Chapter-4, NOBEL LECTURE

Ans:-Here Mother Teresa spoke about the women who died smilingly in the home. -(এখানে মাদার সেই মহিলাদের কথা বলেছেন যাঁরা আশ্রমে হাসিমুখে মারা গিয়েছিলেন।)

Ans:-We can overcome all the evils of the world by just getting together, loving one -another and bringing peace and joy in our home. (আমরা পৃথিবীর সব সমস্যাকে অতিক্রম -করতে পারি একসঙ্গে থেকে, একে অপরকে ভালোবেসে ও আমাদের বাড়িতে শান্তি ও আনন্দ এনে।)

Ans:-Once a Hindu boy of four years old offered Mother some sugar he kept for three -days without eating it and thus shared his love with other children of the home. (একদা চার বছরের এক হিন্দু বালক তিন দিন না খেয়ে তার ভাগের চিনিটা মাদারকে দিয়েছিল এবং এইভাবে -সে আশ্রমের অন্যান্য ছেলের সঙ্গে তার ভালোবাসা ভাগ করে নিয়েছিল।)

Ans:-A four years old Hindu boy said this to his parents. -(একটি চার বছরের হিন্দু বালক তার বাবা-মাকে এই কথা বলেছিল।)

Ans:-A gentleman informed Mother of a hungry family of eight children. -(এক ভদ্রলোক মাদারকে আটটি শিশুর একটি ক্ষুধার্ত পরিবারের কথা জানিয়েছিলেন।)

Ans:-Mother went to meet the family of eight children to give them some cooked rice. -(মাদার কিছু রান্না করা ভাত দেওয়ার জন্য আটটি সন্তানের একটি পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছিলেন।)

Ans:-The children of a Muslim family were hungry also. -(একটি মুসলিম পরিবারের শিশুরাও ক্ষুধার্ত ছিল।)

Ans:-She was the mother of eight children of a Hindu family. -(তিনি ছিলেন একটি হিন্দু পরিবারের আটটি সন্তানের মা)

Ans:-Mother did not bring more rice for the eight hungry children of a Hindu family -as she wanted them to enjoy the joy of sharing love with the hungry children -of the Muslim family, their next-door neighbours ( মাদার একটি হিন্দু পরিবারের আটটি -শিশুর জন্য আরও বেশি ভাত নিয়ে যাননি কারণ তিনি চেয়েছিলেন যে তারা তাদের নিকট প্রতিবেশী একটি -মুসলিম পরিবারের ক্ষুধার্ত শিশুদের সঙ্গে ভালোবাসা ভাগ করে নেওয়ার আনন্দটা উপভোগ করুক)

Ans:-Mother decided to build a big home for the homeless with the Nobel Prize money. -(মাদার নোবেল পুরস্কারের অর্থ দিয়ে নিরাশ্রয়দের জন্য একটি বড়ো বাড়ি বানাবার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন)

Ans:-Mental poverty the west suffers acutely is referred to here. -(এখানে পশ্চিমের মানুষ তীব্রভাবে যে মানসিক দারিদ্র্য থেকে কষ্ট পায় তার কথা বলা হয়েছে।)

Ans:-These people feel unwanted, unloved and they are thrown out from the -society. (এই লোকগুলি নিজেদেরকে মনে করে অবাঞ্ছিত, ভালোবাসাবিচ্যুত আর তারা সমাজ থেকে নিক্ষিপ্ত।)

Ans:-According to Mother, smile is the beginning of love. -(মাদারের মতে স্মিত মৃদু হাসি হল ভালোবাসার সূচনা )

Ans:-Mother received 15 dollars from a disabled person. -(মাদার এক প্রতিবন্ধীর কাছ থেকে ১৫ ডলার পেয়েছিলেন )

Ans:-The disabled person saved the money by stopping smoking for a week. (প্রতিবন্ধী ব্যক্তিটি এক সপ্তাহ ধূমপান বন্ধ করে টাকাটা সঞ্জয় করেছিলেন।)

Ans:- Mother told the people who came to hear her lecture to keep the joy of loving Jesus in their hearts on the eve of the Christmas (মাদার যেসব লোক তাঁর ভাষণ শুনতে এসেছিলেন তাঁদেরকে খ্রিস্টমাসের প্রাক্কালে তাদের হৃদয়ে জিশুকে ভালোবাসার আনন্দ ধরে রাখতে বলেন।)

Ans:-The point is that no child will be unwanted and that we should meet each other with a smile even when it is difficult to smile. (দিকটা হল যে, কোনো শিশুই অবাঞ্ছিত হবে না এবং হাসতে কষ্ট হলেও আমরা এখন একে অপরের সঙ্গে হাসিমুখেই সাক্ষাৎ করব।)

Ans:- Fourteen Professors came to meet Mother from the United States. (আমেরিকা থেকে চোেদ্দজন অধ্যাপক মাদারের সঙ্গে দেখা করতে এসেছিলেন)

Ans:- More than 36000 people were picked up from the streets of Calcutta. (কলকাতার রাস্তা থেকে ৩৬০০০-এর বেশি মুমূর্ষু লোককে তুলে আনা হয়েছিল।)

Ans:-One American Professor wanted to know from Mother what they should remember after visiting the home for dying. (একজন আমেরিকান অধ্যাপক মাদারের কাছ থেকে জানতে চেয়েছিলেন মুমূর্ষুদের আবাস দেখার পর তাদের কোন্‌টা মনে রাখার মতো জিনিস হবে।)

Ans:- Mother advised the American Professors to smile at each other. (মাদার আমেরিকার অধ্যাপকদের একে অপরের দিকে তাকিয়ে হাসতে বলেছিলেন।)

Ans:-Mother Teresa was awarded the Nobel Prize in recognition of her untiring effort to spread international peace and understanding. She imbibed the spirit of universal love of Christianity. She modelled her life on the ideal of Jesus Christ. Time and again Mother expressed her staunch belief in the values of love and peace, compassion and service preached and practised by the son of God. Obviously, in her Nobel Speech she could not but mention the great religious master. But she went further than that. Here at the very outset of her speech she referred to the incidents of Christ's birth and death. It was not without reason. Firstly, the birth of Christ was heralded as a 'good news' to the earth. He was the son of God. He appeared as a man. He brought with him the message of peace. He came to redeem mankind. Again, he died on the cross to show his greater love for all human beings. It was a noble sacrifice. Mother too devoted her life to the service of the poor and the helpless. She was given the Nobel Prize for her humanitarian work. It was a good news to her. But it was only a continuation of the work of Christ. Mother felt that there was nothing new in her service. She only followed in the footprints of Christ. Christ was hers guiding lamp. And in that luminous light she had her life-long journey. All this explains why Mother Teresa humbly paid tribute to Christ, the polestar of her life. (আর্ন্তর্জাতিক শান্তি ও বোঝাপড়া প্রসারে তাঁর অক্লান্ত প্রচেষ্টার স্বীকৃতিস্বরূপ মাদার তেরেসা নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। তিনি খ্রিস্টান ধর্মের সর্বজনীন প্রেমের ভাবধারা গ্রহণ করেন। জিশু খ্রিস্টের আদর্শের আদলে গঠন করেন। স্বীয় জীব । বারংবার মা ঈশ্বরপুত্র কর্তৃক প্রচারিত ও অনুশীলিত ভালোবাসা ও শান্তি, দয়া ও সেবার মূল্যবোধে তাঁর দৃঢ় বিশ্বাসের কথা ব্যক্ত করেন। স্পষ্টতই তাঁর নোবেল ভাষণে তিনি এই মহান ধর্মগুরুর কথা না উল্লেখ করে থাকতে পারেননি। কিন্তু তিনি এ ছাড়াও আরও অনেক কথা বলেছেন। এখানে তাঁর ভাষণের প্রারম্ভেই তিনি খ্রিস্টের জন্ম ও মৃত্যুর ঘটনা উল্লেখ করেছেন। এটি অকারণে নয়। প্রথমত, খ্রিস্টের জন্ম পৃথিবীর কাছে একটি সুসমাচার হিসেবে ঘোষিত হয়েছিল। তিনি ছিলেন ঈশ্বরপুত্র। তিনি মানুষরূপে অবতীর্ণ হয়েছিলেন। তিনি এনেছিলেন। শান্তির বাণী। তিনি মানবজাতিকে উদ্ধার করতে আবির্ভূত হয়েছিলেন। আবার, তিনি ক্রুশবিদ্ধ হয়ে মৃত্যুবরণ করেন। সকল মানবকে মহত্তর ভালোবাসা দান করতে। এটি ছিল এক মহান আত্মত্যাগ। মাদারও দরিদ্র ও অসহায়। মানুষের জন্য তাঁর সমগ্র জীবন উৎসর্গ করেছেন। তাঁর মানবকল্যাণমূলক কাজের জন্য তাঁকে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত করা হয়েছে। এটি তাঁর কাছে একটি সুসমাচার। কিন্তু, এটি কেবল ক্লাইস্টের কর্মের একটি ধারাবাহিকতা। মাদার মনে করেন যে তাঁর সেবাকর্মে নতুন কিছু নেই। তিনি কেবল ক্লাইস্টের পদাঙ্ক অনুসরণ করেছেন। ক্রাইস্ট তাঁর আলোকবর্তিকা আর তাঁর উজ্জ্বল আলোকে তাঁর জীবনব্যাপী পথ চলা। এই সবকিছুই স্পষ্ট করে মাদার তেরেসা কোন কারণে তাঁর জীবনের ধ্রুবতারা ক্রাইস্টের প্রতি বিনম্র চিত্তে শ্রদ্ধাভক্তি অর্পণ করেছেন)

 Ans:-Mother Teresa, like Jesus Christ, has taught us the great lesson of love and peace. Having digested the essence of the Bible, she can tell us that God loves man too much, and that is why he sent his loved son to earth. Jesus, God's son, loved man so much that he suffered for man pain, poverty and hardship, and finally died on the cross to save mankind from sin. Through his life Jesus has taught us to love those who most need it: the lepers, the hungry, the naked beggars in the streets of big cities. The essence of the teaching of the Gospel is that man should love each other as much as God has loved him. True love involves sacrifice. God had sacrificed his dear son for mankind's good. Jesus sacrificed his life for the sake of man. Seeing these examples man should be prepared to make some great sacrifice for his fellowmen.

From this it follows that it is not possible for a man to love God if he does not love his neighbours first. Love for God, hunger for such love, is the need of every human soul. But the only way to love God properly is to love other men, particularly those who are in need of your help. St. John has rightly said that one who claims to be a lover of God without being a lover of his neighbours, is a liar. It is because man cannot see God, for him God appears in the shapes of needy men. Man is made in the image of God, and to serve your neighbours is the best way of worshipping God and expressing love for him. It is only when a man really loves the poor, suffering, down-trodden fellowmen with all the warmth of his heart, and is needy to make utmost sacrifice for them, that he may be said to love God in the true sense. It may be noted that it is the same great lesson that Vivekananda has taught, that, one who loves his fellow creatures does worship God in the most proper manner. (জিশুখ্রিস্টের মতো মাদার টেরেসা আমাদের প্রেম ও শান্তির মহান শিক্ষা দিয়েছেন। বাইবেলের সারাংশ আয়ত্ব করে তিনি আমাদের বলতে পারেন যে ঈশ্বর মানুষকে খুব বেশি ভালোবাসেন, আর তাই তিনি তাঁর প্রিয় পুত্রকে পৃথিবীতে পাঠিয়েছিলেন। ঈশ্বরপুত্র জিশু মানুষকে এত ভালোবাসতেন যে মানুষের জন্য তিনি চরম বেদনা, দারিদ্র এবং কষ্ট সহ্য করেছেন এবং শেষ পর্যন্ত মানুষকে পাপ থেকে উদ্ধার করার জন্য নিজে ক্রুশবিদ্ধ হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন। নিজের জীবনকে দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখিয়ে জিশু আমাদের শিখিয়েছেন ভালোবাসতে তাদের যাদের এটি সবচেয়ে প্রয়োজন। যেমন কুষ্ঠরোগীরা, ক্ষুধার্তরা এবং বড়ো বড়ো শহরের রাস্তায় থাকা নগ্ন ভিক্ষুকরা। জিশুর প্রচারিত সুসমাচারের সারাংশ হল, ঈশ্বর যেমন মানুষকে ভালোবেসেছেন, তেমনি মানুষের উচিত পরস্পরকে ভালোবাসা। প্রকৃত ভালোবাসা শেখায় ত্যাগ করতে, উৎসর্গ করতে। ঈশ্বর তাঁর প্রিয় পুত্রকে দান করেছিলেন মানবজাতির মঙ্গলের জন্য। জিশু নিজের জীবন উৎসর্গ করেছেন মানুষের জন্য। এই দৃষ্টাত্তগুলি দেখে মানুষেরও প্রস্তুত থাকা উচিত অন্য মানুষের জন্য বড়ো উৎসর্গ দিতে।

এ থেকে একটি কথা বোঝা যায় যে, কোনো মানুষের পক্ষে ঈশ্বরকে ভালোবাসা সম্ভব নয়, যদি সে আগে তার প্রতিবেশীদের না ভালোবাসে। ঈশ্বরের প্রতি ভালোবাসা, এই ভালোবাসার ক্ষুধা, প্রত্যেক আত্মার পক্ষে প্রয়োজনীয়। কিন্তু ঈশ্বরকে উপযুক্ত ভাবে ভালোবাসার একমাত্র পথ তাদের ভালোবাসা, যাদের পক্ষে তোমার সাহায্য একান্ত প্রয়োজন। সেইন্ট জন ঠিকই বলেছেন যে যারা দাবি করে তারা ঈশ্বর-প্রেমিক অথচ স্বীকার করে যে তারা তাদের প্রতিবেশীদের ভালোবাসে না, তারা মিথ্যাবাদী। কারণ মানুষ ঈশ্বরকে দেখতে পায় না, তার কাছে ঈশ্বর দেখা দেন অভাবী মানুষের রূপ ধরে। ঈশ্বরের রূপের আদলে মানুষকে সৃষ্টি করা হয়েছে, এবং তোমার প্রতিবেশীদের সাহায্য ও সেবা করাই ঈশ্বরকে পূজা করার শ্রেষ্ঠ পন্থা। এইভাবেই তাঁকে ভালোবাসা জানানো যায়। তখনই বলা যায় কোনো মানুষ ঈশ্বরকে প্রকৃত অর্থে ভালোবাসে, যখন সে প্রেম বিলোতে পারে দারিদ্র, যন্ত্রণাকাতর, অন্তব্জ শ্রেণির মানুষের মধ্যে এবং তাদের জন্য স্বার্থত্যাগ করতে পারে। লক্ষণীয় ব্যাপার হল এই একই মহান শিক্ষা বিবেকানন্দ শিখিয়ে গেছেন যে, সকল জীবকে যে ভালোবাসতে পারে; সেই-ই ঈশ্বরের উপাসনা যথার্থ ভাবে করে )

Ans:-Once Mother Teresa was in the West. There she got an opportunity to visit an old age home. It was an institution where the sons and daughters kept their old parents. Mother went there and was shocked and surprised to see a strange scene. It was not that the aged in-dwellers did not live in comfort. But they had no inner peace of mind. They had all beautiful things. Their sons and daughters provided them with all means of material happiness. Yet mother found no smile on their faces. They were all looking towards the door. They had an eager ear to the sounds of the footsteps of their near and dear ones. On enquiry Mother learnt from the sister of the home that these unfortunate aged people were expecting their wards every time. Mother also learnt that the picture was same every day. Mother observed that these poor aged people were deeply mortified. They could not stand the neglect they received from their sons and daughers. Mother felt that it was only a sign of poverty-the lamentable lack of love. This destroyed all peace. Lack of love in family is a serious poverty. The visit to the old age home made mother feel that love should begin at home. We must take care of him who feels sick and worried, lonely and hurt. It is, Mother thought, a very difficult problem. And it can be addressed only by our understanding love. (একদা মাদার তেরেসা প্রতীচ্যে ছিলেন। সেখানে তিনি একটি বৃদ্ধাশ্রম পরিদর্শনের সুযোগ পান। এটি ছিল এমন এক প্রতিষ্ঠান যেখানে ছেলেমেয়েরা তাদের বৃদ্ধ বাবা মায়েদের রেখেছিল। মা সেখানে গিয়ে এক অদ্ভুত দৃশ্য দেখে বিস্মিত ও আহত হন। সেখানে বয়স্ক অধিবাসীরা যে স্বাচ্ছন্দ্যে ছিল না তেমনটি নয়। কিন্তু তাদের মনে কোনো শান্তি ছিল না। তাঁদের সুন্দর সুন্দর সব জিনিস ছিল। তাঁদের সন্তানসন্ততিরা তাদের জন্য পার্থিব সুখের যাবতীয় ব্যবস্থার আয়োজন করে দিয়েছিল। তবুও মা তাঁদের মুখে হাসি দেখতে পাননি। তাঁরা সবাই দরজার দিকে তাকিয়েছিল। তাঁদের প্রিয়জনদের পায়ের শব্দ শুনতে উৎকর্ণ ছিল। মা আশ্রমের সিস্টারের কাছ থেকে জানলেন যে এই হতভাগ্য বৃদ্ধ মানুষগুলি প্রতিমুহূর্তে তাদের সন্তানসন্ততির আগমনের আশা করছিল। মা আরও জানলেন যে প্রতিদিনকার ছবি একইরকম। মা লক্ষ করলেন যে, এই অভাগা বৃদ্ধরা গভীরভাবে মর্মাহত। তারা তাদের সন্তানসন্ততির কাছ থেকে পাওয়া কোনো অবহেলা সহ্য করতে পারে না। মা অনুভব করলেন যে এটি একটি দারিদ্র্যের চিহ্ন—ভালোবাসার শোচনীয় অভাব। এটিই শাস্তি ধ্বংস করে। পরিবারে ভালোবাসার অভাব একটি চরম দারিদ্র্য। বৃদ্ধাশ্রম পরিদর্শনে এসে মায়ের অনুভূতি হল যে ভালোবাসা বাড়িতেই শুরু হয়। আমাদের তার প্রতি যত্নবান হওয়া দরকার যিনি অসুস্থ ও উদবিগ্ন বোধ করেন, নিঃসঙ্গ ও আহত বোধ করেন। মা ভাবলেন যে, এটি একটি কঠিন সমস্যা। আর কেবল অনুধাবনক্ষম ভালোবাসা দিয়েই তার মোকাবিলা করা যায়)

Ans:- Almost throughout her Nobel lecture, Mother Teresa has tried to rouse the soft human feelings within her audience. She has appealed to their heart to feel love for the members of their own families first. Then it is to broaden into love for neighbours, and finally into love for all human beings, especially the poor and the ailing. Even her experience of the visit to the old age home is intended to appeal to our emotion. It makes us feel the pathos of the aged parents hungry of love and personal contact despite material comfort. It urges all sons and daughters to fulfil the expectation with which the parents, left at old age home, look at the door. The emotional appeal is stronger in the stories about the Mother's encounters with the poor in Calcutta, which she shares with her audience in Norway. She tells her listeners how great the poor can prove to be when they are treated in a human manner. In one of her stories a woman, picked up from the street in a most wretched condition is lovingly put in bed by the Mother. Her life could not be saved, but before dying she gave mother a beautiful smile and thanked her for treating her with dignity and care. In another story a man, half eaten with worms, was picked up from a drain. He was noble enough to tell his comforters, "I have lived like an animal in the street, but I am going to die like an angel, loved and cared for." He was also heroic enough to die without blaming anybody. Such anecdotes have a great emotional appeal. They move us to tears, and also teach us to love the poor and wretched. In yet another story we come to know that when Mother Teresa went to give rice to a family which was starving, with eight children, for some days, the mother of the children distributed the rice not only among her own children, but also among those of a Muslim neighbour. This proves how great and noble the poor can be. (তাঁর নোবেল বক্তৃতার প্রায় সর্বত্র মাদার টেরেসা তাঁর শ্রোতাদের মধ্যে কোমল মানবিক অনুভূতি সৃষ্টির চেষ্টা করেছেন। তিনি তাদের হৃদয়ের কাছে আবেদন রেখেছেন প্রথমত তাদের নিজেদের পরিবারের সদস্যদের প্রতি ভালোবাসা জাগানোর জন্য। এটিই ক্রমশ বিস্তৃত হবে প্রতিবেশীদের প্রতি প্রেমে এবং শেষে সমস্ত মানুষের প্রতি ভালোবাসায়, বিশেষত দরিদ্র এবং অসুস্থদের প্রতি। বৃদ্ধাশ্রম দেখতে গিয়ে তাঁর যে অভিজ্ঞতা, সেটিও আমাদের অনুভূতিকে জাগিয়ে তোলার উদ্দেশ্যে বলা। এটি আমাদের বৃদ্ধ পিতামাতাদের বিষাদ বুঝিয়ে দেয় যে, তাঁরা সমস্ত জাগতিক আরাম সত্ত্বেও ভালোবাসা এবং ব্যক্তিগত সান্নিধ্যের জন্য ক্ষুধার্ত। সব পুত্র-কন্যাকে এটি অনুপ্রানিত করে যেন তারা তাদের বৃদ্ধাশ্রমে রেখে আসা পিতামাতাদের দরজার দিকে তাকিয়ে থাকার প্রত্যাশা পূর্ণ করে। মাদার তাঁর কলকাতার দরিদ্রদের সংস্পর্শে আসার যে সব কাহিনির সঙ্গে তাঁর নরওয়ে-র শ্রোতাদের শরিক করে নিয়েছেন, সেগুলিতে আমাদের কোমল হৃদয়বৃত্তির কাছে আবেদন আরও স্পষ্ট ও জোরালো। তিনি তাঁর শ্রোতাদের বলেছেন, দরিদ্ররা সত্যিই মহান, এটি বোঝা যায় তাদের সঙ্গে মানবিক আচরণ করলে। তাঁর একটি কাহিনিতে অত্যন্ত করুণ অবস্থায় রাস্তা থেকে তুলে আনা এক নারীকে মাদার পরম প্রেমের সঙ্গে বিছানায় শুইয়ে দেন। তার জীবন রক্ষা করা সম্ভব হল না। কিন্তু মৃত্যুর আগে মাদারকে সে এক সুন্দর হাসি উপহার দিল এবং তাকে সম্মান ও দরদ দেখানোর জন্য তাঁকে ধন্যবাদ দিল। আর একটি কাহিনিতে একটি মানুষকে রাস্তার নর্দমা থেকে তুলে আনা হয় এবং দেখা যায় তার শরীরের অর্ধেকটা পোকারা খেয়ে ফেলেছে। সেও মহৎ ব্যক্তির মতো তার শুশ্রুষাকারীদের বলে গেল “আমি রাস্তায় জন্তুর মতো বাস করেছি, কিন্তু আমি ভালোবাসা ও যত্নের মধ্যে দেবদূতের মত মরছি।” বীরের মতো সে মৃত্যুবরণ করেছে, কাউকে কোনো দোষারোপ না- করে। এই সব কাহিনির এক প্রবল আবেদন আছে আমাদের অনুভূতির কাছে। আরো একটি কাহিনিতে আমরা জানতে পারি যে, আটটি বাচ্চাসহ একটি পরিবার কিছুদিন অভুক্ত রয়েছে শুনে মাদার টেরেসা যখন সেখানে ভাত নিয়ে গেলেন, বাচ্চাগুলির মা সেই ভাত শুধু তাঁর নিজের ছেলেমেয়েদের মধ্যে নয়, প্রতিবেশী এক মুসলমানের বাচ্চাদের মধ্যেও ভাগ করে দিলেন। এ থেকে প্রমাণিত হয় দরিদ্ররা কত উদার ও মহান হতে পারে।

Ans:-Mother Teresa is charmed at the greatness of poor people. In her 'Nobel Lecture' she gives some concrete examples to make it clear. Once in Kolkata they had great difficulty in getting sugar. Somehow the word got around to the children. One day a little boy came to meet her. He had brought with him some sugar he had saved by from his quota for three days running. Secondly, one day mother picked up four people from the street. One of them was in a most terrible condition. Mother herself took charge of her. She nursed her with loving care. She put her in bed. The dying woman smiled. Mother took hold of her hand. Before she met death, she could pronounce only one word, 'Thank you. The woman did not complain of her lot. She neither cursed nor blamed anyone. She had the feeling that she lived like an animal but was dying like an angel. Mother discovered nothing but greatness in that woman. Mother saw that the poor wretched woman smilingly endured all the sufferings and pain and died with a brilliant smile. Mother found none but Christ in her. And it was to her an exemplary greatness. (মাদার তেরেসা দরিদ্র মানুষের মহত্ত্বে মুগ্ধ। তাঁর নোবেল ভাষণে তিনি কয়েকটি বাস্তব উদাহরণের মাধ্যমে তা স্পষ্ট করেছেন। একদা কলকাতায় তাঁদের চিনি জোগাড় করতে খুব অসুবিধার মধ্যে পড়তে হয়। কোনোভাবে কথাটি শিশুদের কানে গিয়ে পৌঁছোয়। একদিন একটি ছোটো ছেলে তাঁর সঙ্গে দেখা করতে আসে। সে তিন দিন ধরে তার ভাগের যে চিনিটা সঞ্চয় করে রেখেছিল তা নিয়ে আসে। দ্বিতীয়ত, একদিন মা রাস্তা থেকে চারটি লোককে তুলে নিয়ে যান (তাঁর আশ্রমে)। তাদের মধ্যে একজনের অবস্থা ছিল অত্যন্ত খারাপ। মা স্বয়ং তার দায়িত্ব নেন। তিনি পরম মমতা ও যত্ন নিয়ে তার সেবা করেন। তিনি তাকে বিছানায় শোয়ান। মরণাপন্ন মহিলাটি স্নিগ্ধ হাসি হাসেন। মা তার হাত ধরেন। মৃত্যুর আগে সে কেবল একটি শব্দই উচ্চারণ করে, “ধন্যবাদ।” মহিলাটি তার ভাগ্যকে দোষারোপ করেনি। সে কাউকে গালিও দেয়নি, অভিশাপও দেয়নি। তার এই অনুভূতি ছিল যে সে পশুর মতো বেঁচে ছিল, কিন্তু দেবদূতের মতো সে মারা যাচ্ছিল। মা সেই মহিলার মধ্যে মহত্ত্ব ছাড়া অন্য কিছু দেখতে পাননি। মা দেখেন, যে দরিদ্র দুঃখী মহিলাটি সকল যন্ত্রণা হাসিমুখে সহ্য করেছিল এবং হাসি মুখে মারা গেল। মা তার মধ্যে ক্রাইস্ট ছাড়া অন্য কাউকে খুঁজে পাননি। আর এটি তাঁর কাছে একটি দৃষ্টান্তমূলক মহত্ত্ব।)

Ans:-In her 'Nobel Lecture Mother Teresa mentioned an incident where she most delightfully enjoyed the joy of sharing. There was a poor Hindu family in Kolkata. There were eight children in the family. The family was starving. One day a gentleman met Mother.He requested Mother to do something for this wretched family. Mother took some rice and went there at once, Mother met the children. Their eyes were then radiating with hunger. Mother handed the rice over to the mother of the children. She took the rice and divided some of it among her own children. And then she went out with the remaining rice. After a while she came back. Mother asked her where she had gone. She learnt that the poor woman had gone to offer the rice to the children of another starving family. It was a Muslim family. But the poor woman did not mind it. She felt for those hungry children. Mother had not brought more rice that evening. For, she wanted them to enjoy the joy of sharing. Mother felt extremely happy. The children forgot all their communal differences. It was love that bound them together. From that love came all their joy. The incident clearly proves that we can have the joy of sharing by doing little acts of love and kindness. (তাঁর নোবেল ভাষণে মাদার টেরেসা একটি ঘটনার উল্লেখ করেছেন, যাতে তিনি অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে উপভোগ করেছিলেন ভাগ করে নেওয়ার আনন্দকে। কলকাতায় একটি দরিদ্র হিন্দু পরিবার ছিল। সেই পরিবারে আটটি শিশু ছিল। পরিবারটি কয়েকদিন ধরে উপবাসী ছিল। একদিন এক ভদ্রলোক মাদারের সঙ্গে দেখা করলেন। তিনি মাদারকে এই দুঃখী পরিবারের জন্য কিছু করতে অনুরোধ করলেন। মা কিছু পরিমাণ ভাত নিয়ে তৎক্ষণাৎ সেখানে গেলেন। মাদার শিশুদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন। তাদের চোখগুলি তখন ক্ষুধায় চকচককরছিল। মাদার সেই শিশুদের মায়ের হাতে সেই ভাত তুলে দিলেন। সে ভাত নিয়ে তার খানিকটা তার নিজের শিশুদের মধ্যে ভাগ করে দিল। তারপর সে বাকি ভাত নিয়ে বাইরে বেরিয়ে গেল। কিছুক্ষণ পর সে ফিরে এল। মা তাকে জিজ্ঞাসা করলেন যে সে কোথায় গিয়েছিল। মা জানতে পারলেন যে দরিদ্র মহিলাটি অন্য এক ক্ষুধার্ত পরিবারের সন্তানদের কাছে সেই ভাত দিতে গিয়েছিল। এটি ছিল এক মুসলিম পরিবার। কিন্তু সেই দরিদ্র মহিলাটির তাতে কিছু এসে যায়নি। সে ওই শিশুগুলির কথা ভেবেছিল। মাদার সেই সন্ধ্যায় আরও বেশি ভাত আনেননি। কারণ তিনি চেয়েছিলেন যে তারা ভাগ করে নেওয়ার আনন্দটা উপভোগ করুক। মা খুব খুশি হয়েছিলেন। শিশুরা তাদের সব সাম্প্রদায়িক বিভেদ ভুলে গিয়েছিল। ভালোবাসা তাদের ঐক্যের বন্ধনে বেঁধেছিল। সেই ভালোবাসা থেকেই এসেছিল আনন্দ। এই ঘটনা স্পষ্টভাবে প্রমাণ করে যে আমরা ভালোবাসা ও দয়ার ছোটো ছোটো কাজের মাধ্যমে ভাগ করে নেওয়ার আনন্দ পেতে পারি।)

Ans:- Mother Teresa in his Nobel lecture has appealed to her audience to come forward, and help the distressed people. We, as readers of the printed lecture, are also called upon to lovingly serve the poor and wretched section of humanity. It is certainly possible for every person of normal health and steady financial condition to help the poor with some money and some physical sacrifice. But what is possible for Mother as head of a vast organization with many sisters, volunteers and patronage of the government, is not possible for single persons with very limited capacity and no infrastructure for elaborate service. Her appeal rouses our feelings of love and pity, but it is difficult for most of us to get rid of such feelings as shame, abhorrence and fear altogether. But this is what missionaries like Mother Teresa have achieved.

Upto some extent we can respond to Mother's call and make some sacrifices for the poor. For example, we can follow the instance of the small boy who resolved not to eat sugar for three days. And instead he would send their sugar to Mother Teresa for her children. And, the paralysed man, whose only joy left in life was to smoke, sent 15 dollars to Mother Teresa by refraining from smoking for one week. The smokers among us can make a similar sacrifice.

But it would be unpracticable for us to pick up dying men from the streets and try to give them a touch of love and comfort at our homes. We can not take the responsibility of unclaimed dead bodies. It would also be too loathsome for most of us to pick up a man 'from the drain, half eaten with worms' and arrange for his comfortable death. Mother does not ask us to send such wretched street-dwellers to hospital, she asks us to take personal care of them. It is hardly possible to act upto her expectation. (তাঁর নোবেল বক্তৃতায় মাদার টেরেসা তাঁর শ্রোতাদের কাছ আবেদন করেছেন দুর্দশাগ্রস্ত লোকেদের সাহায্যের জন্য এগিয়ে আসতে। মুদ্রিত বক্তৃতাটির পাঠক হিসেবে আমাদেরও ডাক দিয়েছেন মাদার ভালোবাসা সহকারেদরিদ্র এবং দুর্দশাগ্রস্ত মানুষের সেবা করার জন্য। প্রত্যেক স্বাভাবিক স্বাস্থ্যসম্পন্ন এবং আর্থিকভাবে সচ্ছল ব্যক্তির পক্ষে অবশ্যই দরিদ্রদের অর্থ এবং কিছু কায়িক ত্যাগ দিয়ে সাহায্য করা। কিন্তু এক বিশাল প্রতিষ্ঠানের নেত্রী হিসেবে, বহু সিস্টার এবং স্বেচ্ছাসেবী ও সরকারের পৃষ্ঠপোষকতাপুষ্ট মাদারের পক্ষে যা করা সম্ভব, সেটি কোনো একক ব্যক্তি তার সীমাবদ্ধ ক্ষমতা এবং ব্যাপক সেবার উপযুক্ত বন্দোবস্তহীন অবস্থায় করতে পারেন না। তাঁর আবেদন অবশ্যই আমাদের মধ্যে দরদ ও ভালোবাসা জাগিয়ে তোলে। কিন্তু আমাদের মতো অধিকাংশ লোকের পক্ষে লজ্জা, ঘৃণা, ভয় ইত্যাদি অনুভূতি সম্পূর্ণ জয় করা খুব শক্ত। কিন্তু এটাই অর্জন করেছেন মাদার টেরেসার মতো ধর্মপ্রচারকরা।

মাদারের আহ্বানে আমরা সাড়া দিয়ে দরিদ্রদের জন্য কিছুটা স্বার্থত্যাগ ও কষ্টস্বীকার করতে পারি। যথা, আমরা সেই ছেলেটির দৃষ্টান্ত অনুসরণ করতে পারি যে প্রতিজ্ঞা করেছিল তিনদিন চিনি খাবে না। এবং সেই চিনি মাদার টেরেসার ছেলেমেয়েদের জন্য পাঠিয়ে দেবে। আর যে পঙ্গু লোকটার একমাত্র সান্ত্বনা ছিল ধূমপান সে এক সপ্তাহ ধূমপান ছেড়ে মাদার টেরেসাকে ১৫ ডলার পাঠিয়ে ছিল, আমাদের মধ্যে যারা ধূমপান করে তারা এই পথ অবলম্বন করতে পারে।

কিন্তু আমাদের পক্ষে মুমূর্ষু লোকেদের রাস্তা থেকে তুলে এনে আমাদের বাড়িতে ভালোবাসা ও সেবাযত্নের স্পর্শ দেওয়া বাস্তবিক সম্ভব নয়। আমরা সেইসব মৃতদেহের দায়িত্ব নিতে পারি না, যাদের কোনো দাবিদার নেই। নর্দমা থেকে অর্ধেক পোকায় কাটা কোনো মানুষকে তোলাটাও আমাদের অধিকাংশের পক্ষে খুব ঘৃণাজনক মনে হবে। আর তারা আরামদায়ক মৃত্যুর ব্যবস্থা করাও শক্ত হবে। মাদার আমাদের বলেন নি এইসব চরম দুর্দশাগ্রস্ত মানুষদের হাসপাতালে পাঠাতে বলেন নি। তিনি আমাদের বলেছেন ব্যক্তিগতভাবে এদের সেবাযত্ন করতে। তার এই প্রত্যাশা অনুযায়ী কাজ করা প্রায় অসম্ভব।)

Ans:-Throughout her Nobel lecture, except in one or two paragraphs, Mother Teresa constantly and repeatedly refers to the Bible, and principles of Christianity. She begins with the mention of the prayer of St. Francis of Assissi, and of Holy Communion. Then she speaks about the birth of Jesus in paragraph 2. The third paragraph is mostly concerned with the message of the Gospel, and with St. John's observation on how love for God is impossible without love for neighbours. In the context of abortion she again refers to what God has said in the Scripture. She also quotes Jesus' speech, "I was hungry - I was naked - I was homeless..." etc. She has particularly eulogized the missionary work of 'our sisters' throughout the world, and has asked her listeners to give them all help, monetary or otherwise. She has mentioned the special joy which is felt all over the world during Chistmas. She has reminded us Christ is in the poor that we meet' and 'in the smile that we give and the smile that we receive." She does not mention any other religion or belief of the world. As a devout Christian missionary she thinks that the Bible, the life of Christ and tenets of Christianity are sufficient to establish all her statements and arguments. But followers of other religious and beliefs have no reason to feel offended, since she does not say anything derogatory and negative about them. Indeed her outlook is very positive, and everybody should agree with her basic lesson that to love man is to love God, and that is the supreme duty of all human beings. It is a fact that if the Mother could introduce messages from at least another religion, the appeal of her lecture would be enhanced. But she has largely succeeded in overcoming this limitation by expressing human warmth all over her speech. In fact, as it is, we find a striking resemblance between the Christian message and Vivekananda's philosophy of true Hinduism which preaches the great lesson that the true worshipper of God is he who loves all living creatures. (তাঁর নোবেল বক্তৃতার সর্বত্র, দু-একটি অনুচ্ছেদ ছাড়া, মাদার টেরেসা সতত এবং বারংবার বাইবেল ও খ্রিস্টধর্মের মূল নীতিগুলির উল্লেখ করেছেন। তিনি শুরু করেছেন সেইন্ট ফ্রান্সিস আসিসির প্রার্থনার কথা উল্লেখ করে এবং জিশুর শেষ সান্ধ্যভোজের কথা বলে। তারপর তিনি দ্বিতীয় অনুচ্ছেদে জিশুর জন্মের কাহিনি আলোচনা করেছেন। তৃতীয় অনুচ্ছেদটি প্রায় সমগ্রভাবে জিশুখ্রিস্ট প্রচারিত সুসমাচার এবং সেইন্ট জনের বক্তব্য প্রতিবেশীকে ভালো না বাসলে ঈশ্বরকে ভালোবাসা যায় না—এই সব সংক্রান্ত। গর্ভপাতের প্রসঙ্গে বলতে গিয়েও তিনি আবার উল্লেখ করেছেন বাইবেলে ঈশ্বরের উক্তির। তিনি জিশুর বাণীও উদ্ধৃত করেছেন, “আমি ক্ষুধার্ত ছিলাম—আমি নগ্ন ছিলাম—আমি নিরাশ্রয় ছিলাম...” ইত্যাদি। মাদার বিশেষ ভাবে প্রশংসা করেছেন খ্রিস্টধর্মী sister-দের, যাঁরা সারা পৃথিবী জুড়ে কাজ করে চলেছেন। শ্রোতাদের তিনি অনুরোধ করেছেন আর্থিক এবং অন্যান্য সহায়তা নিয়ে তাঁদের পাশে দাঁড়াতে। ক্রিস্সাস বা বড়োদিনের সময় জগৎ জুড়ে যে আনন্দ অনুভূত হয়, তাও মাদার উল্লেখ করেছেন। তিনি আমাদের স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন যে খ্রিস্ট আছেন ‘আমরা যে দরিদ্রদের দেখি, তাদের মধ্যে এবং যে হাসি আমরা দিতে পারি অন্যকে এবং যে হাসি অন্যদের থেকে নিতে পারি, তার মধ্যে। মাদার অন্য কোনো ধর্ম বা বিশ্বাসের কোনো উল্লেখ করেন নি। এক নিবেদিতপ্রাণা খ্রিস্টধর্ম প্রচারক হিসেবে তিনি মনে করেন যে, বাইবেল, খ্রিস্টের জীবন এবং খ্রিস্টধর্মের তত্ত্বগুলি-ই তাঁর বক্তব্য ও যুক্তিকে প্রতিষ্ঠিত করার পক্ষে যথেষ্ট। কিন্তু অন্যান্য ধর্মের ও বিশ্বাসের লোকেদের এতে আহত হবার কারণ নেই, কারণ তাদের সম্পর্কে নিন্দাজনক বা নেতিবাচক কিছু বলেন নি। বাস্তবিক তাঁর দৃষ্টিভঙ্গি অত্যন্ত ইতিবাচক, এবং তাঁর মূল শিক্ষা, যে মানুষকে ভালোবাসা মানেই ঈশ্বরকে ভালোবাসা হয়, এ বিষয়ে সকলেই একমত হবেন, কারণ সেটাই সব মানুষের পরম কর্তব্য। এটা ঠিক যে, যদি মাদার অন্তত আরও একটি ধর্মের বাণী উল্লেখ করতেন, তাতে তাঁর বাণীর আবেদন বর্ধিত হত। কিন্তু তিনি তাঁর এই অপারগতা অনেকটাই অতিক্রম করতে পেরেছেন তাঁর সমস্ত বক্তৃতা জুড়ে মানবিক উন্নতার স্পর্শ দিয়ে। কার্যত, বক্তৃতাটি যেমন তেমনি থাকলেও আমরা মাদারের খ্রিস্টীয় বাণীর সঙ্গে বিবেকানন্দের খাঁটি হিন্দুধর্মের দর্শনের উল্লেখযোগ্য মিল খুঁজে পাই, কারণ সেখানেও প্রচারিত হয়েছে এই মহান শিক্ষা, যে সমস্ত জীবকে ভালোবাসে, সেই ঈশ্বরের প্রকৃত উপাসক'।)

Ans:-Jesus is an embodiment of love. He is an apostle of peace. He gives his life for the good of mankind. We are to follow him. But mere preaching will not do. We must apply his message in our life. Only then we can feel Jesus in our hearts. Mother tells us to be in touch of Jesus. To mother, the son of God manifests himself in different forms. He is in the form of the hungry, the naked, the diseased, the homeless. He is in the shape of the sick, the unwanted and the lonely. If we want to love Jesus, we must love all the miserables of the world. We must share the joy of loving Jesus with all that we come in contact with. And it is the real joy. It radiates love. There is no reason to be unhappy. We have to feel that Jesus is with us. He is in our hearts. He is in the poor and the distressed that we meet. We must smile. For, in our smile Jesus smiles. The world will smile. Mother wants us to sacrifice all our narrow-ness and differences. She advises us to fight the ill with our smile. Only then we can pray the best. It is in our love to man that Jesus lives. Mother wants us to do little acts of love and kindness. In this way we can have Jesus before our eyes. (জিশু হলেন ভালোবাসার প্রতিমূর্তি। তিনি শান্তির দূত। মানবজাতির কল্যাণের জন্য তিনি জীবন দান করেন। আমরা তাঁকে অনুসরণ করি। কিন্তু কেবল প্রচার দিয়ে তা হবে না। তাঁর বাণীকে আমাদের জীবনে প্রয়োগ করতে হবে। তখনই কেবল আমরা জিশুকে আমাদের হৃদয়ে অনুভব করতে পারব। মা চান আমরা যেন জিশুর সংস্পর্শে থাকি। মায়ের কাছে ঈশ্বরপুত্র বিভিন্ন রূপে আত্মপ্রকাশ করেন। তিনি ক্ষুধার্ত, বস্ত্রহীন, রোগজর্জর ও আশ্রয়হীনরূপে আসেন। তিনি অসুস্থ, অবাঞ্ছিত ও নিঃসঙ্গরূপে আসেন। যদি আমরা জিশুকে ভালোবাসতে চাই, তাহলে পৃথিবীর সকল দুঃখী মানুষকে আমাদের ভালোবাসতে হবে। যেসব লোকের সংস্পর্শেই আসি না কেন আমরা তাদের সঙ্গে জিশুকে ভালোবাসা ভাগ করে নেওয়ার আনন্দ আমাদের পেতে হবে। আর এটাই সত্যিকারের আনন্দ। কারণ এ থেকেই উৎসারিত হয় প্রেম। অসুখী হওয়ার কোনো কারণ নেই। আমাদের অনুভব করতে হবে যে জিশু আমাদের সঙ্গেই আছেন। তিনি আমাদের হৃদয়ে। যে দরিদ্র, দুঃখী মানুষদের আমরা সাক্ষাৎ পাই তাদের মধ্যেই তিনি আছেন। আমাদের হাস্যমুখে থাকতে হবে। কারণ, আমাদের হাসিতেই জিশুর হাসি। পৃথিবীও হাসবে। মাদার চান আমরা আমাদের সকল সংকীর্ণতা ও বিভেদ ভুলে যাই। তিনি আমাদের উপদেশ দেন যে আমরা যেন হাসি দিয়েই সব অমঙ্গলকে লড়াই করে হারাই। একমাত্র তখনই আমর শ্রেষ্ঠ প্রার্থনা করতে পারব। মানুষের প্রতি আমাদের ভালোবাসাতেই জিশুর আবাস। মা চান আমরা দয়া ও ভালোবাসার ছোটো ছোটো কাজ করি। এইভাবেই আমরা আমাদের চোখের সামনে জিশুকে খুঁজে পাব ।)