CHAPTER-8⇒THE POETRY OF EARTH

Ans:-The Grasshopper takes the lead in summer. [ ঘাসফড়িং নেতৃত্ব দেয় গ্রীষ্মে।]

Ans:-The birds faint due to the heat of sun in summer and hide in the cooling trees. [ প্রচণ্ড রোদে পাখিরা ঝিমিয়ে পড়ে এবং শীতল গাছের মধ্যে লুকোয়।]

Ans:-The Grasshopper makes the summer musical. [ ঘাসফড়িং গ্রীষ্মকে সংগীতমুখর করে তোলে।]

Ans:-The voice of the Grasshopper will run from hedge to hedge about the meadows. [ ঘাসফড়িং-এর কণ্ঠস্বর ছুটে বেড়াবে ঝোপ থেকে ঝোপে।]

Ans:-The Grasshopper enjoys summer by running hither and thither about the meadow making ceaseless music. [ ঘাসফড়িং গ্রীষ্মকে উপভোগ করে প্রান্তরের ওপর দিয়ে। এখানে ওখানে ছোটাছুটি করে আর একটানা সংগীত সৃষ্টি করে।]

Ans:-The Grasshopper rests when it feels tired of singing at a stretch in summer. [ গ্রীষ্মকালে একনাগাড়ে গান করে যখন ঘাসফড়িং ক্লান্ত বোধ করে তখন সে বিশ্রাম নেয়।]

Ans:-The Grasshopper has never done with his delightful flying and making music. [ঘাসফড়িং তার আনন্দময় ছোটাছুটি ও সংগীত সৃষ্টিতে কখনও শ্রান্ত হয় না।]

Ans:-The Grasshopper takes rest beneath some pleasant weed. [ ঘাসফড়িং নরম আগাছার নীচে বিশ্রাম নেয়।]

Ans:-The poem, 'The Poetry of Earth' mentions two seasons, namely Summer and Winter. ['The Poetry of Earth' কবিতায় দুটি ঋতু, যথা গ্রীষ্ম ও শীতের উল্লেখ করা হয়েছে।]

Ans:- The earth celebrates the music of the Grasshopper in summer. [ গ্রীষ্মে ঘাসফড়িং-এর সংগীতের উৎসব পৃথিবী উপভোগ করে।]

Ans:- The music of the Cricket is heard in winter evening. [শীতের সন্ধ্যায় ঝিঁঝির গান শোনা যায়।]

Ans:-The Cricket's song seems to shrill fromthe stove. [ মনে হয় ঝিঁঝির গান অগ্নিকুণ্ড থেকে তীক্ষ্ণভাবে শোনা যায়।]

Ans:-On a lone, cold and silent winter evening one might hear the cricket's song from the stove. [ এক নির্জন শীতার্ত এবং নিস্তব্ধ শীতের সন্ধ্যায় ঝিঁঝি গান শোনে।]

Ans:- The music of the Cricket is heard in winter. [ শীতে ঝিঁঝির সংগীত শোনা যায়।]

Ans:-Frost has wrought a silence in winter evening. [ কুয়াশা এনে দেয় শীতের সন্ধ্যায় নীরবতা।]

Ans:-The Cricket's song increases the warmth of winter. [ ঝিঁঝির গানে শীতের উত্তাপ বেড়ে যায়।]

Ans:-One in drowsiness half-lost looks upon the Cricket song as the song of the Grasshopper. [ তন্দ্রায় আচ্ছন্ন থাকা লোকটার মনে হয় যে ঝিঁঝির গান যেন ঘাসফড়িং-এর গান।]

Ans:-The Cricket's song is but the continuation of the Grasshopper's song in a different season. [ঝিঁঝির গান ঘাসফড়িং-এর গানেরই ধারাবাহিকতা ভিন্ন ঋতুতে।]

Ans:-The poet says that the poetry of earth is never dead. [ কবি বলেছেন যে পৃথিবীর কবিতা কোনোদিন শেষ হবে না।]

Ans:-'Poetry' in the poem 'The Poetry of Earth' symbolizes the music of the world. [The Poetry of Earth' কবিতায় ‘poetry' হল পৃথিবীর সংগীতের প্রতীক।]

Ans:-Keats wants to assert the eternal flow of the earth's music in his poem, 'The Poetry of Earth’. [ কীটস ‘The Poetry of Earth' কবিতায় পৃথিবীর সংগীতের অন্তহীন প্রবাহকেই দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছেন।]

Ans:-The poet means to suggest music of the earth by the expression 'Poetry'. [ 'Poetry' এই কথাটির মাধ্যমে পৃথিবীর সংগীতকে ইঙ্গিত করেছেন।]

Ans:-The poet describes a country picture of England in summer indirectly. In summer the birds fill the earth with their sweet tone. But the summer soon becomes very hot and dry. The birds are exhausted, take shelter in the shade of trees. Hardly does birds' voice stop when the grasshoppers begin chirping and move from hedge to hedge. Caring not the heat, he exhilarates in the abundance of the summer season. He flies about in the air, and freshly mown grass in the meadows. Exhausted he rests under the weed to resume singing with lively vigour.

[কবি পরোক্ষভাবে গ্রীষ্মকালে ইংল্যান্ডের গ্রামীণ দৃশ্যের ছবি বর্ণনা করেছেন। গরমে পাখিরা তাদের মধুর সুরে পৃথিবী ভরিয়ে দেয়। কিন্তু গ্রীষ্মকাল শীঘ্রই খুব গরম ও শুষ্ক হয়ে যায়। পাখিরা ক্লান্ত হয়ে গাছের ছায়ায় আশ্রয় নেয়। পাখির কণ্ঠ নীরব হয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ঘাসফড়িংরা তাদের গান শুরু করে এবং একটি ঝোপ থেকে অন্য ঝোপে ঘুরে বেড়ায়। গ্রীষ্মের উন্নতায় বিরক্ত না হয়ে সে এই ঋতুর প্রাচুর্যে প্রাণবন্ত হয়। বাতাসেও তৃণভূমির সদ্য ছাঁটা ঘাসের মধ্যে সে উড়ে বেড়ায়। ক্লান্ত হয়ে সে আগাছার নীচে বিশ্রাম নেয়, নব-উদ্দীপনায় আবার গান শুরু করবে বলে।]

Ans:-The Grasshopper takes the lead.

In summer the earth looks lifeless. The sun burns the earth. All creatures long for rest. Even birds stop singing. They hide in cooling trees. There is no music anywhere. The Grasshopper leads. It flies and sings.

Summer is lovely. But often it is unwelcome. It is for its excess of heat that birds do not like it. But like a pleasant surprise the Grasshopper finds it delightful. He flies here and there. He drinks deep the golden light out of joy. He sings a ceaseless song. Summer is a luxury to him.

[ ঘাসফড়িং নেতৃত্ব দেয়।

গ্রীষ্মে পৃথিবীকে দেখায় প্রাণহীন । সূর্য পুড়িয়ে দেয় কে। সব প্রাণীই বিশ্রাম খোঁজে। এমনকি পাখিরা গান গাওয়া বন্ধ করে দেয়। তারা শীতল গাছে লুকোয় নিজেদের। কোথাও কোনো সংগীত নেই। ঘাসফড়িং নেতৃত্ব দেয় তখন। সে ওড়ে আর গান গায়।

গ্রীষ্ম সুন্দর। তবে প্রায়ই তা অবাঞ্ছিত। অত্যধিক উন্নতার জন্য এটা ঘটে। পাখিরা তা পছন্দ করে না। কিন্তু এক মধুর বিস্ময়ের মতো ঘাসফড়িং এর থেকে আনন্দ খুঁজে নেয়। সে এখানে ওখানে ওড়ে। সোনালি আলো পান করে সে। আনন্দের চোটে সে বিরামবিহীন গান গায়। গ্রীষ্ম তার কাছে এক বিলাসিতা।]

Ans:-The line is taken from "The Poetry of Earth'.

John Keats has written the line.

The line gives a picture of winter evening. The surrounding is calm and quiet. A telling silence prevails. Frost deepens the cold. But still the earth is not deprived of her music. There are Crickets. They try to remove the silence by their songs. The song warms the winter evening. The man beside the fire in his trance imagines that he is only listening to the songs of the Grasshopper. He forgets that he is now resting in the cool winter evening.

[লাইনটি 'The Poetry of Earth' কবিতা থেকে নেওয়া।

জন কীটস এই লাইনটির রচয়িতা।

লাইনটি শীতের এক সন্ধ্যার ছবি তুলে ধরে। চারপাশ শান্ত, স্তব্ধ। এক দমবন্ধ করা নীরবতা বিরাজমান। কুয়াশায় ঠান্ডা গাঢ় হয়। কিন্তু তবুও পৃথিবী সংগীত থেকে বঞ্চিত হয় না। ঝিঁঝি আছে। তারা তাদের গান দিয়ে নীরবতা দূর করার চেষ্টা করে। সেই গান শীতের সন্ধ্যাকে উঘ্ন করে তোলে। আগুনের পাশে বসা লোকটা তন্দ্রার ঘোরে কল্পনা করে যে সে ঘাসফড়িং-এর গান শুনছে। সে ভুলে যায় যে সে শীতল শীতের সন্ধ্যায় বিশ্রাম নিচ্ছে।]

Ans:-The poetry of earth knows no death. It exists in all seasons. In summer birds stop singing. They are too weary to sing. But earth's music does not stop. The grasshopper begins to hum. In absence of birds he takes the lead. Thus earth's music continues uninterruptedly. After summer comes winter. The atmosphere is dull and lifeless. On winter evening frosts deepen silence. People take rest at home. It seems that no music is possible now. But suddenly is heard the song of the cricket. It seems to one half lost in drowsiness that it is but the continuation of the grasshopper's song.

[ পৃথিবীর কাব্য মৃত্যু জানে না। সব ঋতুতেই এর অস্তিত্ববিদ্যমান। গ্রীষ্মে পাখিরা গান থামায়। তারা এত ক্লান্ত হয়ে পড়ে যে গান গাইতে পারে না। কিন্তু পৃথিবীর সংগীত থেমে থাকে না। ঘাসফড়িং শুরু করে গুনগুন। পাখিদের অনুপস্থিতিতে সেই দেয় নেতৃত্ব। এইভাবে অপ্রতিহত প্রবাহে বয়ে চলে পৃথিবীর সংগীত। গ্রীষ্মের পর আসে শীত। পরিপার্শ্ব বিবর্ণ ও নিষ্প্রাণ। শীত সন্ধ্যার কুয়াশায় গাঢ় হয় নির্জনতা। লোকজন বিশ্রাম নেয় ঘরে। মনে হয় কোনো গানই সম্ভব নয় এক্ষণে। কিন্তু আচম্বিতেই শোনা যায় ঝিঁঝি পোকার গান। তন্দ্রায় অর্ধনিমগ্ন কোনো মানুষের মনে হয় এটি যেন ঘাসফড়িং-এর গানেরই প্রবাহ।]

Ans:-'The Poetry of Earth' captures the quintessence of an artist whose only concern is the beauty of the earth. Keats loves and loves with all his heart and soul every form of the beauty. The earth is magically musical to him. Birds may bid farewell to summer. But Grasshoppers are there. They make the earth musical. Winter may look dull and desolate. But the Crickets welcome and warm it with their shrill voice. Thus is everflowing the music of earth, the poetry of nature. The poet expresses it with the sheer artistry of a painter. The poem is a perfect execution of a romantic artist.

[ পৃথিবীর কাব্য একজন শিল্পীর সৌন্দর্যসাধনার ধারাকে তুলে ধরে যার একমাত্র লক্ষ্য হল পৃথিবীর সৌন্দর্যরূপের সন্ধান। কীটস প্রতিটি সুন্দর বস্তুকে মনপ্রাণ অন্তর দিয়ে ভালোবাসেন। এই পৃথিবী তাঁর কাছে ঐন্দ্রজালিকভাবে সাংগীতিক। পাখিরা গ্রীষ্মকে বিদায় জানাতে পারে। কিন্তু ঘাসফড়িংরা তো আছে। তারা পৃথিবীকে সংগীতময় করে তোলে। শীত বিষণ্ণ ও বিবর্ণ হতে পারে। কিন্তু ঝিঁঝিপোকা তাদের তীক্ষ্ণ কলরবে শীতকে স্বাগত জানায় ও উয় করে তোলে। এইভাবেই চিরপ্রবহমান ধরণির সুর, পৃথিবীর কবিতা। কবি এটি প্রকাশ করেন এক চিত্রকরের শৈল্পিক পারঙ্গমতায়। রোমান্টিক শিল্পীর নিখুঁত সম্পাদন এই কবিতা।]

Ans:-'The Poetry of Earth' is not the original title of the sonnet. Somewhere it is titled as 'On the Grasshopper and the Cricket'. The poem tells about the music of the Grasshopper and the Cricket. The former carries the music of the earth through the warmth of summer. The latter warms the winter with its music. But what the poet states here is not their music. Their music is the symbol of eternal music of nature. The poet suggests that nothing can stop this music. The poetry i.e. the music of earth is everlasting. The title hints at the theme. So it is appropriate.

[ সনেটটির আদি শিরোনাম 'The Poetry of Earth' নয়। কোথাও এর শিরোনাম আছে 'On the Grasshopper c and the Cricket'। কবিতাতে অবশ্যই ঘাসফড়িং ও ঝিঁঝির সংগীতের আছে। প্রথমজন পৃথিবীর সুর বয়ে নিয়ে যায় গ্রীষ্মের দাবদাহের ভিতর দিয়ে। দ্বিতীয়জন তার সংগীতের মাধ্যমে শীতকে করে উত্তপ্ত। কিন্তু কবি এখানে যা বলতে চান তা এদের সংগীত নয়। তাদের সংগীত প্রকৃতির অনন্ত সংগীতের প্রতীক। কবির ইঙ্গিত কেউ এই সংগীতকে থামাতে পারে না। পৃথিবীর কবিতা অর্থাৎ সংগীত চিরস্থায়ী। শিরোনামে বিষয়বস্তুর ইঙ্গিত আছে। তাই এটি যথোপযুক্ত।]

Ans:- In the first eight lines of the poem, the poet has portrayed a scene of summer. The sun is hot. Birds are faint. They seek shade in cool trees. The earth is sun-burnt. Her bosom is dried-up. Suddenly the playful Grasshopper is seen. It runs from hedge to hedge. When it runs, it sings. On and on goes the music. Summer becomes alive. The tiny creature moves flying about the new-mown mead. It knows no rest. If tired, it only takes a momentary rest beneath some tender weed. But the music it leaves, fills the hot summer with life and joy.

[ কবিতাটির প্রথম আট লাইনে কবি এঁকেছেন গ্রীষ্ম-দৃশ্য। সূর্য উন্ন। পাখিরা ঝিমিয়ে পড়েছে। শীতল গাছের মধ্যে খুঁজছে আশ্রয়। রোদে পোড়া পৃথিবী। বুক তার শুকিয়ে গেছে। হঠাৎই দেখা যায় ক্রীড়াচপল ঘাসফড়িংকে। ঝোপ থেকে ঝোপে ছোটে সে। ছুটতে ছুটতে গান ধরে। সে গান বয়ে চলে অবিরাম। গ্রীষ্ম হয় প্রাণময়। সদ্য ঘাসছাঁটা প্রান্তরে এই ছোটো প্রাণীটি উড়ে বেড়ায়। বিশ্রাম জানে না সে। ক্লান্ত হলে, সাময়িক বিশ্রাম নেয় কোনো নরম আগাছার নীচে। তবে যে সংগীত সে রেখে যায়, তা উন্ন গ্রীষ্মকে প্রাণপ্রাচুর্যে পরিপূর্ণ করে তোলে।]

Ans:-The poetry of earth knows no death. It exists in all seasons. In summer birds stop singing. They are too weary to sing. But earth's music does not stop. The Grasshopper begins to hum. In absence of birds he takes the lead. Thus the earth's music continues uninterruptedly. After summer comes winter. The atmosphere is dull and lifeless. On winter evening frosts deepen silence. People take rest at home. It seems that no music is possible now. But suddenly is heard the song of the Cricket. It seems to one half lost in drowsiness that it is but the continuation of the Grasshopper's song in summer.

[পৃথিবীর কবিতার মৃত্যু নেই। সমস্ত ঋতুতেই এটি বিদ্যমান। গ্রীষ্মে পাখিরা কূজন থামায়। গাইতে গিয়ে তারা ভীষণ ক্লান্ত। কিন্তু পৃথিবীর গান কখনও থামে না। গঙ্গাফড়িং গুন গুন শব্দ করতে আরম্ভ করে। পাখিদের অনুপস্থিতিতেসেই-ই মুখ্য ভূমিকা নেয়। এরকম বাধাহীনভাবে পৃথিবীর গান চলে। শীত শেষে আসে গ্রীষ্ম। পরিস্থিতি তখন ম্যাড়মেড়ে এবং নিষ্প্রাণ। শীতের সন্ধ্যায় কুয়াশাচ্ছন্নতা বয়ে আনে নির্জনতা। লোকজন বাড়িতে বিশ্রাম গ্রহণ করে। এ থেকে যেন মনে হয় কোনো সংগীতই সম্ভব নয়। কিন্তু হঠাৎ আবার ঝিঁঝি পোকার রব ওঠে। তখন অর্ধজাগ্রত অবস্থায় কারও মনে হয় গরমকালে ঘাসফড়িং-এর গানের রেশ।]

Ans:-The description of the sounds automatically creates the visual image. He describes the poetry of nature. It is beautiful at all time. If the birds are exhausted in the hot sun they can take shelter in the shades of the trees. The Cricket also moves about the hedges chirping his melodious tune. He smells in joy the meadows and takes shelter in the weed. Thus the poet portrays a lovely scene of summer in the country side. Breaking the silence of winter evening the Crickets chirp from the stove that paints the scenic beauty of nature.

[শব্দের বর্ণনা নিজে থেকেই ভূদৃশ্য বা দৃশ্যকল্প তৈরি করে। তিনি সরাসরি প্রকৃতির কবিতা বর্ণনা করেছেন। এটি সমস্ত যুগেই সুন্দর। যখন প্রখর রোদে পাখিরা ক্লান্ত হয় তবে তারা গাছের ছায়ায় আশ্রয় নেয়। একটি ঝিঁঝিপোকা সুরেলা গান গেয়ে ঝোপঝাড়ের দিকে ঘুরে বেড়ায়। সে তৃণভূমির গন্ধ আনন্দসহকারে গ্রহণ করে ও আগাছার মধ্যে আশ্রয় নেয়। এইভাবে কবি গ্রামের গ্রীষ্মের একটি অসাধারণ আনন্দময় ছবি বর্ণনা করেছেন। শীতের সন্ধ্যার নীরবতা ভঙ্গ করে ঝিঁঝিপোকা অগ্নিকুণ্ড থেকে গান করে প্রকৃতির অনুপম দৃশ্যকে চিত্রিত করে।]