Chapter-4 ➤ পরিবেশ ও সম্পদ

উঃ- 1) সম্পদের সরবরাহ অব্যাহত রাখতে,

2) পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করতে,

3) শিল্প-সভ্যতার অগ্রগতি অব্যাহত রাখতে, প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ করা জরুরি।

উঃ-আমাদের চাহিদাপূরণ করে পরিবেশের যেসব বিষয় বা বস্তু, সেইসব বিষয় বা বস্তুই হল প্রকৃতির সম্পদ।

উঃ-ঝাড়খণ্ডের ঝরিয়া, পশ্চিমবঙ্গের রানিগঞ্জ, ছত্তিশগড়ের কোরবা ।

উঃ-কয়লা পোড়ালে যে-তাপশক্তি উৎপন্ন হয়, তার সাহায্যে জলকে বাষ্পে পরিণত করা হয় এবং ওই বাষ্পের সাহায্যে বিদ্যুৎ উৎপন্ন করা হয়।

উঃ-প্রকৃতি থেকে আমরা আলো, বাতাস, জল, তাপ, খনিজ সম্পদ, বনজ সম্পদ ইত্যাদি পেয়ে থাকি।

উঃ-মানুষ তার স্বাস্থ্য ও বুদ্ধিকে কাজে লাগিয়ে নতুন নতুন সম্পদ তৈরি করেছে।

উঃ-ক. পৌষমেলা: প্রতি বছর পৌষ মাসে বীরভূম জেলার শান্তিনিকেতনে পৌষমেলা বসে। দেশ-বিদেশ থেকে মানুষ আসে এই মেলার টানে। বাউলদের জমায়েত এই মেলার প্রধান আকর্ষণ। এ ছাড়া বিভিন্ন আদিবাসী শিল্প, হস্তশিল্পের পসরা এই মেলার অন্যতম আকর্ষণ।

খ. বিষ্ণুপুর উৎসব : বাঁকুড়া জেলার বিষ্ণুপুরে প্রতি বছর ডিসেম্বর মাসের শেষে এই উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। বিষ্ণুপুর ঘরানার সংগীত ও হাতের কাজের পসরা নিয়ে বসে এই মেলা।

গ. মাহেশের রথযাত্রা : জুন-জুলাই মাসে অনুষ্ঠিত হয় শ্রীরামপুরের মাহেশের রথ। এই রথযাত্রা খুবই জনপ্রিয়। মূলত বৈষ্ণব সম্প্রদায়ের এই উৎসব আজও হিন্দুধর্মের সব সম্প্রদায়ের মানুষের কাছে সমান গুরুত্বপূর্ণ।

ঘ. কলকাতা বইমেলা : প্রতি বছর জানুয়ারি মাসের শেষে শুরু হয় কলকাতা বইমেলা। বহু দূরবর্তী স্থান থেকে লক্ষ লক্ষ বইপ্রেমী মানুষ এই মেলায় ভিড় জমান। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন প্রকাশক, কবি, সাহিত্যিক আসেন তাঁদের বই-এর পসরা নিয়ে। আধুনিক এই উৎসব সারা বিশ্বে আজ সাড়া ফেলেছে।

উঃ-ভোটাধিকার হল এমন একটি অধিকার যেখানে জাতি ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে প্রত্যেক প্রাপ্তবয়স্ক নাগরিক ভোটদানের মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক অধিকার প্রয়োগ করতে পারে।

উঃ-বনভূমিতে মুন্ডা সম্প্রদায়ের বসবাসের অধিকার রক্ষার জন্য ইংরেজ ও তার দেশীয় সঙ্গীদের বিরুদ্ধে 1900 খ্রিস্টাব্দের জানুয়ারি মাসে বীরসা মুন্ডা লড়াই করেছিলেন।

উঃ-তিতুমির ও তার সঙ্গীরা সুদখোর মহাজন, নীলকর ও জমিদারদের হাতে নির্যাতিত দরিদ্র মানুষদের স্বার্থ রক্ষার জন্য ইংরেজ ও তাদের সঙ্গী জমিদারদের অন্যায় জুলুমের বিরুদ্ধে লড়াই করেছিলেন।

উঃ-নীল বিদ্রোহের একজন নায়ক হলেন তিতুমির।

নারকেলবেড়িয়ায় ছিল তাঁর বাড়ি। তাঁর আসল নাম ছিল মির নিশার আলি। তিনি নীলকরদের বিরুদ্ধে বাঁশের কেল্লা তৈরি করে লড়াই করেছিলেন। ইংরেজদের সঙ্গে যুদ্ধে তিনি নিহত হন।

উঃ-এটি একটি লাতিন শব্দ ‘টেরা  অর্থ মাটি এবং ‘কোটা  অৰ্থ পোড়ানো। মানুষের ব্যবহৃত পোড়ামাটির তৈরি সকল দ্রব্যই টেরাকোটা নামে পরিচিত। টেরাকোটা শিল্প বাঁকুড়াতে দেখতে পাওয়া যায়।

উঃ-সাঁওতাল বিদ্রোহের নেতা হলেন সিধু ও কানহু। ইংরেজ ব্যবসায়ী দেশীয় জমিদার ও সরকারি বিভিন্ন অনাচারের বিরুদ্ধে সাঁওতাল পরগনার আদিবাসী সাঁওতালরা সিধু ও কানহুর নেতৃত্বে বিদ্রোহ করেছিল। ইংরেজরা কঠোরভাবে এই বিদ্রোহ দমন করেছিল। বিচারে সিধু ও কানহুর ফাঁসি হয়েছিল।

উঃ-সশস্ত্র বিপ্লব সেনানী স্কুল শিক্ষক সূর্য সেন ‘মাস্টারদা’ নামেই বেশি পরিচিত ছিলেন। তাঁর নেতৃত্বে বিপ্লবীরা চট্টগ্রাম অস্ত্রাগার লুণ্ঠন করে, টেলিফোন ও টেলিগ্রাফ লাইন ধ্বংস করে চট্টগ্রামে এক বিপ্লবী সরকার প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। পরে ইংরেজদের হাতে ধরা পড়লে বিচারে 1934 খ্রিস্টাব্দে তাঁর ফাঁসি হয়।

উঃ-ছাত্রছাত্রীরা এক এক করে সম্পদের ব্যবহারের উদাহরণ বলতে পারবে।

(1) বুদ্ধিকে কাজে লাগিয়ে মানুষ মাটি আর কয়লা দিয়ে ইট তৈরি করেছে এবং সেই ইট দিয়ে পাকা বাড়ি বানিয়েছে।

(2) রান্নার জন্য মানুষ আগুন জ্বালাতে শিখেছে এবং আগুন জ্বালানোর জন্য কাঠকে সম্পদ হিসেবে ব্যবহার করেছে।

(3) রান্না করা জিনিস রাখার জন্য মানুষ বুদ্ধিকে কাজে লাগিয়ে মাটির পাত্র বা কড়া বানিয়েছে।

(4) মাটির পাত্রের গায়ে বিভিন্ন নকশা এঁকে বুদ্ধির সাহায্যে সেটিকে পুড়িয়ে শক্ত করেছে, যাতে তা আরও ভালোভাবে বোঝা যায় এবং পাত্রটি শক্ত হয়।

(5) প্রথম দিকে মানুষ রান্নার সুবিধার জন্য মাটিতে গর্ত করে কাঠের উনুন তৈরি করেছে।