চালনা করতে সাহায্য করতে পারলেন না কারণ তিনি তখন নিজের মাণ্ডুলটি নিয়েই ব্যস্ত ছিলেন। কিছুক্ষণ পর তিনি দেখলেন যে তার স্ত্রী ও শিশুগুলিকে একটি জেলেদের নৌকোয় তোলা হল। এখন এজিঅন অন্যান্য শিশুর জীবন রক্ষা করতে লড়াই করতে লাগলেন। সৌভাগ্যক্রমে একটা জাহাজ তাদের রক্ষা করল। ওই জাহাজের নাবিকরা তার পরিচিত ছিল। তারা এজিঅন ও শিশুদের সিরাকুজে নিরাপদে পৌঁছে দিল। কিন্তু সেই দুঃখময় সময় থেকে এজিঅন জানতে পারেননি যে তার স্ত্রী ও শিশুগুলির কী ঘটল। প্রকৃতপক্ষে তিনি তাদের হারালেন।)

Ans:- Aegeon lost his eldest son after the shipwreck. The son was then a mere child. The youngest son lived with Aegeon. But at the age of eighteen he too left his father and went on travelling in search of his brother and mother. Thus Aegeon lost his two sons. Five years had already passed. Aegeon could not find him. He left his country. He travelled far and wide to find his son out. In course of his travel he entered Ephesus. He knew the cruel law of this land. He knew that an inhabitant of Syracuse was put to death or heavily fined if he entered here. But Aegeon lost all hopes of life. Anyway, Aegeon was caught by the Duke's men in Ephesus. The Duke told him to give the fine. Aegeon was then penniless. The Duke gave him death sentence. Surprisingly enough Aegeon's eldest son Antipholus of Ephesus was then living in Ephesus. Practically speaking, he had been there since his childhood. He held a high position in the Duke's army. And he was a very rich man. But he could not help his father. It was simply because he knew not that Aegeon was his father. Again, Aegeon's youngest son, Antipholus of Syracuse too had been at Ephersus. He heard that one of his countrymen was caught and given capital punishment. But he knew not that it was his unfortunate father who was a victim of the cruel law of the land. Therefore both of Aegeon's twin sons failed to provide help and support to their father whose life was in danger.

(জাহাজডুবির পর এজিঅন তার জ্যেষ্ঠ পুত্রকে হারান। তখন সন্তানটি একেবারে শিশু ছিল। কনিষ্ঠ পুত্রটি এজিঅনের কাছে ছিল। কিন্তু তার যখন ১৮ বছর বয়স সেও তার বাবাকে ত্যাগ করে তার নিরুদিষ্ট দাদা ও মায়ের সন্ধানে বেরিয়ে পড়ল। এইভাবে এজিঅন দুই পুত্রকেই হারালেন। পাঁচটা বছর কেটে গেল। এজিঅন তার খোঁজ পেলেন না। তিনি স্বদেশ ত্যাগ করলেন। সন্তানকে খুঁজে বার করার জন্য তিনি দেশে দেশে ঘুরতে লাগলেন। ঘুরতে ঘুরতে তিনি এলেন এফিসাসে। তিনি এ দেশের নিষ্ঠুর নিয়মটা জানতেন। তিনি জানতেন যে সিরাকুজের কোনো বাসিন্দা যদি এখানে প্রবেশ করে তাহলে হয় তাকে হত্যা করা হয় অথবা তাকে প্রচুর অর্থ জরিমানা করা হয়। কিন্তু এজিঅনের বাঁচার ইচ্ছা ছিল না। যাইহোক, এফিসাসে ডিউকের লোকেরা তাঁকে ধরল। ডিউক তাকে জরিমানার অর্থ দিতে বললেন। এজিঅন তখন কপর্দকশূন্য। ডিউক তাকে মৃত্যুদণ্ড দিলেন। আশ্চর্যজনক ব্যাপার এই যে, এজিঅনের জ্যেষ্ঠ পুত্র এফিসাসের অ্যান্টিফোলাস তখন এফিসাসেই ছিলেন। সত্যি কথা বলতে কি, তিনি সেখানে শৈশব থেকেই ছিলেন। ডিউকের সৈন্যবাহিনীতে তিনি উচ্চপদে ছিলেন এবং তিনি অত্যন্ত ধনবান। কিন্তু তিনি তার বাবাকে সাহায্য করতে পারেননি। এর একমাত্র কারণ এই যে, তিনি জানতেন না যে এজিঅনই তার বাবা। অন্যদিকে এজিঅনের কনিষ্ঠ পুত্র সিরাকুজের অ্যান্টিফোলাসও তখন এফিসাসে ছিলেন। তিনি শুনেছিলেন যে তাঁর দেশের একজন গ্রেফতার হয়েছেন এবং তাকে মৃত্যুদন্ডে দণ্ডিত করা হয়েছে। কিন্তু তিনি জানতেন যে তার হতভাগ্য বাবাই এ দেশের নিষ্ঠুর নিয়মের শিকার হয়েছেন। সেইজন্য এজিঅনের দুই পুত্রই তাদের বাবাকে সাহায্য ও সমর্থন দিতে পারেন নি, যিনি বিপদগ্রস্ত।)

Ans:-The goldsmith of Ephesus created a lot of complications in the play, 'The Comedy of Errors'. All happened due to mistaken identity. And he cannot be held responsible for the confusions we find in the play. Antipholus of Ephesus ordered a gold chain for his wife, Adriana. He was a regular customer of the goldsmith. Naturally, he finished it and was on his way to deliver it to his customer. On the street he met Antipholus of Syracuse. Both Antipholus looked exactly alike. In fact, they were twins. As such one could hardly distinguish them. Obviously the goldsmith took youngest Antipholus for his own customer and handed the gold chain over to him. Now, Antipholus of Syracuse tried to prevent him. But the goldsmith found no reason to have it back. In the meantime the goldsmith was arrested by the Duke's men as he failed to pay his debt. The goldsmith was on the street. There he chanced to meet Antipholus of Ephesus. Now, the goldsmith found a chance to pay his debt. He claimed the money from Antipholus of Ephesus. But he knew not anything about the gold chain episode. For, he was not given the ornament. He was totally dismayed. He thought that a false charge was being brought against him. But the goldsmith told firmly that Antipholus was the man whom he offered the gold chain. It was indeed a puzzling situation, The Duke's men could not find out what to do. Hence they arrested both. In this way the goldsmith created a lot of complications in the play.

('কমেডি অফ এররস্' নাটকে স্বর্ণকার প্রচুর জটিলতার সৃষ্টি করে। এইসব ঘটে ভুল পরিচয়ের দরুন। আর এই নাটকে আমরা যে সব বিভ্রান্তি দেখতে পাই তার জন্য তাকে দায়ী করা যায় না। এফিসাসের অ্যান্টিফোলাস তার স্ত্রী অ্যাড্রিয়ানার জন্য একটি সোনার হারের অর্ডার দেয়। তিনি স্বর্ণকারের নিয়মিত খরিদ্দার। স্বভাবতই সে এটা তৈরি করে অ্যান্টিফোলাসকে দিতে আসে। রাস্তায় তার সঙ্গে সাক্ষাৎ হয় সিরাকুজের অ্যান্টিফোলাসের। দুই অ্যান্টিফোলাসকে একেবারে একই রকম দেখতে। প্রকৃতপক্ষে তারা যমজ। ফলে কারও পক্ষে তাঁদের পৃথক করা কঠিন। স্পষ্টতই স্বর্ণকার কনিষ্ঠ অ্যান্টিফোলাসকে তার পুরোনো খন্দের হিসেবে মনে করল আর তার হাতে সোনার হারটা তুলে দিল। এখন সিরাকুজের অ্যান্টিফোলাস তাকে বাধা দিতে চেষ্টা করল। কিন্তু স্বর্ণকার সেটা ফেরত নেওয়ার কোনো কারণ খুঁজে পেল না। ইতিমধ্যে ডিউকের লোকজন স্বর্ণকারকে দেনা শোধ দিতে ব্যর্থ হওয়ার দুরন গ্রেফতার করল। স্বর্ণকার তখন রাস্তায়। সেখানে তার এফিসাসের অ্যান্টিফোলাসের সঙ্গে দেখা হয়ে গেল। তখন স্বর্ণকার তার দেনা পরিশোধের একটা সুযোগ পেল। সে এফিসাসের অ্যান্টিফোলাসের কাছ থেকে টাকা দাবি করল। কিন্তু তিনি সোনার হার সংক্রান্ত ঘটনার কথা কিছুই জানতেন না। কারণ, তাকে ওই অলংকারটা দেওয়াই হয়নি। সে সম্পূর্ণরূপে হতবাক হয়ে গেল। সে ভাবল তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ আনা হয়েছে। কিন্তু স্বর্ণকার দৃঢ়ভাবে বলল যে অ্যানিফোলাসই সেই লোক যাকে সে সোনার হারটা দিয়েছিল। এটা প্রকৃতই একটা বিভ্রান্তিকর পরিস্থিতি। ডিউকের লোকজন কোন্‌টা যে কী তা বুঝে উঠতে পারল না। তাই তারা উভয়কেই গ্রেফতার করল। এইভাবে স্বর্ণকার নাটকে জটিলতার সৃষ্টি করল।)

Ans:-Antipholus of Syracuse came to Ephesus in search of his lost brother and mother. He did not know that they had already been living at Ephesus. Antipholus could not give his own identity for fear of fine or death sentence. He stayed at an inn. With him was his trusted slave Dromio. He gave Dromio some money and wanted him to come back after some time. In the meantime, Dromio's eldest counterpart found Antipholus of Syracuse loitering on the street. Both Antipholuse and Dromio were twins and looked exactly alike. Hence the misunderstanding was inevitable. Now the eldest Dromio told Antipholus to meet his wife at home. Antipholus of Syracuse was a bachelor. He could not make out why someone claimed him as her husband. It was very strange to him. Somehow he drove Dromio out. But a little later Adriana who was the wife of Antipholus of Ephesus appered before him in person. Antipholus was totally dumbfounded. Adriana reproached him publicly and brought change of infidelity against him. Finally he was forced to go with her in her house. There he had to dine with her. Here again the cook-maid claimed Dromio, his slave, as her husband. Both Antipholus and his slave were at their wit's end. Leaving the house secreatly they started walking along the street. Now somethingTHE happened that completely outwitted them. A gold-smith offered Antipholus a gold chain. He tried to present him. But he did not pay heed to him. He told him that he had made the ornament as per his order. Again, a tailor of Ephesus showed him some silks which he had bought for him and insisted upon taking measure for some clothes. All this led Antipholus think that he was among a native of sorcerers and witches.

(নিরুদিষ্ট ভাই ও মায়ের খোঁজে সিরাকুজের অ্যান্টিফোলাস এফিসাসে এলেন। তিনি জানতেন না যে তারা এফিসাসেই বাস করছেন। জরিমানা বা মৃত্যুদণ্ডের ভয়ে অ্যান্টিফোলাস তার নিজের পরিচয় প্রকাশ করতে পারলেন না। তিনি একটি সরাইখানায় ছিলেন। তাঁর সঙ্গে ছিল তাঁর বিশ্বস্ত দাস ড্রমিও। তিনি ড্রমিওকে কিছু টাকা দিলেন এবং কিছুক্ষণ পর তাকে ফিরে আসতে বললেন। ইতিমধ্যে ড্রমিওর অবিকল প্রতিরূপ তার বড়োদাদা সিরাকুজের অ্যান্টিফোলাসকে রাস্তায় ঘোরাঘুরি করতে দেখল। অ্যান্টিফোলাস ও ড্রমিও উভয়েই ছিলেন যমজ আর একইরকম দেখতে। তাই ভুল বোঝাবুঝি ছিল অনিবার্য। জ্যেষ্ঠ ড্রমিও অ্যান্টিফোলাসকে বলল বাড়িতে তার স্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে। সিরাকুজের অ্যান্টিফোলাস ছিল অবিবাহিত। তিনি বুঝতে পারলেন না কেন কেউ তাকে স্বামী হিসেবে দাবি করছে। এটা তার কাছে অদ্ভুত ঠেকল। যে-কোনোভাবে তিনি ড্রমিওকে তাড়িয়ে দিলেন। কিন্তু অল্প কিছুক্ষণ পরে এফিসাসের অ্যান্টিফোলাসের স্ত্রী আড্রিয়ানা সশরীরে তার সামনে এসে হাজির হল। অ্যান্টিফোলাস পুরোপুরি হতবাক হয়ে গেলেন। আড্রিয়ানা তাকে প্রকাশ্যে ভর্ৎসনা করে তার বিরুদ্ধে বিশ্বাসঘাতকতার অভিযোগ আনল। অবশেষে তিনি বাধ্য হলেন তার সঙ্গে তার বাড়ি যেতে। সেখানে তার বাড়িতে তার সঙ্গে তাঁকে মধ্যাহ্নভোজে যোগ দিতে হল। এখানে আবার রাঁধুনি পরিচারিকা তার চাকর ড্রমিওকে তার স্বামী হিসেবে দাবি করল। অ্যান্টিফোলাস ও ড্রমিও উভয়েই কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে গেলেন। গোপনে সেই বাড়ি ত্যাগ করে তারা রাস্তা দিয়ে হাঁটতে লাগলেন। এবার এমন একটা ঘটনা ঘটল যা সম্পূর্ণভাবে তাদের হতবুদ্ধি করে দিল। একজন স্বর্ণকার অ্যান্টিফোলাসকে একটি সোনার চেন হাতে ধরিয়ে দিল। সে তাকে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করল। কিন্তু স্বর্ণকার তার কথায় কান দিল না। সে তাকে বলল যে তার আদেশমতোই সে অলংকারটি তৈরি করেছে। আবার এফিসাসের একজন দর্জি তাকে কিছু রেশমের কাপড় দেখাল যেগুলি সে তার জন্য কিনেছে আর তার পোশাক বানানোর জন্যে তাকে মাপ দিতে জোরাজুরি করতে লাগল। এই সব কিছু দেখে অ্যান্টিফোলাস মনে মনে ভাবলেন যে সে জাদুকর ও ডাইনিদের রাজত্বে চলে এসেছে।)

Ans:- ‘Mistaken identity' is at the root of all errors and resultant confusions in 'The Comedy of Errors'. Because it affects the lives of almost all the characters in the play. Both the twin sons of Aegeon are to pay the price for it. Antipholus of Ephesus is the elder son of Aegeon. The father loses his son when he is a mere child. Since them he has been living in Ephesus. There he occupies a good position in the Duke's army. He marries a rich lady, named Adriana. But with the entry of his brother Antipholus of Syracuse the situtation becomes awkward for him. Two brothers are exactly alike in look and appearance. Obviously everyone confuses with two Antipholuses time and again. First comes the confusion in the mind of elder Dromio. He is ordered by Adriana to bring her husband home. But Dromio meets Antipholus of Syracuse and tells him to go to his house. Antipholus beats him and drives him away. Then comes Adriana who vehemently reprimands Antipholus and brings him home. Now the real husband of Adriana comes to hishouse. But he is not allowed to enter there. Adriana does not know that the man with whom she is dining is not her husband. The real Antipholus is thus driven out of his own house. Next comes the confusion of a goldsmith. He gives a gold chain to Antipholus of Syrachuse thinking him as his elder brother who ordered him to make it. A little later the goldsmith is arrested for his inability to pay a debt and on the street he meets his old customer Antipholus of Ephesus. But the elder Antipholus knows next to nothing of the whole affair. He refuses to pay the price of the chain which he does not get. This angers the goldsmith and he gets Antipholus arrested by the Duke's men. Thus Antipholus is punished for no fault of his own.

(ভুল পরিচয় 'The Comedy of Errors' নাটকে সমস্ত বিভ্রান্তি ও ফলশ্রুতি সকল বিশৃঙ্খলার। কারণ এটি নাটকের সমস্ত চরিত্রকে কমবেশি দুর্ভোগ দেয়। এজিঅনের যমজ পুত্রকে এর জন্যে অনেক মূল্য দিতে হয়। এফিসাসের অ্যান্টিফোলাস এজিঅনের বড়ো পুত্র। বাবা তার ছেলেকে হারান যখন সে একেবারেই শিশু। তারপর থেকে সে এফিসাসেই বাস করে আসছে। সেখানে ডিউকের সৈন্যবাহিনীতে সে একটি উচ্চপদে আসীন। তিনি অ্যাড্রিয়ানা নামে একটি ধনী মহিলাকে বিবাহ করেন। কিন্তু তার ভাই সিরাকুজের অ্যান্টিফোলাস এফিসাসে আসার সঙ্গে সঙ্গে অবস্থাটা বিশ্রী পর্যায়ে চলে যায়। দুই ভাই চেহারা হাবভাবে একইরকম দেখতে। স্পষ্টতই প্রত্যেকে দুই অ্যান্টিফোলাসকে নিয়ে বারবার ভুল করে বসে। প্রথম বিভ্রান্তি আসে বড়ো ড্রমিওর মনে। অ্যাড্রিয়ানা তার স্বামীকে বাড়িতে আনার জন্য তাকে হুকুম দেয়। কিন্তু ড্রমিও সিরাকুজের অ্যান্টিফোলাসের সঙ্গে দেখা করে তাকে বাড়িতে যেতে বলে। অ্যান্টিফোলাস তাকে মেরে তাড়িয়ে দেয়। তখন আসেন আড্রিয়ানা যিনি। অ্যান্টিফোলাসকে তীব্রভাবে ভর্ৎসনা করেন এবং তাকে বাড়িতে নিয়ে যান। আড্রিয়ানার প্রকৃত স্বামী বাড়িতে আসেন। কিন্তু তিনি বাড়িতে ঢোকার অনুমতি পান না। আড্রিয়ানা জানে না যে, যে লোকটির সঙ্গে সে দুপুর- বেলার খাবার খাচ্ছে তিনি তার স্বামী নন। প্রকৃত অ্যান্টিফোলাস এভাবেই তার বাড়ি থেকে বিতাড়িত হন। এরপর স্বর্ণকারের বিভ্রান্তি হয়। সে সিরাকুজের অ্যান্টিফোলাসকে তার বড়োদাদা ভেবে একটি সোনার হার দেয়। যেটি তিনি স্বর্ণকারকে তৈরি করতে বলেছিলেন। কিছুক্ষণ পর দেনা পরিশোধ করতে না পারার জন্য গ্রেফতার হয় স্বর্ণকার আর রাস্তাতেই তার দেখা হয় তার পুরোনো খরিদের এফিসাসের অ্যান্টিফোলাসের সঙ্গে। কিন্তু বড়ো অ্যান্টিফোলাস পুরো ব্যাপারটা সম্পর্কে কিছুই জানে না। যে হারটা সে পায়নি তার টাকা দিতে সে অস্বীকার করে। এতে স্বর্ণকার চটে গিয়ে ডিউকের লোকদের দিতে অ্যান্টিফোলাসকে গ্রেফতার করায়। এইভাবেই নিজের কোনো দোষ না থেকেও এফিসাসের অ্যান্টিফোলাসের শাস্তি হয়।)

Ans:-Abbess is actually the wife of Aegeon and mother of twin Antipholuses. After the separation from her husband she has been living at Ephesus. She also loses her son Antipholus. The fishermen who saved the life of abbess and her son took away the child from her. Losing her son wife of Aegeon decided to settle at Ephesus as a nun. She leads a very simple, austere life at the convent. She is completely out of focus in the beginning of the play. We discover her first when the youngest Antipholus gets into her convent out of fear from Adriana. Adriana claims him as her husband. Antipholus denies it pointblank. He knows well that he does not know Adriana. But Adriana does not know that she knows not this Antipholus. The net outcome is mistuned standing. Now Antipholusof Syracuse takes shelter in the nun's home. She comes out to meet Adriana who demands that her husband must be handed over to her. Lady Abbess hears that tale of the wife. She is judicious enough to see into the character of Adriana. She reproaches her for bad temper. She points out her loopholes and demerits as a wife. She holds her responsible for their unhappy conjugal life. Even she goes so far as to make Adriana conjugal her guilt. In this way she somehow corrects Adriana. Under her influence Adriana is led to think about her defects as a wife.

(মঠবাসিনী মঠাধ্যক্ষা আসলে এজিঅনের স্ত্রী ও যমজ অ্যান্টিফোলাসের মা। তার স্বামীর কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার পরে তিনি এফিসাসেই বাস করে আসচ্ছেন। তিনি তার পুত্র অ্যান্টিফোলাসকেও হারান। যে জেলেরা তার এবং তার ছেলের জীবন রক্ষা করেছিল তারা তার শিশুপুত্রকে তার কাছ থেকে কেড়ে নেয়। সন্তানকে হারিয়ে এজিঅনের স্ত্রী এফিসাসে সন্ন্যাসিনী হিসেবে বসবাস করতে থাকেন। তিনি একটি কনভেন্টে, অত্যন্ত সহজ, সরল ও কঠোর জীবন যাপন করতে থাকেন। নাটকের শুরুতে তিনি পুরোপুরি দৃষ্টির বাইরে থাকেন। আমরা তাঁকে প্রথম আবিষ্কার করি যখন কনিষ্ঠ অ্যান্টিফোলাস আড্রিয়ানার ভয়ে ভীত হয়ে তাঁর কনভেন্টের ভিতরে প্রবেশ করে। অ্যাড্রিয়ানা তাকে স্বামী হিসেবে দাবি করে। তিনি ভালো করেই জানেন সে আড্রিয়ানাকে চেনেন না। কিন্তু অ্যাড্রিয়ানা জানেন না তিনি এই অ্যান্টিফোলাসকে চেনেন না। তাই এর পরিণতি হল ভুল। বোঝাবুঝি। এখন সিরাকুজের অ্যান্টিফোলাস সন্ন্যাসিনীর ঘরে আশ্রয় নেন। তিনি অ্যাড্রিয়ানার সঙ্গে দেখা করতে বেরিয়ে আসেন। যিনি দাবি করে যে তার হাতে তার স্বামীকে তুলে দিতে হবে। সন্ন্যাসিনী মহিলাটির কাহিনি শোনেন। তিনি যথেষ্ট বিচক্ষণ বলেই আড্রিয়ানার চরিত্রটা বুঝতে পারেন। তিনি তাকে তার বদমেজাজের জন্য ভর্ৎসনা করেন। তিনি (সন্ন্যাসিনী) স্ত্রী হিসেবে তার দোষত্রুটিগুলোকে ধরিয়ে দেন। তাদের অসুখী দাম্পত্য জীবনের জন্য তিনি তাকে দাবি করেন। এমনকি তিনি তাকে এতটাই ভর্ৎসনা করেন যে অ্যাড্রিয়ানা তার দোষ কবুল করে। এইভাবে তিনি কোনো প্রকারে অ্যাড্রিয়ানাকে সংশোধন করেন। তাঁর প্রভাবে এসে অ্যাড্রিয়ানা ভাবতে শুরু করে স্ত্রী হিসেবে তার দোষত্রুটির কথা।)

Ans:-Antipholus Younger and Dromio Younger were forced to go to the palace of Adriana. Adriana took Antipholus younger for her husband. She reproached him for his indifference to her. Adriana arranged a nice dinner for him. Antipholus Younger was completely dumbfounded. He was led to think that he might marry Adriana in sleep. However, Dromio Younger was not less surprised in the house. The cook-maid claimed him to be her husband. Adriana's sister Luciana too called Antipholus her brother-in-law. When Antipholus Younger and his servant Dromio Younger were having dinner in the house of Adriana, the real owner of the house, the elder Antipholus with his own servant, elder Dromio returned house to dinner. But the servants did not allow them inside. It was the order of the mistress that none would be permitted to come into the house to disturb her. The elder Antipholus and Dromio repeatedly knocked at the closed door, theservants laughed at them and told them that Antipholus had already been in the house and Dromio had been in the kitchen. They were angry and went away. They were astonished and Antipholus was shocked and humiliated to know that his wife was dining with a strange gentleman. Now, the dinner was over. Adriana still claimed Antipholus to be her husband. He did not like Adriana's jealous temper. But he was drawn to Luciana Even Dromio was not satisfied with his wife in the kitchen. So, both of them were eager to leave the house as soon as possible.

(কনিষ্ঠ অ্যান্টিফোলাস ও কনিষ্ঠ ড্রমিও অ্যাড্রিয়ানার বাড়িতে যেতে বাধ্য হলেন। অ্যাড্রিয়ানা কনিষ্ঠ অ্যান্টিফোলাসকে তার স্বামী মনে করল। তার প্রতি তার উদাসীনতার জন্য সে তাকে ভর্ৎসনা করল। অ্যাড্রিয়ানা তার জন্য চমৎকার নৈশভোজের ব্যবস্থা করেছিল। কনিষ্ঠ অ্যান্টিফোলাস বিস্ময়ে বিমূঢ় হয়ে গেলেন। তার মনে হল যে তিনি হয়ত অ্যাড্রিয়ানাকে ঘুমের মধ্যে বিবাহ করেছেন। যাইহোক, কনিষ্ঠ ড্রমিও এই বাড়িতে কম বিস্মিত হলেন না। রান্নার ঝি তাকে তার স্বামী বলে দাবি করল। আড্রিয়ানার বোন লুসিয়ানাও অ্যান্টিফোলাসকে জামাইবাবু বলে ডাকল। কনিষ্ঠ অ্যান্টিফোলাস ও তার চাকর কনিষ্ঠ ড্রমিও যখন অ্যাড্রিয়ানার বাড়িতে নৈশভোজ সারছিলেন, বাড়ির আসল মালিক জ্যেষ্ঠ অ্যান্টিফোলাস তার নিজের চাকর জেষ্ঠ ড্রমিওকে নৈশভোজে যোগদান করতে বাড়ি ফিরে এলেন। কিন্তু বাড়ির চাকরবাকররা তাদেরকে বাড়ির ভেতরে প্রবেশ করতে দিল না। বাড়ির মালকিন তাদেরকে আদেশ দিয়েছিলেন যে তাকে বিরক্ত করার জন্য যেন কাউকে প্রবেশ করতে না দেওয়া হয়। জেষ্ঠ অ্যান্টিফোলাস ও ড্রমিও বন্ধ দরজায় বারে বারে ঘা দিতে লাগলেন। চাকররা হাসাহাসি করল ও তাদের জানিয়ে দিল যে অ্যান্টিফোলাস ইতিমধ্যেই বাড়ি ফিরে এসেছেন ও ড্রমিও রান্নাঘরে আছে। তারা ক্রুদ্ধ হয়ে চলে গেল। তারা হতবাক হয়ে গেল এবং অ্যান্টিফোলাস শোকাহত ও অপমানিত হলেন এই কথা জেনে যে তার স্ত্রী একজন অপরিচিত ব্যক্তির সঙ্গে নৈশভোজ সারছেন। নৈশভোজ শেষ হল। অ্যাড্রিয়ানা তখনও অ্যান্টিফোলাসকে তার স্বামী বলে দাবি করে চলল। তিনি অ্যাড্রিয়ানার বদ মেজাজ একদম পছন্দ করলেন না। কিন্তু লুসিয়ানার প্রতি তিনি আকৃষ্ট হলেন। এমনকি রাধুনি, ঝি তুমিও রান্নাঘরে তার স্ত্রীর ব্যবহারে অসন্তুষ্ট হলেন। তাই দুজনেই যত দ্রুত সম্ভব এই বাড়ি ছেড়ে পালানোর জন্য ছটফট করতে লাগল।)

Ans:-Aegeon was a prosperous merchant of Syracuse. He had twin sons, twin slaves and a loving wife. The two sons looked exactly alike. So were the slaves. But Aegeon could not enjoy happy family life long. In a shipwreck he was separated from his wife, the elder son and the elder slave. The younger son and the younger slave were with him. But they too left him when they grew adults. They went on a search for their missing relatives. Seven years rolled by. Aegeon lost all hopes of their comeback. He himself was out to find them. In course of travel he visited Ephesus. But he was caught and imprisoned. It was all due to the cruel law of the land. Aegeon could not pay the ransom. He was counting his few last hours of life in jail. Surprisingly enough, both his sons, his slaves and his wife were in Ephesus at that time. The elder Antipholus was in a good position in Ephesus. He had a wife of rich family. The elder Dromio lived with them. On the other hand, the younger Antipholus and his slave younger Dromio had come to Ephesus to search for their missing relations. Now, a great confusion arose in the land. Adriana, the goldsmith, and other people of the land confused with the twin brothers and the twin slaves. The mistaken identity was the sole cause of all confusions. The situation went to such a pass that Adriana approached the Duke to ask for justice. The elder Antipholus too met the Duke for the same purpose. The younger Antipholus and the younger Dromio were then under the protection of an abbess of a convent. They too went to meet the Duke.

The Duke was then going to the scene of Aegeon's execution. There he met all the family members of Aegeon. He heard their stories confusion. Earlier he heard the story of Aegeon's misfortune. The Duke understood all. Aegeon too recognised his wife. She was none other than the abbess of the convent. After a long lapse of time Aegeon got back all the members of his family. They were exceedingly happy.

(এজিঅন ছিলেন সিরাকুজের একজন ধর্মী সওদাগর। তার ছিল দুই যমজপুত্র, দুই যমজ চাকর এবং প্রিয় স্ত্রী। দুই সন্তানদের দেখতে একরকম ছিল। তেমনই ছিল দুই চাকর। কিন্তু এজিঅন সুখের পারিবারিক জীবন দীর্ঘদিন ভোগ করতে পারলেন না। এক জাহাজডুবিতে তিনি তার স্ত্রী, জ্যেষ্ঠ পুত্র ও জ্যেষ্ঠ চাকরের থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়লেন। কনিষ্ঠপুত্র ও কনিষ্ঠ চাকর তার কাছেই ছিল। কিন্তু তারা সাবালক হতেই তাকে ছেড়ে গেল। তারা তাদের হারিয়ে যাওয়া আত্মীয়দের খোঁজাখুঁজি করতে ভ্রমণে বার হল। সাত-সাতটা বছর গেল কেটে। এজিঅন তাদের প্রত্যাবর্তনের সব আশা ছেড়ে দিল। তিনি নিজে তাদের খুঁজতে বার হলেন। ভ্রমণে বেরিয়ে তিনি এফিসাসে এলেন। কিন্তু তাকে ধরে জেলে ভরা হল। এর কারণ দেশের নিষ্ঠুর নিয়ম। এজিঅন মুক্তি পণের টাকা দিতে পারেন নি। জেলে তিনি জীবনের শেষ কটি প্রহর গুনতে লাগলেন। আশ্চর্যের বিষয় এই যে, উভয়পুত্র, তার চাকরদ্বয় ও তার স্ত্রী সে সময় এফিসাসেই ছিলেন। জ্যেষ্ঠ অ্যান্টিফোলাস তখন এফিসাসে ভালো পদে। তার স্ত্রী ধনী পরিবারের কন্যা। জ্যেষ্ঠ ড্রমিও তাদের সঙ্গেই থাকেন। কনিষ্ঠ অ্যান্টিফোলাস ও তার চাকর কনিষ্ঠ ড্রমিও তাদের নিরুদ্দিষ্ট আত্মীয়দের খুঁজতে সে সময় এফিসাসে পৌঁছেছেন। দেশে চরম একটি বিভ্রান্তির সৃষ্টি হল। অ্যাড্রিয়ানা, জহুরি ও দেশের অন্যান্য লোকেরা দুই যমজ ভাই ও যমজ চাকরদের মধ্যে গুলিয়ে ফেলতে লাগল। সব বিভ্রান্তির একমাত্র কারণ ছিল পরিচয় গণ্ডগোল। অবস্থাটি এমন পর্যায়ে চলে গেল যে অ্যাড্রিয়ানা বিচারের প্রার্থনা নিয়ে ডিউকের কাছে এলেন। জ্যেষ্ঠ অ্যান্টিফোলাসও একই উদ্দেশ্য নিয়ে তার সঙ্গে দেখা করতে এলেন। কনিষ্ঠ অ্যান্টিফোলাস ও কনিষ্ঠ ড্রমিও তখন একটি ধর্মশালার সন্ন্যাসিনীর তত্ত্বাবধানে। তারাও ডিউকের সঙ্গে দেখা করতে গেলেন।

ডিউক তখন এজিঅনের ফাঁসির স্থানে যাচ্ছিলেন। সেখানে তিনি এজিঅনের পরিবারের সকল সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন। তিনি তাদের ভুলভোঝাবুঝির গল্পগুলি শুনলেন। এর আগে তিনি এজিঅনের দুর্ভাগ্যের গল্পটি শুনেছেন। ডিউক সব উপলব্ধি করলেন। এজিঅনও তার স্ত্রীকে চিনতে পারলেন। তিনি আর কেউ নন, ধর্মশালার সন্ন্যাসিনী। দীর্ঘদিন পরে এজিঅন তার পরিবারের সকল সদস্যকেই ফিরে পেলেন। তারা অত্যন্ত খুশি হলেন।)

Ans:-The Comedy of Errors' is a fine amusing story. It has a happy ending. So, it is comical. There are lots of confusions in the lives of its characters. The major characters of the story are all caught in some intriguing situations. They make errors after errors. They do them unintentionally. The errors are all unforced. But they are to suffer for them. They hurt each other. Eventually, all errors are sorted out. Confusions get dissolved. All feel happy. So, the story is indeed the 'story of errors'. Let us briefly go through the story to understand how the errors complicate the lives of the people who make them and how ultimately they come out of the entanglement.

The two brothers named Antipholus and their twin slaves named Dromio gathered in one land, Ephesus. The Younger Antipholus was looked upon as the elder Antipholus and the same confusion arose with the twin slaves named Dromio. Adriana was the wife of Elder Antipholus and the elder Dromio was the husband of Adriana's cook-maid. Adriana claimed the younger Antipholus as her husband and her cook-maid claimed the Younger Dromio as her husband. Now, they were forced to visit Adriana's house and had to dine with them. They were extremely surprised and shocked. Adriana's violent reproaches were directed to Antipholus Younger, who did not at all deserve them. On the other hand, the real husband of Adriana had to go away from his own house.

We see the same confusion in the gold-chain case. The goldsmith gave the gold chain to the Younger Antipholus against his will. And later he demanded money from the elder Antipholus. The situation went to such a pass that he was sent to prison. Then a young lady with whom the elder Antipholus dined demanded her gold chain from the Younger Antipholus who practically knew nothing of her. Two Dromios had to face many a awkward situations as they were confused with by even their masters. Anyway the revelation took place at the end of the story. Aegeon got back all the members of the family. The family was all happy. All was well that ended well. So the title of the story 'The Comedy of Errors' is apt in every sense.

(The Comedy of Errors' হল চমৎকার মজাদার গল্প। এর সমাপ্তিটা সুখকর। তাই এটি মিলনান্তক। এই গল্পের চরিত্রগুলির জীবনে অনেক বিভ্রান্তি ঘটেছে। এই গল্পের প্রধান প্রধান চরিত্র গুলি কয়েকটি জটিল পরিস্থিতির মধ্যে পড়েছে। তারা একের পর এক ভুল করে গেছে। তারা অনিচ্ছাকৃতভাবেই সে ভুলগুলি করেছে। এই ভুলগুলি করতে তারা বাধ্য। কিন্তু তাদের তার জন্য বেশ দুর্ভোগ পোয়াতে হয়েছে। তারা একে অপরকে আঘাতও করেছে। শেষমেশ সব ভুলের নিরসন হয়েছে। বিভ্রান্তি হয়েছে অপসারিত। সকলে সুখী হয়েছে। তাই গল্পটি প্রকৃতপক্ষে ভুলের গল্প। সংক্ষেপে দেখা যাক গল্পটি পড়ে কীভাবে ভুলগুলি লোকগুলির জীবনে জটিলতা এনেছে। অনিচ্ছাকৃতভাবেই ভুল করেছে আর কীভাবে তারা শেষমেশ সেই জটিলতা থেকে মুক্ত হয়েছে।

অ্যান্টিফোলাস নামে দুই যমজ ভাই এবং ড্রমিও নামে তাদের দুই যমজ দাস এফিসাসে জড়ো হন। যেহেতু ভাইয়েরা ও তাদের চাকররা কনিষ্ঠ অ্যান্টিফোলাসকে জ্যেষ্ঠ অ্যান্টিফোলাস হিসেবে মনে করে আর একই বিভ্রান্তঘটে ড্রমিও নামের দুই দাসের ক্ষেত্রে। অ্যাড্রিায়ানা ছিল জ্যেষ্ঠ অ্যান্টিফোলাসের স্ত্রী আর জেষ্ঠ ড্রমিও অ্যান্ডিয়ানার বাড়ির রাধুনির স্বামী। অ্যাড্রিয়ানা কনিষ্ঠ অ্যান্টিফোলাসকে তার স্বামী বলে দাবি করল এবং তার রাঁধুনি ঝি ড্রমিওকে তার স্বামী বলে দাবি করল। তারা বাধ্য হল অ্যাড্রিয়ানার বাড়ি যেতে এবং তার সঙ্গে নৈশভোজ সারতে। তারা অত্যন্ত বিস্মিত ও ক্ষুব্ধ হল। অ্যাড্রিয়ানার প্রচণ্ড ভর্ৎসনা কনিষ্ঠ অ্যান্টিফোলাসের দিকে ধাবিত হল, যার এগুলি মোটেই প্রাপ্য নয়। অন্যদিকে অ্যাড্রিয়ানার আসল স্বামী তার নিজের বাড়ি থেকে বিতাড়িত হলেন।

আমরা একই বিভ্রান্তি ঘটতে দেখি সোনার হারটির ঘটনায়। স্বর্ণকার সেনারা হারটি কনিষ্ঠ অ্যান্টিফোলাসকে দেয় তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে। পরে সে জ্যেষ্ঠ অ্যান্টিফোলাসের কাছে তার জন্য টাকা দাবি করে। অবস্থাটি এমনই হয় যে তাকে জেলে যেতে হয়। তারপর এক যুবতী মহিলা, যার সঙ্গে জ্যেষ্ঠ অ্যান্টিফোলাস নৈশভোজ সেরে ছিলেন—তিনি কনিষ্ঠ অ্যান্টিফোলাসের কাছ থেকে সোনার হার দাবি করেন, যিনি প্রকৃতপক্ষে এসবের বিন্দুবিসর্গও জানতেন না। দুই ড্রমিওকেও অনেকরকম একই অপ্রীতিকর অবস্থার মুখোমুখি হতে হল কারণ তাদের মালিকরাই তাদেরকে নিয়ে ভুল করে বসছিল। যাইহোক শেষমেশ ভুল পরিচয়জনিত ভুলবোঝাবুঝির অবসান হল গল্পের শেষে। এজিঅন তার সব পরিবারের হারানো সদস্যদের ফিরে পেলেন। পরিবারের সবাই খুশি হল। সব ভালো যার শেষ ভালো তার। তাই গল্পের শিরোনাম ‘ভ্রান্তবিলাস' সর্বার্থে সুপ্রযুক্ত।)