Chapter-9 ➤ জনবসতি ও পরিবেশ

উঃ-প্রতিটি দেশে নির্দিষ্ট সময় অন্তর জনগণনা করা হয়, একে আদমশুমারি বলে। ভারতে প্রতি 10 বছর অন্তর জনগণনা করা হয়।

উঃ-বিগত কয়েক দশক ধরে ভারতের জনসংখ্যা এত বৃদ্ধি পেয়েছে, একে জনবিস্ফোরণ বলে।

উঃ-না, পাঠ্যবই পড়লে ভালো শিক্ষা হয় না। এর সঙ্গে নানান সাংসারিক ও সামাজিক কাজ করতে হয় যাতে মানুষ বাস্তব সমস্যার সমাধান করতে পারে।

উঃ-শিক্ষিত মানুষ অন্যের কথা ভাবে। পরিবেশের ভালোমন্দের কথা ভাবে। তারা গাছ লাগায়, গাছের যত্ন নেয়, পশুপাখিদের রক্ষা করে, জল ও প্রাকৃতিক সম্পদ নষ্ট করে না এবং তারা মানুষের পাশে থাকে।

উঃ-ধনী-গরিব, ছোটো-বড়ো নির্বিশেষে সকলকে নিয়েই গড়ে ওঠে আমাদের পরিবেশ। সামাজিক বৈষম্য আমাদের পিছিয়ে দেয়। কাউকে বৈষম্য ও ঘৃণা না করে আমরা যদি পরস্পর পরস্পরের সঙ্গে মিলেমিশে থাকতে পারি তাহলে আমাদের সামাজিক পরিবেশ সুস্থ হবে।

উঃ-আমাদের ভূপৃষ্ঠ কতকগুলি স্তর বা প্লেটের সমন্বয়ে গঠিত। এই প্লেটগুলি একে অপরের কাছাকাছি এলে পরস্পরের সংঘর্ষের ফলে প্রবল ভূমিকম্প হয়, ফলে সমুদ্রের বিশাল ঢেউ উপকূলে আছড়ে পড়ে। এই প্রবল জলোচ্ছ্বাসকে সুনামি বলে।

উঃ-ঘরবাড়ি ভেঙে পড়লে ইট, সিমেন্টের চেয়ে কাঠের আঘাত কম লাগবে এবং ওই কাঠ পুনরায় কাজে লাগানো যাবে।

উঃ-পৃথিবীর অভ্যন্তরে তাপ, চাপ ও গ্যাস প্রভৃতির ভারসাম্য নষ্ট হলে ভূপৃষ্ঠের মধ্যে প্রচণ্ড কম্পনের সৃষ্টি হয়। এর ফলেই ভূমিকম্প হয়ে থাকে।

উঃ-ভূ-অভ্যন্তরে কম্পনের ফলে ভূপৃষ্ঠ কখনো-কখনে আকস্মিকভাবে ক্ষণিকের জন্য কেঁপে ওঠে, এই কম্পনবে বলে ভূমিকম্প।

উঃ-2001 খ্রিস্টাব্দের 26 জানুয়ারি গুজরাটের কচ্ছ উপদ্বীপের ভুজ অঞ্চলের ভয়াবহ ভূমিকম্পে প্রায় লক্ষাধি মানুষের জীবনহানি ও সম্পত্তিহানি ঘটে।

উঃ-নদীর স্বাভাবিক গতিপথ বন্ধ হলে, প্রচুর বৃষ্টি হলে, নদীর জলধারণ ক্ষমতা কমে গেলে জল স্বাভাবিক গতিপথের বাইরে বয়ে যায়, একেই হড়পা বান বলে। বিশ্বে বিভিন্ন প্রান্তে এই ধরনের বান প্রায়ই হয়ে থাকে।

উঃ-গ্যালিলিয়ো ছিলেন বিখ্যাত ইটালীয় গণিতবিদ ও জ্যোতির্বিজ্ঞানী। তাঁর সবচেয়ে বড়ো আবিষ্কার হল একটি শক্তিশালী দূরবীক্ষণ যন্ত্রের উদ্ভাবন, যার সাহায্যে বৃহস্পতি গ্রহের চারটি উপগ্রহ ও শনির একটি বলয় তিনি প্রথম প্রত্যক্ষ করেন।

উঃ-কোনো স্থানের বায়ুমণ্ডলের প্রতি ঘণ্টার বা প্রতিদিনের অবস্থাকে আবহাওয়া বলে।

উঃ-ভূমিকম্পের আগাম সতর্কতা পেলে গুরুত্বপূর্ণ জিনিসপত্রের সংরক্ষণ, প্রয়োজনীয় খাদ্য, পানীয় জল মজুত করা দরকার। গ্যাস ও বিদ্যুৎসংযোগ বন্ধ রাখতে হবে। শিশু ও বৃদ্ধদের নিরাপদ আশ্রয়ে পাঠানো দরকার। ভূমিকম্পের সময় অহেতুক ছোটোছুটি না করে, ঘরের বাইরে বেরিয়ে আসা উচিত। সম্ভব না হলে টেবিল অথবা খাটের নীচে কিংবা, পাকাবাড়ি হলে ঘরের এক কোণে গিয়ে দাঁড়াতে হবে।