Chapter-6, UPON WESTMINSTER BRIDGE

Ans:- A The man who ignored the beauty of London at sunrise would be dull of soul. (যে মানুষ সূর্যোদয়ে লন্ডন নগরীর সৌন্দর্য উপেক্ষা করে সে অনুভূতিশূন্য।)

Ans:- The sight of London in the early morning is referred to here. (ঊষাকালে লন্ডন শহরের দৃশ্যের কথা এখানে বলা হয়েছে।)

Ans:- The City of London wears the garment of the beauty of the early morning. (লন্ডন নগরী প্রথম প্রভাতের সৌন্দর্যের পোশাক পরেছে।)

Ans:- The City of Lodon is silent in the early morning because the roar and bustle is absent. (লন্ডন নগরী প্রথম প্রভাতে নীরব কারণ হইচই অনুপস্থিত।)

Ans:- The ships and towers, domes, theatres and churches glitter in the smoke-less air. (ধোঁয়াহীন বাতাসে ঝলমল করে জাহাজ ও গম্বুজ, মিনার, রঙ্গমঞ্চ ও গির্জা)

Ans:- The sky of London in the early morning is clear and smokeless because the factories and vehicles are still in rest. (সকালে লন্ডন নগরীর আকাশ পরিষ্কার ও ধোঁয়াহীন কারণ কলকারখানা ও গাড়িঘোড়া এখনও বিশ্রামরত।)

Ans:- Towers, domes, theatres and temples lie open unto the fields and to the sky. (প্রান্তর ও সুদূর আকাশের দিগন্ত পর্যন্ত প্রসারিত গম্বুজ, মিনার, রঙ্গশালা ও মন্দির।)

Ans:- The valleys, rocks and hills at a distance from the City of London are steeped by the first splendour of the rising sun. (উদীয়মান সূর্যের প্রথম দীপ্তিতে লন্ডন শহরের অনতিদূরে অবস্থিত উপত্যকা, শিলাখন্ড ও পাহাড় অভিসিঞ্চিত)

Ans:- The all-pervading calm in and around the city of London strikes him most. (শহরের মধ্যে ও চারপাশে সর্বব্যাপী নীরবতা কবিকে সবথেকে বেশি আলোড়িত করে।)

Ans:- The river glides freely because it suffers no movement of the boats or ships. (নদী অবাধে বয়ে চলে কারণ এটি কোনো নৌকো বা জাহাজের গতি দ্বারা আক্রান্ত হয় না।)

Ans:- The river Thames is mentioned in the poem Up Westminster Bridge. (Upon Westminster Bridge কবিতাটিতে টেমস্ নদীর উল্লেখ আছে।)

Ans:- The very houses seem asleep in the City of London. (লন্ডন শহরে বাড়িগুলিকে ঘুমন্ত বলে মনে হয়।)

Ans:-  Here, the poet implies that at dawn not men and women but also the houses where they live are in deep slumber. (এখানে কবি বলতে চেয়েছেন যে, প্রভাতে কেবল নরনারীই নয়, তার সঙ্গে তারা যেসব বাড়িগুলিতে বসবাস করে সেগুলি পর্যন্ত গভীর ঘুমে মগ্ন।)

Ans:- The sight of London at sunrise thrills the poet and creates in his mind a sense of joy and wonder. Then he can't but exclaim to express his feelings. (সূর্যোদয়ে লন্ডন নগরীর দৃশ্য কবিকে শিহরিত করে এবং তাঁর মনে আনন্দ ও বিস্ময়ের উদ্রেক করে। তাই সেই অনুভূতিকে প্রকাশ করতে তিনি উচ্ছ্বসিত না হয়ে পারেননি।)

Ans:- The poet compares the City of London to a roaring giant. (কবি লন্ডন শহরকে এক প্রবল গর্জনমুখর দৈত্যের সঙ্গে তুলনা করেছেন?)

Ans:- The houses in the City of London in the early morning appear asleep. (সকালের প্রথম আলোয় লন্ডন শহরের বাড়িগুলিকে কবির নিদ্রামগ্ন বলে মনে হয়।)

Ans:- The river Thames flows according to its own sweet will in the early morning. (প্রথম প্রভাতে টেমস নদী অবাধে, আপন গতিতে বয়ে চলে।)

Ans:- The poet utters these words at the sight of the all-pervasive calm around the city of London at dawn. (প্রভাতে লন্ডন নগরীর চারপাশে পরিব্যাপ্ত অখণ্ড নীরবতা দেখে কবি এই কথাগুলি উচ্চারণ করেন।)

Ans:- The lectures of Cambridge or Oxford University are referred to here. (এখানে কেমব্রিজ বা অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকদের ‘ডন’ বলা হয়েছে।)

Ans:- The poet William Wordsworth gives an exquisite pen-picture of the city of London in the beauty of the morning. During his tour to France one early morning he views the great city from Westminster Bridge over the Thames. The city presents a matchless sight in the glittering light of the morning Sun. The city stands majestic with all its magnificent edifices. It seems to the poet that the brilliant beauty of the morning adorns and beautifies the city like a grand garment. The ships, towers, domes, theatres and temples seem to be one with the green fields and the blue expanse of the unending sky. In fact, the poet views the city not as a separate entity but as an indivisible part of nature. As a lover of nature he has come across many a earthly object of beauty such as valley, rock or hill lit up with the splendour and glory of the rising Sun. But never ever they looked so radiant as the city of London he sights now. Equally impressive is the all-pervading calm of the city. A profound calm prevails over the entire city of London. In the early morning the streets lie deserted. No traffics ply along the roads. Factories are yet to be operative. The air is free from smoke and dust. The city is still and motionless. Only is heard the soft murmur of the downward streams of the Thames. All the houses appear to be in deep slumber. The mighty city looks like a sleeping giant. In this way the poet presents the city of the morning calm. He looks upon the city not as a splendid specimen of human civilization. It is neither a place of sick hurry and confused clatter. With all its morning beauty and supreme silence the city of London fills the mind of the poet with joyous wonder.

(কবি উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থ প্রভাত সৌন্দর্যে লন্ডন, নগরীর এক অপরূপ চিত্র উপস্থাপিত করেছেন। ফ্রান্স ভ্রমণের সময় এক প্রভাতে টেমনদীর ওপর অবস্থিত ওয়েস্ট-মিনস্টার সেতু থেকে তিনি এই বিশাল নগরীকে প্রত্যক্ষ করেছেন। প্রভাত সূর্যের ঝলমলে আলোয় নগরী এক অনুপম দৃশ্য তুলে ধরেছে। সুউচ্চ নির্মাণরাজি নিয়ে নগরী। পরম গরিমায় দণ্ডায়মান। কবির মনে হয় প্রভাতের উজ্জ্বল শোভা জমকালো পোশাকের মতো নগরীকে সৌন্দর্যসজ্জায়। সজ্জিত করেছে। জাহাজ, সৌধ, গম্বুজ, রঙ্গালয় ও মন্দির যেন সবুজ প্রান্তর আর অন্তহীন আকাশের নীলিমা বিস্তারে একীভূত। বস্তুতপক্ষে, কবি নগরীকে এক বিচ্ছিন্ন বস্তুসত্তা হিসেবে প্রত্যক্ষ না করে, প্রকৃতির এক অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে মনে করেছেন। প্রকৃতিপ্রেমিক কবি নবোদিত সূর্যের প্রোজ্জ্বল প্রভায় প্রদীপ্ত উপত্যকা, শিলাস্তূপ বা পাহাড়ের মতো কত না পার্থিব সৌন্দর্যশোভামণ্ডিত বস্তু, প্রত্যক্ষ করেছেন। কিন্তু আজ যে লন্ডন নগরীকে তিনি দেখছেন তার মতো দীপ্ত কোনো কিছুই কখনও তিনি দেখেননি। সমানভাবে মর্মস্পর্শী নগরীর পরিব্যাপ্ত প্রশান্তি। এক গভীর শান্তি বিরাজিত সমগ্র নগরী জুড়ে। প্রভাতে সড়কগুলি সুনসান। যানবাহন চলেনি রাস্তা ধরে। কলকারখানা কর্মচঞ্চলতায় সক্রিয় নয়। বাতাস ধুলি-ধোঁয়া মুক্ত। নগরী শান্ত, নিঃষ্পন্দ। কেবল টেমসনদীর বহতা স্রোতের তিরতির শব্দ যায় শোনা। সব বাড়িগুলি গভীর নিদ্রায় মগ্ন বলে মনে হয়। বিপুল নগরী ঘুমন্ত দৈত্যের মতো দেখায়। এইভাবে কবি প্রভাত শান্তিতে লীন নগরীকে উপস্থাপিত করেছেন। তিনি নগরীকে মানবসভ্যতার উজ্জ্বল নমুনা হিসেবে দেখেননি। উন্মত্ত ব্যস্ততা ও বিশৃঙ্খলা হই-চই-এর কোনো স্থান নয় এটা। প্রভাত-সৌন্দর্য আর অনাবিল নীরবতার এই লন্ডননগরী কবির মনে আনন্দঘন বিস্ময় উদ্রেক করেছে।)

Ans:- William Wordsworth is an ardent lover of solitude. To him poetry is the 'powerful emotions recollected in tranquility'. His poetry betrays his profound love for Nature. Obviously, he is eager to present the calm face of nature in his poems. This sentiment is keenly felt in the present poem Upon Westminster Bridge. Here we have a graphic description of the city of London. The city is presented in the beauty of the morning Sun. Side by side it upholds a perfect picture of prevailing silence, Time and again the poet uses words like 'silent', 'bare', 'calm' and still to suggest the sweet silence the city is shrouded with.

Usually London remains noisy and busy in the day time. The river Thames flowing through its heart is heavily disturbed by the movements of the ships. The sky-kissing towers and domes establish their existence through clamour and clatter. Theatres and temples, streets and factories send deafening sounds of mad crowds. The day-time London is always in hectic haste and hurry. It is the familiar picture of the mighty metropolis. A proud possession of human civilization! But here we have an unusual character of the city. The poet sees the city in its unbroken silence. The great edifices of the city seem to merge and mingle with the calm horizon. The river flows at ease. The air is bare, clean and smokeless. The indwellers are all lulled to a sweet slumber. Even the very houses appear asleep. The mighty roaring heart of London is lying still. The known London becomes unknown. In fact the early morning and the glorious sunshine combine to add a very special character to the city of London.

(উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থ মৌনতার একনিষ্ঠ প্রেমিক। তাঁর কাছে কাব্য হল শক্তিশালী অনুভূতির শাস্ত পুনোরুজ্জীবন। তাঁর কাব্যে প্রতিফলিত হয় প্রকৃতির প্রতি তাঁর গভীর ভালোবাসা। স্পষ্টতই তিনি তাঁর কবিতায় প্রকৃতির শান্ত মুখচ্ছবি তুলে ধরতে সোৎসাহী। এই অনুভূতি তীব্রভাবে অনুভূত হয় তাঁর বর্তমান কবিতা Upon Westminster Bridge-এ। এখানে আমরা লন্ডন নগরীর এক চমৎকার/নিখুঁত বর্ণনা পাই। এই শহরটি প্রভাত-সূর্যের সৌন্দর্যে উপস্থাপিত পাশাপাশি তা ব্যাপ্ত নীরবতার এক নিখুঁত ছবি তুলে ধরে। বার বার কবি 'silent', 'bare', 'calm', ও ‘still’-এর মতো শব্দ ব্যবহার করেছেন শহরটির সুমিষ্ট মৌনতার দ্যোতনা দিতে।

সাধারণত লন্ডন নগরটি দিনের বেলায় থাকে কোলাহলপূর্ণ ও ব্যস্ত। এর বুকের মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত টেমস নদী জাহাজের গতিময়তায় হয় সংক্ষুদ্ধ। উন্মত্ত চিৎকার ও শব্দরাজি উৎপন্ন করে অভ্রংলিহ্ তোলে ইমারত ও গম্বুজগুলি তাদের অস্তিত্বের জানান দেয়। রঙ্গালয় ও মন্দির, রাস্তা ও কলকারখানাগুলি উন্মত্ত জনতার কর্ণভেদী শব্দ তোলে বাতাসে। দিনের বেলাকার লন্ডন সর্বদা প্রবল ব্যস্ততা ও কোলাহলে মোড়া। এটাই বিপুল নগরীর এক পরিচিত ছবি। মানবসভ্যতার এক দর্পিত সম্পদ! কিন্তু এখানে আমরা এই শহরের এক অন্যরকমের চরিত্র দেখি। কবি এই শহরকে দেখেন অখণ্ড নীরবতার মধ্যে। শহরের সুউচ্চ নির্মাণগুলি যেন শান্ত দিঘলয়ে মিলে মিশে একাকার। নদী বয়ে যায় স্বচ্ছন্দে। বাতাস অনাবিল, পরিচ্ছন্ন ও ধোঁয়ামুক্ত। শহরের বাসিন্দারা মধুর নিদ্রায় মগ্ন। এমনকি বাড়িগুলি পর্যন্ত মনে হয় ঘুমন্ত। প্রবল গর্জনপ্রিয় লন্ডন শহরের হৃদয়টা শান্তভাবে পড়ে আছে। পরিচিত লন্ডন হয়ে ওঠে অপরিচিত বস্তুতপক্ষে প্রভাত ও গৌরবময় সূর্যকিরণ লন্ডন শহরকে একটি আলাদা চরিত্র দান করে।)

Ans:- One fine morning, the poet was out in a coach. He was upon the Westminster Bridge. Downward the Themes was flowing by. The sun was up. The great city of London was bathed in the luminous lustre of the rising sun. Exquisite was the scene. The poet was deeply charmed. It seemed to him to be the loveliest sight. The city received the profuse blessings of the sun. One could hardly pass by such a sight of exquisite beauty. If there was one, he must be unfeeling. The majestic sight stirred the mind of the poet. The city seemed to put on the beauty of the morning light. Everything in the city was silent and clearly visible. A deep calm prevailed all around. Ships were anchored. towers, domes, playhouses and churches lost themselves in the very openness of the distant horizon and the vast stretches of green fields. The city and the countryside merged and mingled with each other. The air was smokeless. It was carrying the sweet fragrance of silence and purity. The valley, rock or hill shone bright in the early morning. But the city clad in the bright light of dawn surpassed them in every way. The poet felt a sweet sensation amidst the pervading calm. The river was flowing with a soft murmur. No bar was there on her way. Wonder-struck, the poet had had a feeling of childlike joy and rapture. Out of gratitude he prayed to God for His benign gift. The slumberous city appeared to him to be the heart of a mighty giant lulled to sleep. Sleep induced a sweet inaction to the busy city of London.

(এক সুন্দর সকাল। কবি ঘোড়ায় টানা গাড়িতে বেরিয়েছিলেন বাইরে। তিনি ওয়েস্টমিনস্টার সেতুর ওপরে। নিচে টেমস বয়ে যাচ্ছে। সূর্য উঠেছে। উদীয়মান সূর্যের উজ্জ্বল দ্যুতিতে মহান লন্ডননগরী পরিস্নাত। অপূর্ব সেই দৃশ্য। কবি গভীরভাবে মুগ্ধ হলেন। তাঁর মনে এটা সব থেকে সুন্দর এক দৃশ্য। শহরটা সূর্যের পর্যাপ্ত আশীর্বাদ গ্রহণ করেছে। এমন প্রাকৃতিক সৌন্দর্য কেউই অবহেলা করতে পারেন না। যদি কেউ থাকে, সে নিশ্চয়ই বোধহীন। এই মহিমময় দৃশ্য দেখে কবি মন হল আলোড়িত। শহরটাকে মনে হল সকালের উজ্জ্বল সৌন্দর্য পরেছে। শহরের সবকিছু নীরব ও স্পষ্টভাবে দৃশ্যগোচর। এক গভীর শাস্তি চরাচর জুড়ে। জাহাজগুলি নোঙরবদ্ধ। গম্বুজ, সৌধ, রঙ্গমঞ্চ আর গির্জা দূর দিগন্তের উন্মুক্ততায় আর সবুজ প্রান্তরের বিপুল বিস্তারে হারিয়ে গেছে। শহর ও গ্রাম মিলে মিশে একাকার। বাতাস ধোঁয়াহীন। সে বয়ে নিয়ে চলেছে নীরবতা ও কলুষহীনতার সুমিষ্ট সৌরভ। সকালের আলোয় উপত্যকা, শিলাখণ্ড ও পাহাড় ঝলমল করে। কিন্তু উজ্জ্বল প্রভাতের আলোয় ঢাকা শহরটা সর্বার্থে তাদের অতিক্রম করে যায়। সর্বব্যাপী প্রশান্তির মধ্যে কবি অনুভব করেন মধুর শিহরন। নদীটি মৃদু মর্মরধ্বনি তুলে বয়ে যায়। তার পথে নেই কোনো বাধা। বিস্ময়বিহ্বল কবির মনে এক শিশুসুলভ আনন্দোচ্ছ্বাস জেগে ওঠে। কৃতজ্ঞতাবশত তিনি ঈশ্বরের এই মহান দানের জন্য তাঁর উদ্দেশ্যে নিবেদন করেন তাঁর প্রার্থনা। ঘুমন্ত শহরটাকে মনে হয় তাঁর নিদ্রামগ্ন বিশাল এক দৈত্যের হৃদয়। ঘুম ব্যস্ত এই শহরটাকে এক মধুর নিশ্চলতা দান করে।)

Ans:- Upon Westminster Bridge is a fine sonnet. Here, the poet describes the city of London at sunrise. The poet loves to glorify the objects of nature. Here he glorifies the majestic city in the glittering rays of the rising sun. Again, the poet is a great lover of solitude. The perfect calm and quiet of the city in the early morning impresses him deeply. The poet sees the city not as a wonder of civilization, but as a lovely face of nature. He is joyful to see the city free from confused clatter. The big metropolis stands with all its grandure and silence. The rocks, valleys, and hills at a distance are clearly visible. The glorious Sun makes all the objects invested with the light that was never on land and sea. The city becomes visible not as a separate object but as a part of nature. This is what the poet feels always about everything. The poem is simple and artless. There is a fine comparison too at the end of the poem. Here, the city is compared to a giant with a huge heart. The poet's joy and wonder has a fine excess when he utters Earth has not anything to show more fair. The sonnet has a regular pattern. The poet follows the Italian model. On the whole the simplicity and frankness of the theme goes in perfect assonance with the simple diction, metre and style of the poem. The poem indeed offers us an enjoyable reading.

(Upon Westminster Bridge একটি সুন্দর সনেট। কবি এখানে সূর্যোদয়ের লগ্নে লন্ডন শহরকে বর্ণনা করেছেন। কবি প্রকৃতির বস্তুগুলিকে গৌরবান্বিত করেন। এখানে তিনি সূর্যের উজ্জ্বল আলোয় দীপ্যমান মহান শহরকে গৌরবান্বিত করে দেখিয়েছেন। কবি আবার নৈঃশব্দেরও বড়ো প্রেমিক। প্রত্যূষের লন্ডনের পরিপূর্ণ নৈঃশব্দ ও নিস্তব্ধতা তাঁকে গভীরভাবে স্পর্শ করেছে। কবি এখানে শহরকে সভ্যতার এক বিস্ময় হিসেবে দেখেননি, দেখেছেন প্রকৃতির সুন্দর মুখ হিসেবে। শহরটাকে এলোমেলো ব্যস্ততা থেকে মুক্ত দেখে তিনি আনন্দিত। বিশাল শহরটি তার সমস্ত আভিজাত্য নিয়ে নিঃশব্দে দন্ডায়মান। দূরে ছোটো পাহাড়, উপত্যকা এবং বড়ো পাহাড়গুলিকে পরিষ্কার দেখা যাচ্ছে। যে আলো কখনও ভূমি বা সমুদ্রে ছিল না, তেমনি আলো দিয়ে মহান সূর্য সব বস্তুকে অভিসিঞ্চিত করছে। কবিতাটি সহজ এবং কলাকৌশলমুক্ত। কবিতার শেষ দিকে একটি সুন্দর উপমাও আছে। এখানে শহরটিকে এক প্রকাণ্ড হৃদপিণ্ডবিশিষ্ট দৈত্যের সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে। কবি আনন্দ ও বিস্ময়ের আতিশয্যে বলেন 'পৃথিবীর এর চেয়ে সুন্দর কিছু দেখাবার নেই। সনেটটি একটি বিশুদ্ধ আঙ্গিকে লেখা। কবি ইতালীয় প্রথা অনুসরণ করেছেন। সব কিছু মিলে কবিতার বিষয়বস্তুর সরলতা এবং তার ভাষা, ছন্দ ও রচনারীতির সারল্য সুসমঞ্জস হয়েছে। কবিতাটি পড়ে সত্যিই আনন্দ পাওয়া যায়।)

Ans:- Once the poet was crossing the Westminster Bridge over the Thames. It was then early morning. The city of London looked bright and beautiful in the splendour of the newly-risen sun. The poet wondered at the exquisite beauty of the city. That joyous wonder occasioned the poem. Here he painted the sight with his peerless craftmanship. With a few delicate touches he described the whole scene. The city offered him the most charming sight of the earth. It wore a dress of light. The dress glittered. Its very brightness attracted the attention. The city had immensely fabulous structures. It had ships in water and towers, domes and temples on land. Land or water, the city maintained an unbroken silence. No sound was heard. No vehicles were on road. No ships sailed across the Thames. It seemed the city was but painted and pictured in the perfect calm of the entire landscape. Smokeless air was brisk and busy. The valley, rock or hill at a distance stood still in majesty. But they could not match the city in beauty. The city was open unto the fields. It mingled with the sun-bathed horizon. And the very calm of the city was deeply felt. The river flowed by unobstructed. The very houses in the city were in profound sy hours withdrew itself in rest and repose, silence slumber. The roaring city of and inaction. The poet compared the city to the mighty heart of a giant. Thus we have a graphic but poetic description of the city of London. It is essentially romantic. It often indulges in fine excess. This adds a special charm to the poem.

(একদা কবি টেমস নদীর ওপর ওয়েস্টমিনস্টার সেতু পার হচ্ছিলেন। তখন প্রভাত। নবোদিত সূর্যের উজ্জ্বল দ্যুতিতে শহরটা তখন ঝলমলে, সুন্দর। শহরের এই অপূর্ব সৌন্দর্যে কবি বিস্মিত হলেন। এই আনন্দময় বিস্ময়বোধের উৎসারেই কবিতাটির জন্ম। এখানে কবি তাঁর অতুলনীয় কাব্যকৌশলের গুণে সেই দৃশ্যটি চিত্রায়িত করেছেন। কয়েকটি সূক্ষ্ম রেখায় তিনি সমগ্র দৃশ্যটি বর্ণনা করেছেন। শহরটা তাঁর সামনে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ মনোমুগ্ধকর দৃশ্য তুলে ধরেছে। এটা আলোর পোশাক পরেছে। সেই পোশাক ঝলমল করে। এর উজ্জ্বলতায় দৃষ্টি হয় আকৃষ্ট। শহরটার আছে প্রকাণ্ড অট্টালিকা। এর জলে জাহাজ, স্থলে গম্বুজ, সৌধ, রঙ্গালয়। জল বা স্থল, শহরটা এক অখণ্ড নীরবতা বজায় রেখেছে। শব্দ নেই কোথাও। রাস্তায় নেই যানবাহন। টেমস নদীতে চলে না জাহাজ। মনে হয় শহেরটা যেন সমগ্র পরিপার্শ্বের নিঃসীম নীরবতায় আঁকা কোনো ছবি। ধোঁয়াহীন বায়ু চঞ্চল, ব্যস্ত উপত্যকা, শিলাখণ্ড ও পাহাড় দূরে অপার মহিমায় শান্ত। কিন্তু তারা সৌন্দর্যে শহরটার কাছে কিছুই নয়। প্রান্তর পর্যন্ত উন্মুক্ত এ শহর। সূর্যস্নাত দিগন্তে তা মিশে গেছে। আর শহরটায় এই বিপুল নীরবতা তীব্রভাবে হয় অনুভূত। নদী বয়ে চলে বাধাহীন। শহরের বাড়িগুলি গভীর ঘুমে আছে আচ্ছন্ন। ব্যস্ত সময়ের গর্জন করা শহর বিশ্রাম ও বিরামের নিষ্ক্রিয়তায় নিজেকে গুটিয়ে ফেলেছে। কবি শহরটাকে দৈত্যের বিপুল হৃদয়ের সঙ্গে তুলনা করেছেন। এইভাবে আমরা লন্ডন নগরীর এক নিখুঁত ও কাব্যিক বর্ণনা পাই। এটি আদপে রোমান্টিক। প্রায়শই এটি মধুর অতিরঞ্জনকে প্রশ্রয় দেয়। তা কবিতার মুগ্ধতা সৃষ্টিতে বিশেষ মাত্রা যোগ করে।)

Ans:- Wordsworth is pre-eminently a romantic poet. He is a nature poet. Nature is all alive to him. The beautiful objects of nature stirs his soul. Nature sustains him. Besides, he is an ardent lover of rustic men and manners. The countrymen are close to nature. Hence is the poet's fascination for them. Again, he finds joy in the calm face of nature. His emotions are recollected in tranquility. That occasions his fine poetic expressions. All these things are evident in his moving . sonnet Upon Westminster Bridge. The sun-lit city of London on a calm morning arrests his attention. He is crossing the Westminster Bridge. From there the entire city he visualizes, clearly. At once he becomes ecstatic in joy and wonder: Earth has not anything do show more fair. This is how he glorifies the city. There is a fine excess. Nevertheless, it is a purely romantic expression. The poet lives in imagination and his poetry lives in him. Again, the poet finds the city majestic in the lustre of the morning sun. The city wearing the beauty of light tooks amazingly splendid. Apart from the beauty, the poet is charmed by the all- pervading calm in and around the city. The very silence creates a sweet sensation in the mind of the poet. He feels the deep calm. The rapture gives way to solemn and soul-stirring meditation. The lulling effect of the screen surrounding on the mind of the poet is conspicious. Here the city is not viewed as a single object. It is a part of nature. It becomes one with the green fields, the sunny horizon. All this clearly shows that Upon Westminster Bridge' is a brilliant romantic poem.

(ওয়ার্ডসওয়ার্থ মূলত একজন রোম্যান্টিক কবি। তিনি প্রকৃতির কবি। প্রকৃতি তাঁর কাছে জীবন্ত। প্রকৃতির সুন্দর বস্তুগুলি তাঁর চিত্তকে করে আলোড়িত। প্রকৃতি তাঁকে উজ্জীবনী শক্তি দেয়। তা ছাড়া গ্রাম্য মানুষ ও জীবনযাত্রার তিনি একনিষ্ঠ ভক্ত। গ্রাম্য মানুষেরা থাকে প্রকৃতির নৈকট্যে। তাঁদের প্রতি কবির আকর্ষণ তাই। আবার তিনি প্রকৃতির শান্ত মুখচ্ছবি দেখে আনন্দ পান। প্রশান্তিতে পুনরুজ্জীবিত হয় তাঁর অনুভূতি। এটাই তার অপূর্ব কাব্যময় প্রকাশের উপলক্ষ। এই Upon Westminster bridge কবিতায় এই সবকিছুই স্পষ্টভাবে প্রতিভাত। সূর্যদীপ্ত শহরটা শান্ত সকালে কবির দৃষ্টিকে করে আকৃষ্ট। তিনি পেরোচ্ছেন Westminster সেতু। যেখান থেকে তিনি স্পষ্ট দেখেন সমগ্র শহরটা। তৎক্ষণাৎ আনন্দ বিস্ময়ে তিনি উচ্ছ্বসিত হন : “পৃথিবীতে এর চেয়ে পরম সুন্দর কোনো দৃশ্য নেই আর।” এইভাবেই তিনি শহরটার গৌরবগান করেন। এখানে আছে চমৎকার এক অতিশয়োক্তি তৎসত্ত্বেও এটি খাঁটি রোমান্টিক প্রকাশ। কবি কল্পনায় বাঁচেন আর তাঁর কাব্য তাঁর মধ্যে বাঁচে। আবার সকালের সূর্যের উজ্জ্বল প্রভাবে শহরটা মহিমান্বিত। আলোর সৌন্দর্য পরে শহরটাকে আশ্চর্যরকম সুন্দর দেখায়। সৌন্দর্য ছাড়াও শহরের ভিতরে ও চারপাশ জুড়ে বিরাজ করা সর্বব্যাপী নীরবতায় কবি হন মুগ্ধ। কবির মনে এই নীরবতা এক মধুর আবেশ সৃষ্টি করে। তিনি অনুভব করেন গভীর এক প্রশান্তি। উচ্ছ্বাসের পর আসে এক শান্ত চিত্তবিমোহনী অনুধ্যান। কবির মনে স্নিগ্ধ শান্ত পরিপার্শ্বের তন্দ্রালু প্রভাব স্পষ্ট। এখানে শহরটাকে একটি মাত্র বস্তু হিসাবে দেখা হয়নি। এটি প্রকৃতির একটা অংশ। এটা এক হয়ে গেছে সবুজ প্রান্তর, সূর্যময় দিগন্তের সাথে। এই সবকিছুই প্রমাণ করে যে Upon Westminster Bridge একটা অপূর্ব রোম্যান্টিক কবিতা।)

Ans:- The poet, Wordsworth was crossing the Westmminster Bridge over the Thames in London. The sun was up. Its bright light fell on everything in the city. It looked wonderful. The poet was deeply impressed by the splendid sight. He felt that it was indeed an unearthly sight. No beauteous object could be matched with the city bathed in the rays of the rising sun. Out of childlike joy and wonder he began to glorify the scene. But the initial rapture became mild and mellow. Now he felt a deep calm. The entire city was enveloped with a sweet silence. The moveless boats, the still ships, the forlorn roads did bespeak the calm. The smokeless air made everythging clear. Nowhere was heard any noise. Only the river downwards flowed by with a soft inland murmur. So immense was the calm that even the houses seemed all asleep. The city slept like a giant. In silence might be heard its throbs. Thus the poet was moved by the sight of London at dawn. And out of gratitude to God, he prayed to Him. The sight gave him unbounded joy. The silence chastened and subdued his soul. It sharpened his imagination. He felt, that a thing of beauty is a joy for ever.

(কবি ওয়ার্ডসওয়ার্থ লন্ডনের টেমস নদীর ওপর দণ্ডায়মান ওয়েস্টমিনস্টার সেতু পার হচ্ছিলেন। সূর্য উঠেছে। শহরের সবকিছুর ওপর পড়েছে তার উজ্জ্বল আলো। এটাকে আশ্চর্যজনক লাগছিল। এই চমৎকার দৃশ্য দেখে কবি অত্যন্ত মুগ্ধ হলেন। তাঁর মনে হল এ এক অপার্থিব দৃশ্য। নবোদিত সূর্যের রশ্মিতে পরিস্নাত শহরটার সঙ্গে আর কোনো সুন্দর দৃশ্যের তুলনাই চলে না। শিশুসুলভ আনন্দ ও বিস্ময়ে তিনি এই দৃশ্যকে গৌরবান্বিত করতে লাগলেন। কিন্তু এই প্রাথমিক উচ্ছ্বাস হল মৃদু ও মোলায়েম। এখন তিনি এক গভীর শাস্তি অনুভব করলেন। মধুর প্রশান্তিতে ঢাকা শহরটা। নিষ্পন্দ নৌকা, শান্ত জাহাজ, নির্জন রাস্তা এই প্রশান্তিরই প্রকাশ। ধোঁয়াহীন বাতাস সবকিছুকে স্পষ্ট করে তোলে। কোথাও কোনো শব্দ নেই। কেবল নীচ দিয়ে প্রবাহিত নদী মৃদু মর্মরধ্বনি তুলে বয়ে চলে। এত বিপুল এই শান্তি যে মনে হয় বাড়িগুলি পর্যন্ত নিদ্রিত। শহরটা দৈত্যের মতো নিদ্রিত। নীরবতায় হয়তো তার হূৎস্পন্দন যায় শোনা। এইভাবেই কবি প্রভাতের লন্ডন নগরীর দৃশ্য দেখে মোহিত হয়েছেন। কৃতজ্ঞতাবশত তিনি ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করেন। এই দৃশ্য তাঁকে দেয় অসীম আনন্দ। এই নীরবতা তার আত্মাকে করে পবিত্র ও স্নিগ্ধ। তাঁর কল্পনা হয় প্রখর। তিনি অনুভব করেন যে 'সৌন্দর্যময় বিষয় চিরকাল আনন্দের রূপ’ পরিগ্রহ করে।)