CHAPTER-3⇒THANK YOU, MA’AM

Ans:- Ma'am in the story 'Thank You Ma'am' is Mrs Luella Bates Washington Jones. (Thank You Ma'am গল্পে Ma'am হলেন মিসেস লুয়েলা বেটস ওয়াশিংটন জোনস।)

Ans:- Mrs Jones met Roger on a street (রজারের সঙ্গে মিসেস জোনসের রাস্তায় দেখা হয়েছিল।)

Ans:- Mrs Jones was carrying a large purse. (মিসেস জোনস একটি বড়ো টাকা রাখার ব্যাগ বয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন।)

Ans:- The full name of Mrs. Jones is Mrs. Luella Bates Washington Jones. (মিসেস পুরো নাম হল মিসেস লুয়েলা বেটস ওয়াশিংটন)

Ans:- Losing his blance, Roger fell on the sidewalk.(রজার তার ভারসাম্য হারিয়ে ফুটপাথে উলটে পড়েছিল।)

Ans:- When Roger fell down, Mrs Jones kicked Roger right square in his blue jeanned sitter. (রজার মাটিতে পড়ে গেলে মিসেস জোনস রজারের নীল জিনস পরা পায়ে সজোরে একটি লাথি ক্যালেন।)

Ans:- Roger tried to snatch the purse of Mrs. Jones in order to buy a pair of blue suede shoes. [একজোড়া সুয়েড (ছাগলের চামড়ার) নীল জুতো কেনার জন্য রজার মিসেস জোনসের টাকার ব্যাগটি ছিনতাই করার চেষ্টা করেছিল।]

Ans:- Mrs Jones first asked Roger if he was not ashamed of himself. (মিসেস জোনস রজারকে প্রথম জিজ্ঞাসা করেছিলেন সে নিজে লজ্জিত কি না।)

Ans:- Mrs Jones said this to Roger. (মিসেস জোনস এই কথা রজারকে বলেছিলেন।)

Ans:- The speaker meant to say that Roger was a liar. (বক্তা এখানে বলতে চেয়েছিলেন যে, রজার একটি মিথ্যাবাদী )

Ans:- Roger was between fourteen and fifteen years old. (রজারের বয়স চোদ্দো ও পনেরোর বছরের মধ্যে )

Ans:- A gas plate and an icebox were there behind the screen in Mrs Jone's room. (মিসেস) জোন্সের ঘরের পর্দার পেছনে ছিল একটি গ্যাসপ্লেট ও একটি আইস বক্স)

Ans:- When Roger was washing himself, Mrs. Jones was sitting on the day-bed. (রজার যখন মুখ ধুচ্ছিল তখন মিসেস জোনস সোফায় বসেছিলেন।)

Ans:- Mrs Jones was cooking some lima beans and ham and making some cocoa. (মিসেস জোনস কিছুটা শুঁটি আর শূকরের মাংস গরম করছিলেন আর কোকো বানাচ্ছিলেন।)

Ans:- While cooking Mrs Jones did not look at Roger even once as she was by that time sure that he would not run away from the house. (মিসেস জোনস রান্না করতে করতে একটিবারের জন্যও রজারের দিকে দেখলেন না কারণ সে সময়ে তিনি নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিলেন যে, রজার ঘর থেকে ছুটে পালাবে না )

Ans:- Here 'we' refers to Mrs Jones and Roger. (এখানে আমরা বলতে মিসেস জোনস ও রজারকে বোঝানো হয়েছে।)

Ans:- Roger told Mrs Jones that she could get something bought by him from the stores. (রজার মিসেস জোনসকে বলল যে তিনি তাকে দিয়ে কোনো কিছু দোকান থেকে আনিয়ে নিতে পারেন।)

Ans:- Roger was unfed because there was none at his house to cook for him. (রজার অভুক্ত ছিল কেন- না তার বাড়িতে তার জন্য রান্না করে দেওয়ার কেউ ছিল না।)

Ans:- Mrs Jones offered to Roger ten dollars. (মিসেস জোনস রজারকে দশ ডলার দিলেন।)

Ans:- Mrs Jones did not ask Roger anything about his life as it might embarrass him. (মিসেস জোনস রজারকে তার জীবন নিয়ে কোনো প্রশ্ন করলেন না কারণ তাতে সে অস্বস্তিতে পড়ে যেতে পারত।)

Ans:- At the time of supper Mrs Jones talked about her own job only. (নৈশভোজের সময় মিসেস জোনস কেবল তাঁর নিজের কাজের কথা বলছিলেন।)

Ans:- Mrs Jones worked in a hotel beauty- shop. (মিসেস জোনস একটি হোটেল প্রসাধনী বিপণিতে কাজ করতেন।)

Ans:- Mrs Jones was walking alone about eleven o'clock at night (রাত্রি প্রায় এগারোটার সময় মিসেস জোনস একলা হাঁটছিলেন।)

Ans:- You could have asked me for the price of the blue suede shoes (তুমি আমার কাছে চামড়ার নীল জুতো কেনার জন্য পয়সা চাইতে পারতে)

Ans:- Mrs Jones advised Roger not to snatch anyone's pocketbook. (মিসেস জোনস রজারকে কারো টাকার ব্যাগ ছিনতাই না-করার উপদেশ দিলেন।)

Ans:- At about 11.00 p.m. when Mrs Jones was returning home from work, a boy tried to snatch her purse. Mrs Jones first met the boy there.

Mrs Jones met the boy at night on a street. The boy tried to snatch her purse but failed. Mrs Jones caught him easily. The boy was wearing blue jeans. He had simple tennis shoes on his feet. He seemed to be aged between fourteen and fifteen. His face was dirty. He was frail and willow-wild. He looked frightened and hungry. He was both ashamed of and sorry for his act. In short, the boy was almost unwanted and looked unloved and uncared. Mrs Jones felt for the boy. She was very kind to this weak and unfortunate boy.

(রাত্রি প্রায় 11টা নাগাদ মিসেস জোনস যখন বাড়ি ফিরছিলেন একটি ছেলে তাঁর ব্যাগটি ছিনতাই করার চেষ্টা করে। মিসেস জোনস সেখানেই ছেলেটিকে প্রথম দেখেন।

রাত্রিবেলা রাস্তায় মিসেস জোনসের সঙ্গে বালকটির সাক্ষাৎ হল। বালকটি তার ব্যাগটি ছিনতাই করার চেষ্টা করল কিন্তু ব্যর্থ হল। মিসেস জোনস সহজেই তাকে ধরে ফেললেন। ছেলেটি নীল জিনস পরে ছিল। পায়ে ছিল তার সাদামাটা টেনিস জুতো। দেখে মনে হল তার বয়স 14-15-এর মধ্যে। তার মুখটি নোংরা। সে শীর্ণ ও বন্য উইলোকাঠের মতো শুকনো। তাকে ভীত এবং ক্ষুধার্ত দেখাল। তাকে তার কৃতকর্মের জন্য লজ্জিত ও দুঃখিত বলে মনে হল। এককথায়, ছেলেটি প্রায় অবাঞ্ছিত, তাকে স্নেহভালোবাসা ও যত্নবিবর্জিত হচ্ছিল। মিসেস জোনস ছেলেটির জন্য সমবেদনা বোধ করলেন। তিনি এই দুর্বল, হতভাগ্য ছেলেটির প্রতি দয়াপরবশ হলেন।)

Ans:- Mrs Jones baffled Roger's attempt to shatch her purse. She caught him easily. The boy tried several times to free himself from her grip. First, he expressed shame and sorrow form his mischief. But that did not touch the woman's heart. She did not let him loose rather, dragged him home, wanted to see his face washed and feed him. But the boy begged to be freed. Once he struggled to go beyond her grip. But the woman resisted him by putting 'a half-nelson' about his neck. The boy gave up all hopes of freedom.

Roger was not successful in his attempt in spite of trying hard.

(মিসেস জোনস তার মানিব্যাগ চুরি করার জন্য রজারের সব প্রচেষ্টা ব্যর্থ করে দিলেন। ছেলেটি তার হাত থেকে নিজেকে ছাড়াবার জন্য কয়েকবার চেষ্টা করল। প্রথমে সে তার দুষ্কর্মের জন্য লজ্জা ও দুঃখ প্রকাশ করল। কিন্তু তার এই কথায় মহিলার মন ভিজল না। তিনি তাঁর মুঠি আলগা করলেন না। বরং তাকে তাঁর বাড়িতে টেনে নিয়ে গেলেন, তার পরিষ্কার মুখ দেখতে এবং তাকে খাওয়াতে চাইলেন। কিন্তু ছেলেটি শুধু চাইছিল তাঁর হাত থেকে মুক্তি পেতে। একবার সে তাঁর বন্ধন ছেড়ে বেরিয়ে আসার জন্য রীতিমতো গায়ের জোের ফলাল। কিন্তু মহিলা তার ঘাড়ে কুস্তির প্যাঁচ বসিয়ে তার প্রচেষ্টা ব্যর্থ করে দিলেন। ছেলেটি তার মুক্তির সব আশা ত্যাগ করল।

রজার অনেক চেষ্টা সত্ত্বেও তার প্রচেষ্টায় সফল হয়নি।)

Ans:- Roger's attempt to snatch Mrs Jones's purse failed. Being caught he expressed shame and sorrow for his mischievous act. She asked him the cause of stealing but was not satisfied with the answer. When she asked if he wanted to be released, the boy readily nodded. Mrs. Jones refused to let him loose. The boy felt sorry. She dragged the dirty boy home. When she learnt that he had none at home to look after him, she resolved to teach him right from wrong. She also wished the boy to remember her name.

(মিসেস জোনস-এর টাকার থলিটি ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা রজার-এর ব্যর্থ হল। ধরা পড়ে সে তার ক্ষতিকর কাজের জন্য লজ্জা ও দুঃখ প্রকাশ করল। তার চুরি করার কারণ জানতে চেয়ে তিনি উত্তরে সন্তুষ্ট হলেন না। সে মুক্তি পেতে চায় কি না জানতে চাওয়ায় ছেলেটি সঙ্গে সঙ্গে সায় দিল। মিসেস জোনস তাকে ছেড়ে দিতে অস্বীকার করলেন। ছেলেটি দুঃখিত হল। নোংরা ছেলেটিকে মহিলা বাড়িতে নিয়ে গেলেন। বাড়িতে তাকে দেখাশোনা করার কেউ নেই জেনে মিসেস জোনস তাকে ভালো-মন্দ শিক্ষা দিতে মনস্থ করলেন। তিনি আরও আশা করলেন যে, তাঁর নাম ছেলেটিকে চিরকাল মনে রাখতে হবে।)

Ans:- Mrs Jones entered the kitchen which was separated by a screen in the room. It was spacious and well furnished. Roger sat waiting for the supper. In the kitchen there was a gas plate and an icebox. She started making cocoa out of canned milk. Roger wanted to fetch something from the store if she needed. But Mrs Jones was satisfied with what she had in her kitchen. She heated some lima beans and ham. Then she set the table. Food was served. Both Mrs Jones and Roger started taking their supper in a peaceful and friendly environment.

(মিসেস জোনস রান্নাঘরে ঢুকলেন যেটি একটি পর্দা দিয়ে ঘরের থেকে আলাদা করা হয়েছে। সেটি প্রশস্ত এবং সবরকম ব্যবস্থাসম্পন্ন এবং গোছানো। রজার নৈশভোজের অপেক্ষায় বসল। রান্নাঘরে একটি গ্যাস রাখার পাত্র ও বরফের বাক্স ছিল। ক্যানের ভেতরে থাকা জমাট দুধ দিয়ে তিনি কোকো বানাতে লাগলেন। যদি তাঁর কোনো কিছু প্রয়োজন হয় তার জন্য রজার দোকান থেকে কিছু এনে দিতে চাইল। কিন্তু মিসেস জোনস যা তাঁর রান্নাঘরে ছিল তাতেই সন্তুষ্ট হলেন। তিনি খানিকটা লিমা বিনস ও শূয়োরের মাংস গরম করলেন। তারপর তিনি খাবার টেবিলটি সাজালেন। খাবার পরিবেশিত হল। মিসেস জোনস ও রজার শান্ত এবং বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশে নৈশভোজ সারতে লাগলেন।)

Ans:- In Langston Hughes's short story, Thank You Ma'am', Mrs Luella Bates Washington Jones said this to Roger. Mrs Jones told him so when she almost dragged Roger towards her house after she caught him redhanded trying to snatch her purse.

Mrs Jones transformed the boy with motherly love step by step. She ordered the boy to wash his face and offered a clean towel. The lady informed him that she also had to suffer a lot when she was young. Such candid confession from her part gave the boy confidence. He surrendered to her affection and did not try to flee. She shared her personal experience with Roger and became frank with him. Then she advised him not to steal again as according to her it was a great sin. Finally, she gave him ten dollars to buy the much desired blue suede shoes. In this way Mrs Jones played the perfect role of a friend, philosopher and guide to the boy and thus he was transformed.

[Langston Hughes-এর ছোটোগল্প 'Thank You Ma'am'- Mrs Luella Bates Washington Jones এটি Roger-কে বলেছেন। যখন তিনি Roger-কে তাঁর টাকার থলি ছিনতাই-এর চেষ্টায় হাতেনাতে পাকড়াও করে প্রায় টানাহ্যাঁচড়া করে বাড়ির দিকে নিয়ে যাচ্ছিলেন তখন এ কথা বলেছিলেন।

Mrs Jones তাঁর মাতৃত্বসুলভ ভালোবাসা দিয়ে ছেলেটিকে ধাপে ধাপে পরিবর্তিত করেন। তিনি ছেলেটিকে মুখ ধুয়ে ফেলতে আদেশ দিয়েছিলেন এবং তাকে একটি পরিষ্কার তোয়ালে দিয়েছিলেন। ওই ভদ্রমহিলা রজার-কে জানিয়েছেন যে, তাঁকেও যৌবনে প্রচুর কষ্ট সহ্য করতে হয়েছে। তাঁর তরফ থেকে এরুপ অকপট স্বীকারোক্তি ছেলেটিকে আত্মবিশ্বাস দিয়েছিল। সে ভদ্রমহিলার স্নেহপরায়ণতার নিকট আত্মসমর্পণ করে এবং পলায়ন প্রচেষ্টা পরিহার করে। তিনি তাঁর ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা রজারের সঙ্গে বিনিময় করেন এবং তার সঙ্গে খোলামেলা আলোচনা করেন। তিনি ছেলেটিকে উপদেশ দেন যেন সে আর চুরি না-করে যেটি তার মতে মহাপাপ। পরিশেষে তিনি ছেলেটির বহু আকাঙ্ক্ষিত নীল রঙের স্যুড জুতো কেনার জন্য দশ ডলার দেন। এইভাবে মিসেস জোনস ছেলেটির জীবনে এক প্রকৃত বন্ধু, দার্শনিক ও পথপ্রদর্শকের সঠিক ভূমিকা পালন করেন এবং রজার-এর পরিবর্তন সংঘটিত হয়।]

Ans:- Roger tried to snatch the purse of Mrs Jones but failed. He was caught. She dragged him to her home. Roger was frightened of police intervention. Probably he might know about their treatment with the criminals. He pleaded Mrs Jones to let him loose.

But Mrs. Jones had no intention to call the police. She took him home only to get him washed and to feed. She repeatedly told him about her wish. But doubt was not fully removed. She dealt with him kindly and gave him good advice. Thus she allayed his fear about the police.

(রজার মিসেস জোনসের টাকার ব্যাগ ছিনতাই করার চেষ্টা করল কিন্তু ব্যর্থ হল। সে ধরা পড়ল। তিনি তাকে টানতে টানতে বাড়ি নিয়ে গেলেন। রজার ভয় পেল। সে পুলিশি হস্তক্ষেপের কথা ভাবতে লাগল। হয়তো সে জানত যে পুলিশের হাতে অপরাধীদের কেমন অবস্থাটি হয়। সে মিসেস জোনসের কাছে তাকে ছেড়ে দেওয়ার আবেদন করল।

কিন্তু মিসেস জোনসের পুলিশ ডাকার কোনো উদ্দেশ্য ছিল না। তিনি তাকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করে খাবার খাওয়ানোর জন্য বাড়ি নিয়ে গেলেন। তিনি বারে বারে তাকে তাঁর ইচ্ছার কথাটি বললেন। কিন্তু তার সন্দেহ পুরোপুরি দূর হল না। তিনি তার সঙ্গে সহৃদয় ব্যবহার করলেন। তাকে সদুপদেশ দিলেন। এইভাবে তিনি তার পুলিশের ভয় দূর করার চেষ্টা করলেন।)

Ans:- Though Roger tried to run away from the street, Mrs Jones dragged him into her room. After getting washed Roger found the door open. He was free to run. But he checked himself. Later he found Mrs Jones making supper. He could have escaped. Yet he took no chance. Roger was then deeply moved by the hospitality of Mrs Jones. Her love and kindness changed his mind. The unwanted boy was made to feel that there was at least one who felt for him. Free from fear, he wanted to enjoy her company as long as she could bear.

(রজার কয়েকবার রাস্তা থেকে ছুটে পালাবার চেষ্টা করলেও মিসেস জোনস তাকে জোর করে তাঁর ঘরে টেনে টেনে নিয়ে আসলেন। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন হবার পর রজার দেখল দরজা খোলা। সে ছুটে পালাতে পারত। কিন্তু সে নিজেকে সংবরণ করল। পরে সে দেখল মিসেস জোনস নৈশভোজের ব্যবস্থা করছেন। সে পালাতেই পারত। তথাপি সে সুযোগ নিল না। রজার তখন মিসেস জোনসের আতিথেয়তায় মুগ্ধ। তাঁর ভালোবাসা ও দয়া তার মনে পরিবর্তন এনেছিল। অবাঞ্ছিত এক বালকের মনে এই অনুভব জাগল যে অন্তত একজনও আছে যে তার জন্য ভাবছে। ভয়মুক্ত হয়ে সে তার সঙ্গ যতটা তিনি দেন ততটা উপভোগ করতে চাইল।)

Ans:- A boy named Roger who had tried to snatch the purse of Mrs Jones in the short story, 'Thank You Ma'am', is the speaker.

He said these words to Mrs Luella Bates Washington Jones.

The demeanour of Mrs Jones made the speaker feel very uneasy. He actually wanted to get rid of her. So, he wanted to go to the store to get some milk or something. Mrs Jones made cocoa out of canned milk. She heated some lima beans and ham she had in the ice box, and set the table for her and the boy. Roger was also offered a half of a ten-cent cake.

[Thank You Maam' ছোটোগল্পে রজার নামক ছোটোছেলেটি এখানে কথক, যে মিসেস জোনস-এর কাছ থেকে টাকার ব্যাগ ছিনিয়ে নেবার চেষ্টা করে।

সে এই কথাগুলি মিসেস লুলা বেটসকে বলেছে।

মিসেস জোনস-এর আচরণে কথক যারপরনাই অস্বস্তি বোধ করছিল। সে ওই মহিলার হাত থেকে নিষ্কৃতি পেতে চাইছিল, তাই সে দুধ বা অন্যকিছু আনার জন্য দোকানে যাবার কথা বলে। মিসেস জোনস টিনের দুধ থেকে কোকো বানান। বরফবাক্স থেকে বের করে শুয়োরের মাংস এবং লিমা বিনস গরম করেন। এভাবে তাঁর আর ছেলেটির জন্য তিনি টেবিল প্রস্তুত করেন। রজারকে একটি দশ সেন্ট দামের কেক থেকে অর্ধেকটা কেটেও দেওয়া হয়েছিল।]

Ans:- Roger tried to snatch the purse of Mrs Jones in vain. She caught him and dragged home against his will. She suggested that she would make some food ready for the boy as he was hungry. The poor boy was moved. He said that he had none at home to take care of him. Now the woman asked if hunger drove him to steal. The boy at once came out with his purpose. In fact, he was desperate to buy a pair of blue suede shoes. Thus she found out the real reason of his act of stealing.

(রজার মিসেস জোনসের টাকার ব্যাগ ছিনতাই করার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়। তিনি তাকে ধরলেন এবং ছেলেটির ইচ্ছার বিরুদ্ধে তাকে টানতে টানতে তাঁর ঘরে নিয়ে এলেন। তিনি ইঙ্গিত দিলেন যে, তিনি ছেলেটির জন্য খাবার বানাবেন। যেহেতু সে ক্ষুধার্ত ছিল, বেচারা ছেলেটি মনে মনে আলোড়িত হল। সে বলল যে, তার বাড়িতে তাকে দেখাশোনা করার কেউ নেই, এখন মহিলাটি ছেলেটিকে জিজ্ঞাসা করলেন যে, ক্ষুধার জ্বালাতেই সে চুরি করতে প্রবৃত্ত হয়েছিল কি না। ছেলেটি তৎক্ষণাৎ তার চুরির আসল উদ্দেশ্যটি বলে ফেলল। আসলে সে একজোড়া নীল রঙের নরম চামড়ার জুতো কিনতে চেয়েছিল। এইভাবে তিনি তার চুরির আসল কারণটি জেনে ফেললেন।)

Ans:-  In 'Thank You' Ma'am' Roger was a boy who tried to snatch Mrs Jones's purse.

Roger tried to snatch the purse of a woman but failed. The woman caught him, saw his dirty face and decided to take him to her house. The boy was frightened. He earnestly prayed for his freedom. But the woman did not allow him to go. She said that it was the boy who put himself in contact with her and it would last for sometime more. Then she told him her name and added that the boy would have to remember Mrs. Luella Bates Washington Jones. This was how the woman disclosed her identity before the boy.

('Thank You' Ma'am'-এ রজার মিসেস জোনস-এর ব্যাগটি ছিনতাই করার চেষ্টা করছিল। রজার এক মহিলার মানিব্যাগ ছিনতাই করতে চেষ্টা করল। কিন্তু ব্যর্থ হল। মহিলা তাকে ধরে ফেললেন, তার নোংরা মুখটা দেখলেন এবং তাকে বাড়ি নিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেন। ছেলেটি ভয় পেয়ে গেল। সে ছাড়া পেতে কাতর প্রার্থনা করল। কিন্তু মহিলা তাকে যাওয়ার অনুমতি দিলেন না। তিনি বললেন যে, বালকটি তাঁর সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন করেছে এবং সেটি এত শীঘ্র শেষ হবে না। তারপর তিনি তাকে তাঁর নাম বললেন। তিনি বললেন যে ছেলেটিকে মিসেস লুয়েলা বেটস ওয়াশিংটন জোনসকে মনে রাখতে হবে। এইভাবে মহিলা ছেলেটির কাছে নিজের পরিচয় দিলেন।)

Ans:- The speaker is Mrs Jones in the story, "Thank You Ma'am'.

The speaker offered a half of her ten-cent cake to the listener.

There is an undercurrent of motherly sympathy in her heart. She takes the dirty, hungry boy home. By her affection, love and generosity she tries to rouse the feelings of the boy that will wake his heart to be interested to know right from wrong. In a word, the above quotation portrays her noble motherhood.

('Thank You Ma'am'-গল্পে বক্তা হলেন মিসেস জোনস।

বক্তা শ্রোতাকে তাঁর দশ ডলারের অর্ধেক দান করলেন।

তাঁর মনে মাতৃত্বের সহানুভূতি ফুটে ওঠে। তিনি নোংরা, ক্ষুধার্ত ছেলেটিকে ঘরে নিয়ে যান। তাঁর স্নেহ, ভালোবাসা ও ঔদার্যের মাধ্যমে তিনি ছেলেটির মধ্যে অনুভূতির সৃষ্টি করেন যা তাকে বোঝাবে ভুল থেকে সঠিক। এককথায়, ওপরের উক্তিটি তাঁর মহান মাতৃত্বের প্রকাশ ঘটায়।)