Chapter-9, BROTHERHOOD

Ans:- This line is taken from the poem Brotherhood. (লাইনটি Brotherhood কবিতা থেকে নেওয়া হয়েছে।)

 

Ans:- The poet introduces himself as a man in his poem Brotherhood. (কবি তাঁর Brotherhood কবিতায় নিজেকে মানুষ হিসেবে পরিচিত করিয়েছেন।)

Ans:- The poet states that he has the limitations of short span of life and his lack of knowledge about the infinite in his poem Brotherhood. (কবি তাঁর Brotherhood কবিতায় যেসব সীমাবদ্ধতার কথা বলেছেন সেগুলি হল তাঁর স্বল্প আয়ু ও অনন্ত সম্পর্কে তাঁর দৈন্যতা।)

Ans:- By the expression 'night is enormous' the poet means to suggest that the life beyond is limitless. ('রাত্রি বিপুল' কথাটির মাধ্যমে কবি বলতে চেয়েছেন যে জন্মের পরবর্তী জীবন অসীম।)

Ans:- The poet looks up to search for the true import of his limited existence on the earth. (পৃথিবীতে তাঁর সীমাবদ্ধ অস্তিত্বের প্রকৃত অর্থ খোঁজার জন্য কবি ঊর্ধ্বপানে তাকান।)

Ans:- When the poet looks up he finds the stars write. (কবি যখন ঊর্ধ্বপানে তাকান তখন দেখেন তারারা লিখছে।)

Ans:- The stars in the night sky cheer up the drooping spirit of the poet. (রাতের আকাশের তারারা কবির হতোদ্যম মনকে উৎসাহিত করে।)

Ans:- The expression implies that the stars send the message of light and hope. (এই কথাটির অর্থ হল যে তারারা আলো ও আশার বাণী পাঠায় )

Ans:- When the poet sees the stars write he unknowingly understands that he too is written. (কবি যখন দেখেন যে তারারা লিখছে তখন তিনি না জেনেও বোঝেন যে তিনিও লেখা হচ্ছেন।)

Ans:- The poet's final realization is that someone spells him out. (কবির শেষ উপলব্ধি হল যে কেউ তাঁকে ঠিক বুঝতে পারে ।)

Ans:-  Brotherhood between man and God, or man and man is established in the poem Brotherhood. (Brotherhood কবিতায় ঈশ্বর ও মানুষ, অথবা মানুষ ও মানুষের মধ্যে ভ্রাতৃত্ব প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।)

Ans:- Here 'Someone' refers to either God or the loving reader of the poet. (এখানে 'Someone' বলতে হয় ঈশ্বর বা কবির অনুরাগী পাঠককে বোঝানো হয়েছে।)

Ans:- The stars write man's place in the world. (তারারা পৃথিবীতে মানুষের অবস্থানের কথা লেখে )

Ans:- In Paz's poem, Brotherhood, we have various concepts of brotherhood between man and man, between the writer and his reader, between one writer and another, and finally between the creator and the created. Man is mortal, he lives only for a few hours; and then is engulfed by the darkness of death. But that thought cannot keep the poet depressed at night. Looking up at the sky, he notices the stars, and imagines them as engaged in writing in letters of light. He discovers a brotherhood between himself and the stars, and there grows in him an optimistic faith that like the stars he will overcome death through his writing, and will be remembered for ever. Whenever a reader reads his poetry, the fond of brotherhood grows surely and securely between the writer and the reader. Moreover, since the poet himself, like all men and women, is written by God, there certainly exists a strong bond between God and a poet like Paz. This is also a kind of brotherhood; and it is fostered in all ages.

(পাজ-এর Brotherhood নামক কবিতায় আমরা বিভিন্ন ধরনের ভ্রাতৃত্বের পরিচয় পাই : একজন মানুষের সঙ্গে আরেক জনের, লেখকের সঙ্গে তাঁর পাঠকের, এক লেখকের সঙ্গে আর এক লেখকের, এবং শেষ পর্যন্ত সৃষ্টিকর্তার সঙ্গে তাঁর সৃষ্ট জীবের। মানুষ মরণশীল, অল্প কিছু সময় সে বাঁচে, এবং তারপর অন্ধকারময় মৃত্যু তাকে আচ্ছন্ন করে। কিন্তু রাতের প্রহরেও এই চিন্তা কবিকে মনমরা করে রাখতে পারে না। আকাশের দিকে মুখ তুলে তাকিয়ে তিনি তারাদের লক্ষ করেন, এবং কল্পনা করেন যে নক্ষত্ররাজি আলোর আখরে লিখে চলেছে। তাই তিনি নিজের সঙ্গে তারাদের ভ্রাতৃত্ব আবিষ্কার করেন। আর তাঁর মধ্যে এক আশাবাদী বিশ্বাস গড়ে ওঠে তারাদের মতো তিনিও মৃত্যুকে অতিক্রম করে যাবেন তাঁর লেখার মধ্য দিয়ে, এবং চিরকাল লোকে তাঁকে মনে রাখবে। যখনই কোনো পাঠক তার কবিতা পাঠ করে, নিশ্চিত এবং অবশ্যম্ভাবী রূপে তাঁদের মধ্যে ভ্রাতৃত্বের বন্ধন গড়ে ওঠে। তা ছাড়া যেহেতু কবি স্বয়ং—অন্য সব নরনারীর মতো ঈশ্বরেরই রচনা, অবশ্যই ঈশ্বর এবং পাজ-এর মতো এক কবির মধ্যে এক দৃঢ় বন্ধন রয়েছে। এটাও একপ্রকার ভ্রাতৃত্ব, এবং এটা যুগে যুগে লালিত হচ্ছে।)

Ans:- Brotherhood by Octavio Paz is a very short and suggestive poem. Within its concise canvas we have two distinctly different pictures of the persona. The poem starts with the unambiguous utterance of the character, "I am a man: little do I last and the night is enormous." Here he implies that he is after all a human being. Limited is his existence. He knows that he will enjoy no room in the vast universe. Beyond him lies the land of eternal darkness. Set against the vaster vista of the life beyond human being almost pales into insignificance. All the dreams and desires, hopes and aspirations of an individual melt into nothingness. This is the riddle of existence and the persona is fully conscious of this riddle. This is the first step to little self-realization.

But the first impression of the persona changes all on a sudden. The little human being looks upward. He sees stars. They send him an illuminating message- the message of exact location of man in the vaster scheme of the universe. Unknowingly, he perceives that the purpose of his life has been written in the starry sky. He is led to believe that he is not insignificant. He has his identity established. He is a part and a very vital part of the universe. He has a fond Kinship with all that belongs to the limitless. The initial sadness is gone. Instead comes a robust hope in his mind. The doubt is dissolved. The persona discovers his special place in the universe. Thus is established Brotherhood that exists between man and man, man and Nature and above all between man and the Universe.

(অক্টাভিও পাজের লেখা, Brotherhood একটি সংক্ষিপ্ত ও সাংকেতিক কবিতা। এর সীমিত পরিসরে আমরা এই কবিতার কথকের দুটি সুস্পষ্ট বিপরীত চিত্র পাই। কবিতা শুরু হয় চরিত্রটির দ্ব্যর্থহীন এই উচ্চারণ দিয়ে : আমি মানুষ/স্বল্পদিন আয়ু আমার আর বিপুল এই রাত্রি। এখানে তিনি বোঝাতে চান যে তিনি একজন ক্ষুদ্র মানুষ। সীমায়িত তাঁর অস্তিত্ব। মহাবিশ্বে যে তাঁর কোনো স্থান হবে না এটি তিনি অবগত। তাঁর জীবনের ওপারে অনন্ত আঁধারের দেশ। এই বিপুল বিস্তৃত ক্ষেত্রের প্রেক্ষিতে মানুষ অর্থহীনতায় প্রায় ম্লান। মানুষের সকল আশা-আকাঙ্ক্ষা, স্বপ্ন ও ইচ্ছা নাস্তিতে মিলিয়ে যায়। এটি অস্তিত্বের প্রহেলিকা। কবিতার ভাষ্যকার এ সম্পর্কে অবগত। এটি তার আত্মোপলব্ধির প্রথম ধাপ।

কিন্তু  ভাষ্যকারের প্রথম অনুভূতি হঠাৎই বদলে যায়। ছোট্ট মানুষ ঊর্ধ্বাকাশে তাকায়। সে দেখে নক্ষত্রদের। তারা তাকে অজ্ঞাময় বার্তা পাঠায়। মহাবিশ্বের বিপুল প্রেক্ষিতে মানুষের সঠিক অবস্থান। না জেনেই তিনি উপলব্ধি করেন নক্ষত্রখচিত আকাশের বুকে লেখা হয় তাঁর জীবনের উদ্দেশ্য। তিনি এই বিশ্বাসে প্রাণিত হন যে তিনি তুচ্ছ নন। তাঁর পরিচয় প্রতিষ্ঠিত। তিনি মহাবিশ্বের একটি অংশ ও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ। সীমাহীন জগতের সকল কিছুর সঙ্গে তাঁর ঐকান্তিক সম্পর্ক। প্রথম দিককার বিষণ্ণতা দূর হয়ে গেল। পরিবর্তে এল এক দীপ্ত আশা। সন্দেহ মিলিয়ে গেল। মহাবিশ্বে কথক আবিষ্কার করতে পারলেন তাঁর বিশেষ স্থান। এইভাবেই প্রতিষ্ঠিত হল সৌভ্রাতৃত্ব যা মানুষের সঙ্গে মানুষের, মানুষ ও প্রকৃতির মধ্যে আর সর্বোপরি মানুষ ও মহাবিশ্বের মধ্যে বিদ্যমান।)

Ans:- The first criterion of a lyric poem is its personal tone and appeal. Subjectivity is the hallmark of a lyric. Paz begins his Brotherhood, like a true lyricist, with “I am a man.....”  It is his individual emotion and thought which constitute the theme of the poem. He tells the reader of his personal imagination and realization and does not look at things objectively. The stars are writers in his eyes, and all who read his poetry and write about it are his brethren. Even God as the Creator is a Big Brother of all creative writers. The second quality of a lyric is its spontaneity. In this poem the poet's thought moves smoothly from mortality of man to the vastness of dark night, to the stars in the sky above. He effortlessly imagines that stars are writing, and feels assured that man is also a thing written by God. And from this he discovers an assuring faith that all writers are brothers to each other. Finally, like a good lyric, Brotherhood has a lovely rhythm and simplicity of diction, though its lines do not rhyme with each other.

(গৌতিকাব্যধর্মী কবিতার প্রথম শর্ত সেই কবিতায় কবির ব্যক্তিগত সুর এবং আবেদন থাকতে হবে। এই ব্যক্তিসত্তার প্রকাশই গীতিকবিতার উৎকর্যের প্রধান চিহ্ন। Paz তাঁর Brotherhood-এর শুরুতেই বলেছেন 'I am a man তাঁর নিজস্ব অনুভূতি ও চিন্তা নিয়েই কবিতার বিষয়বস্তু সৃষ্ট হয়েছে। পাঠকদের তিনি নিজের ব্যক্তিগত কল্পনা এবং উপলব্ধির কথাই বলেছেন, এবং কোনো জিনিসকে তিনি নৈর্ব্যক্তিকভাবে দেখেননি। তাঁর চোখে তারকারাজি হয়েছে লেখককুল এবং যেসব মানুষ তাঁর কবিতা পড়েন বা সেই বিষয়ে লেখেন, তাঁরা সবাই তাঁর ভ্রাতৃসম। এমনকি স্বয়ং সৃষ্টিকর্তাও সব সৃজনশীল লেখকের জ্যেষ্ঠ ভ্রাতার মতো। গীতিকবিতার দ্বিতীয় ধর্ম তার স্বতঃস্ফূর্ততা। এই কবিতায় কবির চিন্তাধারা স্বচ্ছন্দে বিচরণ করেছে মানুষের মরণশীলতা থেকে কালো রাত্রির বিশালতায়, এবং তা থেকে আকাশের তারকারাজি পর্যন্ত। তিনি অনায়াসে কল্পনা করেন যে তারারা লিখছে, এবং এই ভেবে আশ্বস্ত হন যে মানুষও ঈশ্বরের লেখা রচনার মতো। এ থেকে তিনি এক দৃঢ় বিশ্বাসে পৌঁছে। যান যে সব লেখকই পরস্পর ভ্রাতৃত্বের ডোরে বাঁধা। সবশেষে বলা যায়, একটি ভালো গীতিকবিতার মতো Brotherhood-এরও আছে একটা সুন্দর ছন্দ এবং সহজ ভাষা, যদিও এর লাইনগুলিতে পরস্পর অন্ত্যমিল নেই।)

Ans:- The poem called Brotherhood definitely has a philosophy of life, though it is not very subtle and complex. In fact, it is primarily lyrical, and has also a philosophic appeal. It begins with a note of pessimism that man has a very short span of life, and being a man, he will also die soon. But the mood changes at the next moment, and so does the philosophy. The view of the stars in the noctural sky assures him that like the writings of stars his writings will remain for ever, and his readers will never forget him. With this hope, another is added: he gradually begins to realize that he is written by God, and like the Creator of the world he will live through his creation. This theistic faith confirms his idea of brotherhood among writers, readers and critics. So the poem ends in an optimistic note.

(Brotherhood নামক কবিতাটির অবশ্যই একটি জীবনদর্শন আছে, যদিও সেটি খুব সূক্ষ্ম বা জটিল নয়। প্রকৃতপক্ষে কবিতাটি প্রধানত লিরিকধর্মী, তবু এর মধ্যে একটি দার্শনিক আবেদনও আছে। এটি শুরু হচ্ছে নৈরাশ্যবাদ-এর সুরে এই বলে যে, মানুষের জীবন খুবই ক্ষণস্থায়ী, এবং কবি যেহেতু একজন মানুষ, তাঁকে শীঘ্রই মরতে হবে। কিন্তু এই মনোভাবের পরিবর্তন ঘটে পরমুহূর্তেই, এবং কবির দর্শনেরও পরিবর্তন ঘটে। রাত্রির আকাশে নক্ষত্ররাজির দিকে দৃষ্টিপাত করে তিনি এই ভেবে আশ্বস্ত হন যে, তারাদের লেখার মতো তাঁর রচনাও চিরকাল থেকে যাবে, এবং তাঁর পাঠকরা তাঁকে কখনও ভুলবেন না। এই আশার সঙ্গে আরও একটি আশা যুক্ত হয় তিনি ক্রমে উপলব্ধি করতে শুরু করেন যে তিনি ঈশ্বরের লেখা এক রচনা, এবং স্বয়ং জগতের সৃষ্টিকর্তার মতো, তিনি তাঁর সৃষ্টির মধ্যে বেঁচে থাকবেন। এই ভগবদ্‌বিশ্বাস তাঁর এই ধারণাকে প্রতিষ্ঠিত করে যে, সব লেখকের সঙ্গে অন্য লেখক, পাঠক এবং সমালোচকদের এক ভ্রাতৃত্বের অচ্ছেদ্য বন্ধন আছে। সুতরাং কবিতাটি শেষ হয় এক আশাবাদী দৃষ্টিভঙ্গি দিয়ে। )

Ans:-  In Octavio Paz's poem Brotherhood man is contrasted with the Universe. The persona of the poem brings this contrast into focus. He is aware of the limitations of a human being. Despite all hopes and aspirations, man is after all a man. Very short span of life is granted to him. He lasts but lasts too little. He knows that the night is enormous. The night of infinite darkness encroaches upon his life and claims his all. Nothing remains. Death makes man insignificant. Set against this unending universe, man pales into insignificance.

But the sense of nothingness the persona is haunted by- does not last long. He looks upward. He sees the writings of stars in the sky. Suddenly, he is conscious of the purpose of his existence. This he gets not by knowledge but by intuition. He feels that he is not meaningless. He has a special place here in the universe. Life never departs him. From generation to generation man enjoys his existence. Death can't devour man. The persona becomes optimistic. He is confident that he too is written in the sky. And someone must read him. Probably, he is clearly spelt out at the very moment when he is out to establish himself in the universe. A sense of brotherhood cheers up his drooping spirit. He is led to believe that man has an identity. He belongs to the universe. He is very much in the vaster scheme of the universe.

(অক্টাভিও পাজ Brotherhood কবিতায় মানুষকে মহাবিশ্বের সাথে তুলনা করা হয়েছে। কবিতার প্রধান চরিত্র এই বৈপরীত্যের ওপর আলোকপাত করেছেন। তিনি মানুষের সীমাবদ্ধতা সম্পর্কে অবগত। মানুষের সকল আশা আকাঙ্ক্ষা থাকা সত্ত্বেও সে শেষ বিচারে মানুষই। খুবই সংক্ষিপ্ত তার আয়ুষ্কাল। সে বাঁচে, তবে অল্পদিনই। সে জানে রাত্রি বিপুল। অন্তহীন অন্ধকার রাত্রি তার জীবনে আসে নেমে আর তার সবকিছুকেই দাবি করে। কোনো কিছুই অবশিষ্ট থাকে না। মৃত্যু মানুষকে তাৎপর্যহীন করে তোলে। অন্তহীন মহাবিশ্বের প্রেক্ষাপটে মানুষ অর্থহীনতায় ম্লান হয়ে যায়।

কিন্তু কথক যে নাস্তির বোধে পীড়িত হন তা দীর্ঘস্থায়ী হয় না। তিনি ঊর্ধ্বাকাশে তাকান। আকাশে দেখেন তারাদের লেখনী। হঠাৎই তিনি তাঁর অস্তিত্বের উদ্দেশ্য সম্পর্কে সচেতন হয়ে ওঠেন। এটি কিন্তু তিনি জ্ঞানের দ্বারা লাভ করেননি, করেন বোধের দ্বারা। তিনি অনুভব করেন যে তিনি অর্থহীন নন। মহাবিশ্বে তাঁর একটি বিশেষ স্থান আছে। জীবন কখনও তাকে ছেড়ে যাবে না। জন্ম থেকে জন্মক্রমে জীবনের অস্তিত্ব উপভোগ করে মানুষ। মৃত্যু মানুষকে গ্রাস করতে পারে না। কথক আশাবাদী হন। তাঁর স্থির বিশ্বাস জাগে যে তিনিও নক্ষত্রখচিত আকাশের বুকে লেখা হন। কেউ না কেউ তাকে পড়ে নেবে নিশ্চয়ই। হয়ত বা এই বিশেষ মুহূর্তেই যখন তিনি মহাবিশ্বের মাঝে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন তখনই কেউ তাকে পড়ে নেবে। এক ভাতৃত্ববোধ তাঁর ভেঙে পড়া মনকে উজ্জীবিত করে। তিনি এই বিশ্বাসে প্রাণিত হন যে মানুষের একটি পরিচয় আছে। সে মহাবিশ্বের অংশ। সে এই মহাবিশ্বের বিপুল আয়োজনের মধ্যেই আছে।)

Ans:- 'Unknowing I understand' is a memorable line in Octavio Paz's poem Brotherhood. Apparently the line contains a contrast. Understanding without knowledge seems to be a misnomer. The question invariably arises how can a man understand a thing when he has no knowledge of it? But man often faces such a challenge in life. The same thing happens in case of the persona or the character of the present poem. The persona first looks at himself. He feels that as a human being he has been given a very short span of life. For, human life is but a momentary phase. But there is Universe. It knows no time and space. Unending is the undiscovered life beyond life. The night is enormous. Darkness of death devours all the doings and dreams of man. This is the truth of life. But his self-effacement attempt is suddenly stopped. The persona looks upward. He sees the stars. They go on writing in the night sky. At once the persona gains in inner mental strength. He admits that he can't know what the stars write. He knows not the mystery of the universe. All his knowledge fails when he tries to unfold the mystery of eternity. But he intuitively establishes a link with the faster scheme of the Universe. He, probably, realizes that he has a special place there. The persona suggests that knowledge may fail. Reasonings may not lead him to the realization of the self. But he overcomes the challenge of the senses through the powerful exercise of the spirit. In this way he is out to assert his kinship with the universe.

(‘Unknowing I understand' অক্টাভিও পাজের লেখা Brotherhood কবিতার এক স্মরণীয় লাইন। আপাতদৃষ্টিতে এই লাইনটিতে একটি বৈপরীত্যের আভাষ আছে। জ্ঞান ছাড়া উপলব্ধি অর্থহীন। তাই এই প্রশ্ন অবশ্যম্ভাবী জাগে। কোনো বিষয়ে ওপর জ্ঞান না থাকলে মানুষ তা কীভাবে উপলব্ধি করতে পারবে? কিন্তু মানুষকে অনেকসময় এই সমস্যার মোকাবিলা করতে হয়। এখানে কবিতা কথকের ক্ষেত্রেও একই ঘটনা ঘটেছে। তিনি প্রথম নিজের দিকে দৃকপাত করেন। তিনি অনুভব করেন যে মানুষ হিসেবে বড়ো সংক্ষিপ্ত তাঁর আয়ুষ্কাল। মানবজীবন খুবই সংক্ষিপ্ত এক পর্যায়। কিন্তু অনন্ত এই মহাবিশ্ব। সময় ও স্থানের সীমায় বাঁধা নয় তা। জীবনের পরে অশেষ সেই অনাবিষ্কৃত দেশ। রাত্রি বিপুলা মৃত্যু অন্ধকার গ্রাস করে নেয় সব কিছু পার্থিব। মানুষের কর্ম ও যাবতীয় স্বপ্ন। এটিই জীবনের সার সত্য। কিন্তু কথকের এই আত্মমোচনীয়তার প্রক্রিয়া হঠাৎ যায় থেমে। ব্যক্তিটি উদ্ধাকাশে তাকান। তিনি দেখেন তারাদের। তারা রাত্রির আকাশে লিখে চলে ভাষ্য। তৎক্ষণাৎ কথক তাঁর অন্তলীন মানসিক ক্ষমতা ফিরে পান। তিনি স্বীকার করেন যে তারাদের লেখনীর কিছুই তিনি জানেন না। মহাবিশ্বের রহস্যরাজি সম্পর্কে তিনি অনবগত। যখনই এই রহস্যের দ্বার তিনি উন্মোচনে যান তখনই তাঁর জ্ঞান ব্যর্থ হয়ে যায়। কিন্তু তিনি উপলব্ধির মাধ্যমে মহাবিশ্বের সঙ্গে এক অচ্ছেদ্য সম্পর্কে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন। সম্ভবত তিনি অনুধাবন করেন যে যেখানে তাঁর একটি বিশেষ স্থান আছে। কথক অনুভব করেন যে জ্ঞান ব্যর্থ হতে পারে। যুক্তি হয়ত তাঁকে আত্মোপলখির দিকে চালিত নাও করতে পারে। কিন্তু তিনি জ্ঞানের দুস্তর বাধাকে অতিক্রম করেন আত্মার অমেয় শক্তির অনুশীলনে। এইভাবেই তিনি মহাবিশ্বের সাথে নিজের অন্বয়কে প্রতিষ্ঠা করেন।)

Ans:- It is a small poem of just eight lines; but it is enormously rich in suggestion. It is a philosophical poem. The poet meditates on the situation of man in the universe. His short span of life is contrasted to the vastness of the sky and the dark night. The poet knows how soon his end will come. But he is a creative writer, and seeks his immortality through his writing. He discovers his hope as he looks up at the stars. It is his startling discovery that 'the stars write', which in turn leads to the belief that 'I too am written', that builds up his optimism that writings are not transient. He may not last long bodily, but he would be remembered through his writing. After all God Himself is the writer of men and women, and so there must be permanence guaranteed for good written works, for all great writers.

Paz's diction is very simple and appropriate. The construction of the poem is totally artless. But nevertheless it is well thought-out, and its very brevity makes it so effectively touching. The more we read it, the more impressive becomes its appeal. It is a wonderful lyric which also has a universal charm.

(মাত্র আট লাইনের একটি ছোট্ট কবিতা এটি। কিন্তু এটি তাৎপর্যে বিশেষভাবে সমৃদ্ধ। এটিকে দার্শনিক কবিতা বলা যায়। এই বিশ্বে মানুষের অবস্থান সম্পর্কে ভাবছেন কবি। তাঁর নিজের স্বল্পস্থায়ী জীবনের সঙ্গে বিশাল আকাশ এবং অন্ধকার রাত্রির কী ভীষণ বৈষম্য। তিনি জানেন কত দ্রুত তাঁর জীবন শেষ হতে পারে। কিন্তু তিনি সৃজনশীল লেখক, আর তাঁর লেখার মধ্য দিয়ে অমরত্বের খোঁজ করেন তিনি। যেই তিনি ঊর্ধ্বে তারাদের দৃষ্টিপাত করেন, অমনি আবিষ্কার করেন এক আশার আলো। এটা তাঁর চমকপ্রদ আবিষ্কার যে, তারারা লেখে ; তা থেকেই উনি চলে যান আর এক উপলব্ধিতে—‘আমিও লিখিত হচ্ছি। এই দুইয়ে মিলে তাঁর আশাবাদ গড়ে ওঠে যে, লেখা ক্ষণস্থায়ী নয়। শারীরিকভাবে তাঁর অস্তিত্ব দীর্ঘদিন থাকবে না, কিন্তু তাঁর লেখার মাধ্যমে তিনি চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবেন। হাজার হোক ঈশ্বর স্বয়ং এক লেখক, এবং নর-নারীরা তাঁরই লিখিত জিনিস, আর তাই ভালো রচনার অবিনশ্বরতার আশ্বাস অবশ্যই আছে, এবং সব বড়ো লেখকরাও অমর।

ভাষা অত্যন্ত সরল এবং সুপ্রযুক্ত। কবিতাটির গঠন-এর মধ্যে কোনো কায়দা বা জটিলতা নেই। কিন্তু তা সত্ত্বেও এটি অবশ্যই সুচিন্তিত, এবং এর দৈহিক হ্রস্বতাই একে আরও যথার্থভাবে মর্মস্পর্শী করেছে। যতবারই কবিতাটি পড়া যায়, ততই এর আবেদন আমাদের মনকে প্রভাবিত করে। এটি একটি সুন্দর লিরিক কবিতা, অথচ এর বিশ্বজনীন একটা আবেদনও রয়েছে।)