Lesson-9⇒ J.C. Bose : A Beautiful Mind

Ans:-Awards received by Sir J. C. Bose (স্যার জে. সি. বোসের প্রাপ্ত পুরস্কার সমূহ ) 

Knighthood (নাইটহুড)

Fellow of the Royal Society ( রয়্যাল সোসাইটির ফেলো)

Companion of the Order of the Indian Empire (কমপ্যানিয়ান অফ দ্য অর্ডার অফ দ্য ইন্ডিয়ান এম্পায়ার।)

Ans:-

Living and the Non-living (লিভিং অ্যান্ড দ্য নন লিভিং)

The Nervous Mechanism of Plants (দ্য নার্ভাস মেকানিজ্ম অফ প্ল্যান্টস)

Major Mechanism of Plants (মেজর মেকানিজ্ম অফ প্ল্যান্টস)

Niruddesher Khoje (নিরুদ্দেশের খোঁজে) etc. (প্রভৃতি।)

Ans:-By performing an interesting demonstration J. C. Bose made a history at the Town Hall in Calcutta. His path-breaking research on electro-magnetic waves became the source material for future research. So the year 1895 was historically important. (কলিকাতার টাউন হলে একটি আকর্ষনীয় প্রতিপাদন করে আচার্য জগদীশচন্দ্র বোস এক ইতিহাস তৈরি করেছিলেন। তড়িৎ-চুম্বকীয় তরঙ্গের ওপর তাঁর অভিনব গবেষণা হয়ে ওঠে ভবিষ্যতের গবেষণার আকর উপাদান। তাই ১৮৯৫ সাল ঐতিহাসিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ।)

Ans:-The electro-magnetic waves travelled from the Lecture Hall to a third room about 75 metres away. These waves passed through three solid walls. This was the interesting demonstration. (বিদ্যুৎ তরঙ্গ বক্তৃতা হল থেকে ৭৫ মিটার দূরে তৃতীয় ঘরে পৌঁছেছিল। এই তরঙ্গ তিনটি শক্ত দেওয়ালের মধ্য দিয়ে অতিক্রম করেছিল। এটাই ছিল আকর্ষনীয় প্রতিপাদন।)

Ans:-Acharya Jagadish Chandra Bose was a man of diverse talents: a physicist, biologist, botanist as well as a writer of science fiction. (জগদীশচন্দ্র বোসের ছিল বহুমুখী প্রতিভা যেমন – তিনি ছিলেন একজন পদার্থবিদ, জীববিদ, উদ্ভিদবিদ ও একসঙ্গে কল্পবিজ্ঞানের লেখক।)

Ans:-Jagadish Chandra started his education in a vernacular school because his father believed that one must know one's mother tongue before learning any other language. Besides one should know one's own people. (জগদীশচন্দ্র বোস তার পড়াশুনা শুরু করেছিলেন একটি দেশীয় ভাষায় বিদ্যালয়ে কারণ তার বাবা বিশ্বাস করতেন যে একজন অন্য ভাষা শেখার আগে তাকে তার মাতৃভাষা অবশ্যই জানতে হবে। এ ছাড়া প্রত্যেকের তার নিজের দেশের লোকজনকে জানা উচিত।)

Ans:-Sending children to English schools was regarded as an aristocratic status symbol in J. C. Bose's time. (ইংরেজি স্কুলে ছেলেদের পাঠানোটা ছিল অভিজাত পদমর্যাদার প্রতীক জগদীশ চন্দ্র বোসের সময়ে।)

Ans:-The son of the Muslim attendant of his father and the son of a fisherman were playmates of little Jagadish Bose. (তার বাবার একজন মুসলমান কর্মচারীর ছেলে এবং একজন জেলের ছেলে ছোট্ট জগদীশ বোসের খেলার সাথি ছিল।)

Ans:-The stories of birds, animals and aquatic creatures told by his playmates inspired J. C. Bose to investigate the workings of Nature. (তাঁর খেলার সাথিদের বলা পাখি, পশু এবং জলজ জীবের গল্প জগদীশ বোসকে প্রকৃতির কাজকর্ম অনুসন্ধান করতে উদ্বুদ্ধ করেছিল।)

Ans:-Jagadish Chandra started his education in a vernacular school because his father believed that one must know one's mother tongue before learning any other language. Besides one should know one's own people. (জগদীশচন্দ্র বোস তার পড়াশুনা শুরু করেছিলেন একটি দেশীয় ভাষায় বিদ্যালয়ে কারণ তার বাবা বিশ্বাস করতেন যে একজন অন্য ভাষা শেখার আগে তাকে তার মাতৃভাষা অবশ্যই জানতে হবে। এ ছাড়া প্রত্যেকের তার নিজের দেশের লোকজনকে জানা উচিত।)

Ans:-When Bose brought his friends home, his mother welcomed them and fed all of them without any discrimination. (যখন বোস তার বাড়িতে আনতেন তার মা তাদেরকে গিত জানাতেন এবং কোনও ভেদাভেদ না করে সকলকে খাওয়াতে)

Ans:-Lafont was the Jesuit father. He influenced Bose to develop his interest in natural science. (লেফ্যঁঁ ছিলেন একজন খ্রীষ্টধর্মীয় ফাদার। তিনি বোসকে প্রাকৃতিক বিজ্ঞানে আগ্রহ বাড়াতে অনুপ্রেরণা দিয়েছিলেন।)

Ans:-Sir J. C. Bose was offered lower salary than his European colleagues. He was also not provided facilities of research. His sense of self-respect and national pride was exceptional. So he refused to accept his salary, though he continued his teaching assignment. (স্যার বোসকে তার ইউরোপিয়ান সহকর্মীদের তুলনায় কম বেতন দেওয়া হত। তাকে গবেষনার সুযোগও দেওয়া হত না। তাঁর আত্মসম্মানবোধ জাতীয়তার গরিমা ছিল অসাধারণ। তাই তিনি তাঁর বেতন গ্রহণ করতে অস্বীকার করেন, যদিও তিনি তাঁর শিক্ষকতার কাজ চালিয়ে যান।)

Ans:-As a result of his protest he was offered a permanent teaching post by the Director of Public Instruction and the Principal after three years. (তাঁর প্রতিবাদের ফলস্বরূপ তিন বছর পর Director of Public Instruction এবং অধ্যক্ষ তাঁকে স্থায়ী পদে আসীন করেন।)

Ans:-A sensitive instrument invented by J. C. Bose is Crescograph. (ক্সেকোগ্রাফ হল জে. সি. বোস আবিষ্কৃত একটি সূক্ষ্ম যন্ত্র।)

It is used to measure the growth rate of plants (উদ্ভিদের বৃদ্ধির হার পরিমাপের জন্য এটি ব্যবহৃত হয়।)

Ans:-By his experiments on plants Sir j. C. Bose proved that plants behave in the same manner as human beings though plants take longer to respond than animals. (পরীক্ষা-নীরিক্ষার মাধ্যমে স্যার জে. সি. বোস দেখিয়েছিলেন যে গাছ, মানুষের মতো আচরণ করে যদিও উদ্ভিদ সাড়া দিতে প্রাণীদের চেয়ে বেশি সময় নেয়।)

Ans:-Yes, I think Bose was uninterested about securing patency right. (হ্যাঁ, আমি মনে করি বোস একচেটিয়া ব্যবসায়িক অধিকার পাওয়ার ব্যাপারে অনাগ্রহী ছিলেন।) He was a great scientist, who did not run after the commercial benefits for his inventions. On the contrary, he made his inventions public for the advancement of science. (তিনি ছিলেন এক মহান বিজ্ঞানী, যিনি তাঁর আবিষ্কারগুলির জন্য ব্যবসায়িক ফায়দার পেছনে ছোটেন নি। বরং তিনি তাঁর আবিষ্কারগুলোকে জনসমক্ষে এনেছিলেন বিজ্ঞানের অগ্রগতির জন্য।)

Ans:-He was awarded knighthood by the British government in 1917. He was also conferred awards like 'Fellow of the Royal Society, 'Companion of the order of the Indian Empire' etc. (১৯১৭ সালে ব্রিটিশ সরকার কর্তৃক তিনি নাইটহুড উপাধি পান। তিনি আরও পুরস্কার পান যেমন, 'ফেলো অফ দ্য র্যাল সোসাইটি', 'কম্প্যানিয়ন অফ দ্য অর্ডার অফ দ্য ইন্ডিয়ান এম্পায়ার' প্রভৃতি।)

Ans:-The books and publications are - 'Respnse in the living and the Non-living' (1902), The Nervous Mechanism of Plants' (1926), 'Major Mechanism of plants' (1928) and 'Niruddesher Khoje' (1896). (বই ও প্রকাশনের নাম হল – ‘রেসপন্‌স ইন দ্য লিভিং অ্যান্ড দ্য নন লিভিং (১৯১২)’, ‘দ্য নার্ভাস মেকানিজম অফ প্ল্যান্ট্স (১৯২৬)’, ‘মেজর মেকানিজম অফ প্ল্যান্ট্স (১৯২৮)’ আর ‘নিরুদ্দেশের খোঁজে'।)

Ans:-In the late 19th century Sir J. C. Bose initiated scientific research on electro-magnetic waves. (ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষের দিকে স্যার জে. সি. বোস তড়িৎ-চুম্বকীয় তরঙ্গ নিয়ে গবেষণা শুরু করেছিলেন।)

Ans:-Marconi was a scientist from Italy. He got the patent for the invention of wireless telegraphy. ((মার্কনি ছিলেন ইতালির একজন বিজ্ঞানী। তারবিহীন টেলিগ্রাফ আবিষ্কারের একচেটিয়া ব্যবসায়িক অধিকার তিনি লাভ করেন।)

Ans:-A. J. C. Bose founded the 'Bose Institute at his own house in Calcutta in November 1917. (১৯১৭) সালের নভেম্বরে কলকাতায় নিজের বাড়িতে এ. জে. সি. বোস ‘বোস ইনস্টিটিউট' স্থাপন করেন।)

Ans:- A process of thorough investigation and observation. (পুঙ্খানুপুঙ্খ পরীক্ষা আর পর্যবেক্ষণ -এর প্ৰক্ৰিয়া।)

Ans:-The official right to be the only person to make use of an invention. (কোনো একমাত্র ব্যক্তির কোনো আবিষ্কারকে ব্যবহার করার সরকারি অধিকার।)