Chapter -9⇒আজকের ভারত : সরকার, গণতন্ত্র ও স্বায়ত্তশাসন

উত্তর:

১৯৪৭ খ্রিস্টাব্দের ১৫ আগস্ট ভারত স্বাধীনতা লাভ করে। ১৯৫০ খ্রিস্টাব্দের ২৬ জানুয়ারি স্বাধীন ভারতের সংবিধান চালু হয়। ভারতীয় সংবিধানের প্রধান প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলি হল-

1.পৃথিবীর বৃহত্তম সংবিধান : ভারতের সংবিধান হল পৃথিবীর বৃহত্তম সংবিধান। ভারতীয় সংবিধানে প্রায় ৪৫০টি ধারা, অসংখ্য উপধারা এবং ১২টি তফশিল আছে। পৃথিবীর অন্য কোনো দেশের সংবিধান এর মতো বড়ো নয়। তা ছাড়া বারবার সংবিধান সংশোধনের ফলে এর আয়তন আরও বেড়েছে।

2.লিখিত ও অলিখিত নিয়মের সংমিশ্রণ : পৃথিবীর বেশিরভাগ দেশের সংবিধানের মতো ভারতের সংবিধান আছে লিখিত আকারে। আবার কোনো দেশের সংবিধান লিখিত নয়। যেমন— ইংল্যান্ডের সংবিধান লিখিত নয় – অলিখিত সংবিধান। এইসব দেশে বহু বছর ধরে চলে আসা নিয়মগুলি মেনে চলা হয়। ভারতেও অনেক বিষয়ে বহু বছর ধরে চলে আসা নিয়মগুলি মেনে চলা হয়। তাই ভারতের সংবিধান লিখিত ও অলিখিত সংবিধানের সংমিশ্রণ।

3.যুক্তরাষ্ট্রীয় সংবিধান : ভারতের সংবিধান হল যুক্তরাষ্ট্রীয় সংবিধান। ভারতে কেন্দ্র সরকার ও রাজ্য সরকার আছে। ভারতীয় সংবিধানে কেন্দ্রীয় সরকার ও রাজ্য সরকার— দুই সরকারের মধ্যে ক্ষমতা ভাগ করে দেওয়া আছে।

4.গণতান্ত্রিক সংবিধান : সংবিধান অনুসারে ভারতের সরকার হল গণতান্ত্রিক সরকার। ভারতের জনগণ নিজেরা তাদের সরকার নির্বাচন করে। প্রতি পাঁচ বছর পর একবার করে নির্বাচন হয়। জনগণ ভোট দিয়ে আগামী পাঁচ বছরের জন্য সরকার নির্বাচন করে।

5.সরকারের কাজকর্মের বিভাজন : ভারতের সংবিধানে ভারত সরকারের কাজকর্ম চালানোর জন্য তিনটি বিভাগ রয়েছে – আইনবিভাগ, 2 শাসনবিভাগ ও ও বিচারবিভাগ।

আইনবিভাগের কাজ হল দেশ চালানোর জন্য আইন তৈরি করা।

শাসনবিভাগের কাজ হল আইন অনুসারে দেশ পরিচালনা করা।

বিচারবিভাগের কাজ হল সংবিধান অনুসারে দেশশাসন হচ্ছে কি না, জনগণের স্বার্থ সুরক্ষিত হচ্ছে কি না এই সবের দিকে নজর রাখা। কেউ নিয়ম ভাঙলে তার ব্যবস্থা নেওয়া।

উত্তর :

ভারতকে গণতান্ত্রিক যুক্তরাষ্ট্র বলা হয়। ভারতকে গণতান্ত্রিক ও যুক্তরাষ্ট্রীয় বলার কারণ-

 গণতান্ত্রিক : যে শাসনব্যবস্থায় জনগণ নিজেদের মধ্যে থেকে শাসক বেছে শাসন পরিচালনায় অংশগ্রহণ করতে পারে, তাকে গণতন্ত্র বলে। ভারত একটি গণতান্ত্রিক দেশ। ভারতে ১৮ বছর বা তার বেশি বয়সের নাগরিকগণ ভোট দিয়ে নিজেরাই শাসক নির্বাচন করতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্রীয় : যে দেশে সংবিধান অনুসারে একটি কেন্দ্রীয় সরকার এবং রাজ্য সরকারের মধ্যে ক্ষমতা ভাগ করে শাসন পরিচালিত হয়, তাকে যুক্তরাষ্ট্র বলে। ভারতে যুক্তরাষ্ট্রীয় শাসনব্যবস্থা আছে। ভারতে একটি কেন্দ্রীয় সরকার এবং প্রতি রাজ্যে একটি করে রাজ্য সরকার আছে।

দেশ পরিচালনায় সংবিধানের ভূমিকা : সরকার দেশ পরিচালনা করে। সরকার দেশের জনগণকে ভালো রাখার জন্য দেশের শাস্তি ও উন্নতির জন্য কাজ করে। আর সরকারকে সংবিধান মেনেই সব কাজ করতে হয়। তাই বলা যায় দেশ পরিচালনায় সংবিধান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

উত্তর :

পশ্চিমবঙ্গে স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন ব্যবস্থা প্রচলিত আছে। এই স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন ব্যবস্থা দুই ভাগে বিভত্ত্ব-  পৌর ও গ্রামীণ।

 পৌঁর : ছোটো ও মাঝারি শহরে পৌরসভা এবং বড়ো বড়ো শহর কলকাতা, হাওড়া, শিলিগুড়ি প্রভৃতিতে পৌরনিগম বা মিউনিসিপ্যাল কপোরেশন থাকে।

গ্রামীণ : পশ্চিমবঙ্গের ত্রিস্তর পঞ্চায়েত ব্যবস্থার তিনটি স্তর হল – (ক) গ্রামে- (গ) জেলায় জেলা পরিষদ। গ্রাম পঞ্চায়েত, (খ) ব্লকে– পঞ্চায়েত সমিতি এবং

নির্বাচন : পৌরসভা ও পঞ্চায়েতের নির্বাচনে এই এলাকার ১৮ বছর বা তার বেশি বয়স্ক নাগরিকগণ ভোট দিয়ে তাদের প্রতিনিধি নির্বাচন করেন। পৌরসভা ও পঞ্চায়েতের সদস্যরা ৫ বছরের জন্য নির্বাচিত হন।

পৌরসভা ও পঞ্চায়েতের কাজ : পৌরসভা ও পঞ্চায়েতের কাজ হল — 1.এলাকার জনগণের সেবামূলক কাজ  2.এলাকার উন্নয়ন করা ও শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখা। 3. এলাকার স্বাস্থ্য, শিক্ষা, পানীয় জল, পরিচ্ছন্নতা, বনসৃন প্রভৃতি বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করা।

উত্তর:

পশ্চিমবঙ্গে স্থানীয় স্বায়ত্তশাসনমূলক প্রতিষ্ঠানগুলিকে দুটি ভাগে ভাগ করা হয় – 1. পৌর ও 2.গ্রামীণ। শহরে বা নগরে পৌরসভা এবং গ্রামে ত্রিস্তর পঞ্চায়েত ব্যবস্থা আছে।

পৌরসভা : পশ্চিমবঙ্গে শহরের শাসন পরিচালনা করে পৌরসভা।

 পৌরসভার কাজ।

1.পৌরসভার এলাকায় বসবাসকারী জনগণের মধ্যে সেবামূলক কাজ করা।

  1. জনগণের স্বাস্থ্য বিষয়ে দায়িত্ব পালন করা।

3.শহরের উন্নয়ন ও আইনশৃঙ্খলা দেখাশোনা করা।

4.শহরের রাস্তাঘাট বানানো, শহরকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা, শহরে প্রয়োজনীয় জল্প সরবরাহ করা প্রভৃতি।

গ্রাম পঞ্চায়েত : গ্রামীণ স্বায়ত্তশাসন ব্যবস্থার প্রথম স্তর হল গ্রাম পঞ্চায়েত।

গ্রাম পঞ্চায়েতের কাজ:

1.পঞ্চায়েত এলাকায় বসবাসকারী জনগণের মধ্যে সেবামূলক কাজ করা।

  1. গ্রামের জনগণের স্বাস্থ্যসংক্রান্ত দায়িত্ব পালন করা।

3.গ্রামের উন্নয়নমূলক কাজ ও শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখা।

4.গ্রামের রাস্তাঘাট তৈরি, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা, প্রয়োজনীয় জলের ব্যবস্থা করা, বনসৃজন করা।

উত্তর:

 প্রাচীন ভারতে গণতন্ত্র : প্রাচীন ভারতে গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থার কথা জানা যায়। আজ থেকে আড়াই হাজার বছর আগে ভারতে গণতান্ত্রিক শাসনের প্রমাণ আছে। খ্রিস্টপূর্ব ষষ্ঠ শতাব্দীতে যোড়শ মহাজনপদের মধ্যে বৃদ্ধি ও মল্ল রাজ্যে গণতান্ত্রিক শাসন ছিল।

প্রাচীনকালে ভারতের বাইরে গণতন্ত্র : প্রাচীনকালে গ্লিস দেশের এথেন্সে গণতন্ত্র ছিল। কলকাতা পৌরসভা

এথেন্সের গণতন্ত্র : গ্রিস দেশের এথেন্সের লোকেরা নিজেদের মধ্যে থেকে শাসক বেছে নিত। তারা ভাঙা কলসির টুকরোর উপর পছন্দের চিহ্ন এঁকে একটি বড়ো কলসির মধ্যে ফেলে দিত। এই প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর দেখা হত কার পক্ষে। কত কলসির টুকরো জমা পড়েছে। যার পক্ষে বেশি কলসির টুকরো জমা হত তিনি বিজয়ী হতেন— তিনি হতেন শাসক।

উত্তর :

সংজ্ঞা : গণ শব্দের অর্থ জনগণ। তন্ত্র মানে ব্যবস্থা। যে দেশের জনগণ নিজেরাই নিজেদের তন্ত্র বা ব্যবস্থা পরিচালনা করেন তাকে বলে গণতন্ত্র। আমাদের দেশ ভারত একটি গণতান্ত্রিক দেশ।

বৈশিষ্ট্য:

1.গণতন্ত্রে জনগণ নিজেরা নিজেদের মধ্যে থেকে শাসক নির্বাচন করেন।

2.শাসক যদি জনগণকে সন্তুষ্ট করতে না পারে তাহলে জনগণ তাকে আর শাসক হিসেবে পুনর্নির্বাচিত করে না।

উত্তর:

 সংজ্ঞা : রাজ শব্দের অর্থ রাজা। তন্ত্র শব্দের অর্থ ব্যবস্থা। রাজা যে দেশের সর্বোচ্চ শাসক হন সেই শাসনব্যবস্থাকে বলে রাজতন্ত্র। দেশের সর্বোচ্চ শাসক রাজা ছাড়াও, রানি, সুলতান, বাদশাহ প্রভৃতি বিভিন্ন নামে হতে পারেন।

 রাজতান্ত্রিক দেশের উদাহরণ : এখনও যে দেশে রাজতন্ত্র আছে বা যে দেশে রাজা-রানি সর্বোচ্চ শাসক হন সেরকম একটি দেশ হল ইংল্যান্ড।

উত্তর:

 সংজ্ঞা : প্রত্যেক দেশ কীভাবে চলবে তার জন্য কিছু নিয়মকানুন আছে। সেইসব নিয়মকানুনের সমষ্টিকে সংবিধান বলা হয়। বিধান শব্দের মানেই নিয়ম।

সংবিধানের প্রকারভেদ : সংবিধান লিখিত বা অলিখিত দুই হতে পারে। ভারতের সংবিধান লিখিত সংবিধান এবং ভারতের সংবিধান পৃথিবীর মধ্যে সবচেয়ে বড়ো সংবিধান। ইংল্যান্ডের সংবিধান অলিখিত সংবিধান।

উত্তর:

ভারতীয় সংবিধানের রূপকার হলেন ড. বি আর আম্বেদকর।

ভোট হওয়া : ভারতের সংবিধান অনুসারে দেশের শাসক বা সরকার বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রে জনগণের অধিকার আছে। সেই অধিকার অনুসারে প্রতি পাঁচ বছর পর একবার করে নির্বাচন হয়। এই নির্বাচনকে চলতি কথায় বলা হয় ‘ভোট হওয়া'।

উত্তর:

নির্বাচনকে সাধারণভাবে বলা হয় ভোট হওয়া।

ভারতে পাঁচ বছর অন্তর নির্বাচন হয়।

জনগণ নির্বাচনের মাধ্যমে দেশ চালাবার জন্য যাদের বেছে নেন। তারা মিলে গঠিত হয় সরকার। জনগণের নিজেদের মধ্যে থেকে শাসক

 উত্তর:

১৯৫০ খ্রিস্টাব্দের ২৬ জানুয়ারি দিনটি ভারতবাসীর কাছে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, ওই দিন থেকে স্বাধীন ভারতের সংবিধান হয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে ভারত গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রে পরিণত হয়েছে। কার্যকরী হয়েছিল। গণতান্ত্রিক রাজতন্ত্রী ইংল্যান্ডের অধীনতা থেকে মুক্ত I

 সংবিধান কার্যকর : ১৯৫০ খ্রিস্টাব্দের ২৬ জানুয়ারি ভারতের সংবিধান আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হয়েছে।

 প্রজাতন্ত্র দিবস : ভারতীয় সংবিধানে ভারতকে গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র বলা হয়েছে। ভারতের নেতৃবৃন্দ ১৯৫০ খ্রিস্টাব্দ থেকে ২৬ জানুয়ারি দিনটিকে ‘প্রজাতন্ত্র দিবস' হিসেবে স্মরণীয় করে রাখেন। প্রতি বছর ২৬ জানুয়ারি ‘প্রজাতন্ত্র দিবস' পালন করা হয়।

উত্তর:

ভারত একটি বিশাল দেশ। এই দেশে একটি কেন্দ্রীয় সরকার ও প্রত্যেক রাজ্যে রাজ্য সরকার আছে

কেন্দ্রীয় সরকার নির্বাচন : কেন্দ্রীয় সরকারকে নির্বাচন করে। ভারতের সমস্ত জনগণ।

, রাজ্য সরকার নির্বাচন : রাজ্য সরকারকে নির্বাচন করে ওই রাজ্যের সমস্ত বাসিন্দা।

উত্তর :

যুক্তরাষ্ট্র: যে দেশে সংবিধান অনুসারে একটি কেন্দ্রীয় সরকার এবং রাজ্য সরকারের মধ্যে ক্ষমতা ভাগ করে শাসনব্যবস্থা পরিচালিত হয়, তাকে যুক্তরাষ্ট্র বলে। ভারত একটি যুক্তরাষ্ট্র। ভারতে একটি কেন্দ্রীয় সরকার এবং ২৯টি রাজ্য সরকার আছে।

সংবিধান : দেশ কীভাবে চলবে তার নিয়মকানুনকে সংবিধান বলে। সাধারণভাবে সংবিধানকে দু-ভাগে ভাগ করা যায়—

লিখিত সংবিধান : ভারতের সংবিধান, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান হল লিখিত সংবিধান।

অলিখিত সংবিধান : ইংল্যান্ডের সংবিধান হল অলিখিত সংবিধান। ইংল্যান্ডে দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা নিয়মকানুন ও রীতিনীতি মেনে দেশের শাসনব্যবস্থা চলে।

 উত্তর:

 যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকার : যে দেশের শাসনব্যবস্থায় কেন্দ্রীয় 3 ও রাজ্য সরকার এই দুই রকমের সরকারের ক্ষমতাই স্বীকার করা হয়। তাকে যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকার ব্যবস্থা বলা হয়। ভারতে যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকার ব্যবস্থা চালু আছে। কারণ ভারতে কেন্দ্রীয় সরকার ও রাজ্য সরকার এই দু-ধরনের সরকারই এই শাসনব্যবস্থায় আছে।

 উত্তর:

 পৌরসভা : পৌর কথাটি এসেছে সংস্কৃত শব্দ ‘পুর’ থেকে। পুর শব্দের অর্থ নগর বা শহর। শহর বা নগরের পৃথক শাসনব্যবস্থাকে বলে পৌরসভা।

পৌরপ্রধান : শহর বা নগরের আঠারো বছর বা তার বেশি বয়সের সদস্যরা নিজ নিজ এলাকার প্রতিনিধি নির্বাচন করে। এদের বলা হয় পৌরসভার সদস্য বা পৌর প্রতিনিধি। পৌর প্রতিনিধিরা তাদের মধ্যে একজনকে প্রধান নেতা বা নেত্রী নির্বাচন করেন, তাকে পৌরপ্রধান বলা হয়।

উত্তর:

ছোটো ছোটো শহরে বা নগরে পৌরসভা আছে।

পৌরসভার কাজ : পৌরসভার কাজগুলি হল—

1.পৌরসভার এলাকার মধ্যে বসবাসকারী জনগণের জন্য সেবামূলক কাজ করা।

2.জনগণের স্বাস্থ্য বিষয়ে দায়িত্ব পালন করা।

3.শহরের উন্নয়ন ও আইনশৃঙ্খলা দেখাশোনা করা।

  1. শহরের রাস্তাঘাট বানানো, শহরকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা, শহরে প্রয়োজনীয় জল সরবরাহ করা প্রভৃতি।

 উত্তর:

 পঞ্চায়েত সমিতি : কয়েকটি গ্রাম পঞ্চায়েতকে নিয়ে একটি ‘ব্লক' গঠিত হয়। ব্লকের স্বায়ত্তশাসন ব্যবস্থা পরিচালনার জন্য থাকে পঞ্চায়েত সমিতি। পঞ্চায়েত সমিতির প্রধানকে সভাপতি বলা হয়।

জেলা পরিষদ : কয়েকটি ব্লক নিয়ে গঠিত হয় জেলা। জেলার স্বায়ত্তশাসনের ভার থাকে জেলা পরিষদের উপর। জেলা পরিষদের প্রধানকে সভাধিপতি বলা হয়।

উত্তর :

গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধানকে পঞ্চায়েত প্রধান বলা হয়।

 গ্রাম পঞ্চায়েতের কাজ : গ্রাম পঞ্চায়েতের কাজ হল—

1.পঞ্চায়েত এলাকায় বসবাসকারী জনগণের মধ্যে সেবামূলক কাজ করা।

2.গ্রামের জনগণের স্বাস্থ্য বিষয়ে দায়িত্ব পালন করা।

3.গ্রামের উন্নয়নমূলক কাজ ও শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখা।

4.গ্রামের রাস্তাঘাট তৈরি, গ্রামের পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা, প্রয়োজনীয় জলের ব্যবস্থা করা, বনসৃজন করা প্রভৃতি।

5.শিক্ষাদানের জন্য বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা প্রভৃতি।